
ইউক্রেন যুদ্ধ ক্রমশ ‘বিপজ্জনক ও বিরক্তিকরভাবে’ এগিয়ে গিয়ে বর্তমানে একটি ভয়ংকর বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইউক্রেনে রাশিয়া কর্তৃক পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের আভাসের পর এ বিষয়ে সতর্ক করে এই মন্তব্য করেন।
তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া এক ভাষণে বলেছেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধ ক্রমশ একটি ভয়ংকর রক্তপাতের অন্তহীন চক্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’
গুতেরেস বলেন, ‘আমি শুরু থেকেই বলেছি, এই বিবেক-বুদ্ধিহীন যুদ্ধে ইউক্রেনসহ সারা বিশ্বেরই ভয়ানক ক্ষতি হওয়ার সীমাহীন আশঙ্কা রয়েছে। পারমাণবিক সংঘাতের ধারণা একসময় অকল্পনীয় হলেও বর্তমানে আলোচনা ও বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে।’ পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার প্রসঙ্গে সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ‘এটি নিজেই সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য। ঝুঁকি হ্রাসে সমস্ত পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রের উচিত পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার না করা এবং এসব অস্ত্র নির্মূলে পুনরায় অগ্রগতির প্রতিশ্রুতি দেওয়া।’
এদিকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযানে আরও সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পুতিনের ঘোষণার পরপরই রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু জানিয়েছেন, রাশিয়ার মোট সেনার মাত্র ১ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৩ লাখ সৈন্য পাঠানো হবে ইউক্রেনে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু স্থানীয় সময় আজ বুধবার টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে জানান, রিজার্ভে থাকা সৈন্যদের মধ্য থেকে ৩ লাখ সৈন্য পাঠানো হবে ইউক্রেনে।
বুধবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে পুতিন বলেন, এটি রাশিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতা নিশ্চিত করার জন্য একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। পশ্চিমারা রাশিয়াকে দুর্বল ও ধ্বংস দেখতে চায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। জবাবের জন্য সব অস্ত্র প্রস্তুত আছে বলেও হুঁশিয়ারি দেন পুতিন।

ইউক্রেন যুদ্ধ ক্রমশ ‘বিপজ্জনক ও বিরক্তিকরভাবে’ এগিয়ে গিয়ে বর্তমানে একটি ভয়ংকর বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইউক্রেনে রাশিয়া কর্তৃক পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের আভাসের পর এ বিষয়ে সতর্ক করে এই মন্তব্য করেন।
তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া এক ভাষণে বলেছেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধ ক্রমশ একটি ভয়ংকর রক্তপাতের অন্তহীন চক্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’
গুতেরেস বলেন, ‘আমি শুরু থেকেই বলেছি, এই বিবেক-বুদ্ধিহীন যুদ্ধে ইউক্রেনসহ সারা বিশ্বেরই ভয়ানক ক্ষতি হওয়ার সীমাহীন আশঙ্কা রয়েছে। পারমাণবিক সংঘাতের ধারণা একসময় অকল্পনীয় হলেও বর্তমানে আলোচনা ও বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে।’ পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার প্রসঙ্গে সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ‘এটি নিজেই সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য। ঝুঁকি হ্রাসে সমস্ত পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রের উচিত পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার না করা এবং এসব অস্ত্র নির্মূলে পুনরায় অগ্রগতির প্রতিশ্রুতি দেওয়া।’
এদিকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযানে আরও সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পুতিনের ঘোষণার পরপরই রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু জানিয়েছেন, রাশিয়ার মোট সেনার মাত্র ১ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৩ লাখ সৈন্য পাঠানো হবে ইউক্রেনে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু স্থানীয় সময় আজ বুধবার টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে জানান, রিজার্ভে থাকা সৈন্যদের মধ্য থেকে ৩ লাখ সৈন্য পাঠানো হবে ইউক্রেনে।
বুধবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে পুতিন বলেন, এটি রাশিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতা নিশ্চিত করার জন্য একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। পশ্চিমারা রাশিয়াকে দুর্বল ও ধ্বংস দেখতে চায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। জবাবের জন্য সব অস্ত্র প্রস্তুত আছে বলেও হুঁশিয়ারি দেন পুতিন।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি শক্তিশালী ‘সনিক উইপন’ (শব্দাস্ত্র) ব্যবহার করেছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, অস্ত্রটি বিশেষ। এটা আর কারও কাছে নেই। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির...
২ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা এবং লবস্টারসহ (একধরনের সামুদ্রিক মাছে) নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের
৪ ঘণ্টা আগে
ফোরামে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি আছি। আমি বিশ্বাস করি, তাঁরা এখন এমন এক জায়গায় আছে, যেখান থেকে এক হয়ে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারে। আর যদি তাঁরা তা না করে, তবে তাঁরা স্টুপিড। আমি জানি তাঁরা আসলে নির্বোধ নন, কিন্তু এই সমাধান করতে না পারলে তাঁদের নির্বোধই বলতে হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বুধবার ফোরামে দেওয়া ভাষণে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি হুঁশিয়ারি...
৫ ঘণ্টা আগে