
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার ও যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের সংঘর্ষের ঘটনায় কেউ বেঁচে নেই বলে ধারণা করছেন উদ্ধারকারীরা। তবে এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনাস্থল থেকে ২৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসির ফায়ার সার্ভিসের প্রধান জন এ ডনেলি এই তথ্য জানিয়েছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি ওয়াশিংটনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ডিসির ফায়ার সার্ভিসের প্রধান জন এ ডনেলি বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা বিশ্বাস করি না যে এই দুর্ঘটনায় কেউ বেঁচে আছে। আমরা বিমান থেকে ২৭ জনের এবং হেলিকপ্টার থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি।’
বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার হেলিকপ্টার এবং উদ্ধারকারী নৌকা পটোম্যাক নদীতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। ওয়াশিংটন ডিসির জরুরি সেবা দল রিগ্যান ন্যাশনাল এয়ারপোর্টে উপস্থিত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। পটোম্যাক নদীর তীরে হেলিকপ্টারটির কিছু ধ্বংসাবশেষ মিলেছে।
ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় রাত ৯টার দিকে আমেরিকান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট রিগ্যান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল এয়ারপোর্টের রানওয়ে ৩৩-এ অবতরণের সময় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর দুটি উড়োযানই পটোম্যাক নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই সব ধরনের উড্ডয়ন ও অবতরণ বন্ধ করে দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, উড়োজাহাজটিতে ৬০ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রুসহ ৬৪ জন আরোহী ছিলেন। পিএসএ এয়ারলাইনসের বম্বার্ডিয়ার সিআরজে ৭০০ উড়োজাহাজটি ক্যানসাসের উইচিটা থেকে ওয়াশিংটনে যাচ্ছিল। অন্যদিকে মার্কিন আর্মি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারে তিনজন সেনা ছিলেন। সামরিক হেলিকপ্টারটি প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিল। তবে উড়োজাহাজটিতে থাকা কোনো সেনার পরিচয় পাওয়া যায়নি।
আমেরিকান এয়ারলাইনস এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, ‘পিএসএ এয়ারলাইনসের পরিচালিত আমেরিকান ইগল ফ্লাইট ৫৩৪২ কানসাসের উইচিটা থেকে ওয়াশিংটন রিগ্যান ন্যাশনাল এয়ারপোর্টের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। সেটি দুর্ঘটনায় পড়েছে আমরা অবগত হয়েছি।’ এফএএ ও ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) ঘটনার তদন্ত করছে। তদন্তের নেতৃত্ব দিচ্ছে এনটিএসবি।
হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি করোলিন লেভিট ফক্স নিউজকে বলেছেন, ‘দুর্ঘটনার এলাকার জনগণকে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে নির্দেশনা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। তাদের কাজে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে, যাতে তাঁরা জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করতে পারে।’
এ ঘটনাকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা বলে উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এই দুর্ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। জরুরি সেবা কর্মীদের তাঁদের অবিশ্বাস্য কর্ম দক্ষতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্সে পোস্টে বলেছেন, ‘দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবার জন্য প্রার্থনা করুন।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে জানা যায়, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর না পাওয়া গেলেও এই দুর্ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে অন্তত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার ও যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের সংঘর্ষের ঘটনায় কেউ বেঁচে নেই বলে ধারণা করছেন উদ্ধারকারীরা। তবে এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনাস্থল থেকে ২৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসির ফায়ার সার্ভিসের প্রধান জন এ ডনেলি এই তথ্য জানিয়েছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি ওয়াশিংটনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ডিসির ফায়ার সার্ভিসের প্রধান জন এ ডনেলি বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা বিশ্বাস করি না যে এই দুর্ঘটনায় কেউ বেঁচে আছে। আমরা বিমান থেকে ২৭ জনের এবং হেলিকপ্টার থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি।’
বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার হেলিকপ্টার এবং উদ্ধারকারী নৌকা পটোম্যাক নদীতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। ওয়াশিংটন ডিসির জরুরি সেবা দল রিগ্যান ন্যাশনাল এয়ারপোর্টে উপস্থিত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। পটোম্যাক নদীর তীরে হেলিকপ্টারটির কিছু ধ্বংসাবশেষ মিলেছে।
ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় রাত ৯টার দিকে আমেরিকান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট রিগ্যান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল এয়ারপোর্টের রানওয়ে ৩৩-এ অবতরণের সময় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর দুটি উড়োযানই পটোম্যাক নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই সব ধরনের উড্ডয়ন ও অবতরণ বন্ধ করে দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, উড়োজাহাজটিতে ৬০ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রুসহ ৬৪ জন আরোহী ছিলেন। পিএসএ এয়ারলাইনসের বম্বার্ডিয়ার সিআরজে ৭০০ উড়োজাহাজটি ক্যানসাসের উইচিটা থেকে ওয়াশিংটনে যাচ্ছিল। অন্যদিকে মার্কিন আর্মি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারে তিনজন সেনা ছিলেন। সামরিক হেলিকপ্টারটি প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিল। তবে উড়োজাহাজটিতে থাকা কোনো সেনার পরিচয় পাওয়া যায়নি।
আমেরিকান এয়ারলাইনস এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, ‘পিএসএ এয়ারলাইনসের পরিচালিত আমেরিকান ইগল ফ্লাইট ৫৩৪২ কানসাসের উইচিটা থেকে ওয়াশিংটন রিগ্যান ন্যাশনাল এয়ারপোর্টের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। সেটি দুর্ঘটনায় পড়েছে আমরা অবগত হয়েছি।’ এফএএ ও ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) ঘটনার তদন্ত করছে। তদন্তের নেতৃত্ব দিচ্ছে এনটিএসবি।
হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি করোলিন লেভিট ফক্স নিউজকে বলেছেন, ‘দুর্ঘটনার এলাকার জনগণকে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে নির্দেশনা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। তাদের কাজে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে, যাতে তাঁরা জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করতে পারে।’
এ ঘটনাকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা বলে উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এই দুর্ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। জরুরি সেবা কর্মীদের তাঁদের অবিশ্বাস্য কর্ম দক্ষতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্সে পোস্টে বলেছেন, ‘দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবার জন্য প্রার্থনা করুন।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে জানা যায়, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর না পাওয়া গেলেও এই দুর্ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে অন্তত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলা ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে কখনোই এক হতে পারেনি ইরানের বিভক্ত বিরোধী রাজনীতি। তবে এবার দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন সর্বশেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভি।
১ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ‘নিজের চরকায় তেল দেওয়ার’ পরামর্শ দিয়ে কঠোর তিরস্কার করেছে ভারত। দিল্লিতে কারাবন্দী সাবেক ছাত্রনেতা উমর খালিদকে সংহতি জানিয়ে একটি ব্যক্তিগত চিরকুট পাঠানোয় মামদানির ওপর চটেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে
সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এই কথিত পরিকল্পনাকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ ইউক্রেনীয়দের জীবনের প্রায় সব সিদ্ধান্তই পাল্টে দিয়েছে। সম্পর্ক, বিয়ে কিংবা সন্তান নেওয়ার মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও এখন যুদ্ধের বাস্তবতায় আটকে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যতের ওপর—ইউক্রেনে কমছে বিয়ে ও জন্মহার।
৩ ঘণ্টা আগে