
যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে গোপনে সাক্ষাৎ করেছেন। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে তাঁরা সাক্ষাৎ করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস ইরানের দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
একটি সূত্র জানিয়েছে, নিউইয়র্কে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানির সঙ্গে ইলন মাস্কের বৈঠকটি গত সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠককে ‘যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা’ হিসেবে দেখছেন ইরানের ওই দুই কর্মকর্তা। তাঁরা বৈঠকটিকে ‘ইতিবাচক’ এবং ‘ভালো খবর’ বলে উল্লেখ করেছেন।
স্পেসএক্স, টেসলা ও এক্সের মালিক ইলন মাস্ক এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। ট্রাম্পের মুখপাত্র স্টিভেন চুয়াং জানিয়েছেন, ‘ব্যক্তিগত বৈঠকের বিষয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে তা নিয়ে নবনির্বাচিত কোনো মন্তব্য করবেন না।’ ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, জাতিসংঘে ইরানের মিশনও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত এই ব্যবসায়ী ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের একজন। সম্প্রতি ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, সরকারি দক্ষতা বাড়াতে একটি নতুন বিভাগ গঠন করা হবে এবং এর নেতৃত্বে থাকবেন মাস্ক।
ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের আগ্রাসী অবস্থান
ট্রাম্প এরই মধ্যে ইরানের প্রতি কড়া অবস্থানের পক্ষে একাধিক কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’ নীতির আওতায় মার্কো রুবিওকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মাইক ওয়াল্টজকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প ২০১৫ সালের ইরান পরমাণু চুক্তি বাতিল করেন। সেই সঙ্গে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের নীতি গ্রহণ করেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার নির্দেশ দেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কর্মীদের ওপর হামলার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন সোলাইমানি। তবে ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসী কাজ’ বলে অভিহিত করে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সম্প্রতি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র শত্রুতা না দেখালে আলোচনা সম্ভব।’ তবে গাজা যুদ্ধ এবং ইসরায়েলের প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থন এই আলোচনাকে জটিল করে তুলতে পারে। ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে ইসরায়েলপন্থী নীতি গ্রহণ করেন। যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর এবং ইসরায়েল-আরব রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে গোপনে সাক্ষাৎ করেছেন। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে তাঁরা সাক্ষাৎ করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস ইরানের দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
একটি সূত্র জানিয়েছে, নিউইয়র্কে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানির সঙ্গে ইলন মাস্কের বৈঠকটি গত সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠককে ‘যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা’ হিসেবে দেখছেন ইরানের ওই দুই কর্মকর্তা। তাঁরা বৈঠকটিকে ‘ইতিবাচক’ এবং ‘ভালো খবর’ বলে উল্লেখ করেছেন।
স্পেসএক্স, টেসলা ও এক্সের মালিক ইলন মাস্ক এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। ট্রাম্পের মুখপাত্র স্টিভেন চুয়াং জানিয়েছেন, ‘ব্যক্তিগত বৈঠকের বিষয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে তা নিয়ে নবনির্বাচিত কোনো মন্তব্য করবেন না।’ ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, জাতিসংঘে ইরানের মিশনও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত এই ব্যবসায়ী ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের একজন। সম্প্রতি ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, সরকারি দক্ষতা বাড়াতে একটি নতুন বিভাগ গঠন করা হবে এবং এর নেতৃত্বে থাকবেন মাস্ক।
ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের আগ্রাসী অবস্থান
ট্রাম্প এরই মধ্যে ইরানের প্রতি কড়া অবস্থানের পক্ষে একাধিক কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’ নীতির আওতায় মার্কো রুবিওকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মাইক ওয়াল্টজকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প ২০১৫ সালের ইরান পরমাণু চুক্তি বাতিল করেন। সেই সঙ্গে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের নীতি গ্রহণ করেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার নির্দেশ দেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কর্মীদের ওপর হামলার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন সোলাইমানি। তবে ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসী কাজ’ বলে অভিহিত করে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সম্প্রতি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র শত্রুতা না দেখালে আলোচনা সম্ভব।’ তবে গাজা যুদ্ধ এবং ইসরায়েলের প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থন এই আলোচনাকে জটিল করে তুলতে পারে। ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে ইসরায়েলপন্থী নীতি গ্রহণ করেন। যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর এবং ইসরায়েল-আরব রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দলকে জানিয়েছেন, ইরানে যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে সেটি যেন খুব দ্রুত এবং চূড়ান্ত আঘাত হয়। তিনি সপ্তাহ বা মাসের পর মাস ধরে চলতে থাকা কোনো যুদ্ধ চান না। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ এক মার্কিন কর্মকর্তা, আলোচনার...
২৩ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ঘোষণা দিয়েছেন, গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চালানো যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রণীত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া...
২ ঘণ্টা আগে
সশস্ত্র কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো ইরাক থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে প্রবেশের চেষ্টা করেছে। রয়টার্সকে এমনটি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্র। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের ওপর কয়েক দিনের কঠোর দমনপীড়নের পর সৃষ্ট অস্থিরতার সুযোগ নেওয়ার জন্য দেশটিতে বিদেশি শক্তিগুলোর সম্ভাব্য অস্থিরতা...
২ ঘণ্টা আগে
আর্কটিক মহাদেশের উত্তরের বৃহৎ দ্বীপগুলোর মধ্যে গ্রিনল্যান্ড শুধু ভৌগোলিক দিক থেকে নয়, কৌশলগত এবং জিওপলিটিক মাত্রায়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর অবস্থান, আঞ্চলিক নিরাপত্তাকাঠামোতে বাফার ভূমিকা, উত্তরের সমুদ্রপথে প্রভাব এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক সম্পদ—সব মিলিয়ে এটি এখন আন্তর্জাতিক শক্তি...
৩ ঘণ্টা আগে