
রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে থাকা রাশিয়ার কয়েকজন ধনকুবেরের মালিকানাধীন প্রায় ১০০টি বিমানের উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রুশ ‘অলিগার্ক’ খ্যাত রোমান আব্রামোভিচের মালিকানাধীন একটি বিমানও রয়েছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই বিমানগুলো রাশিয়ার ওপর আরোপিত যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে বলেই তাঁদের উড্ডয়ন বন্ধ করা হয়েছে। রাশিয়াসহ বিশ্বের যে কোনো জায়গায় এই বিমানগুলোকে যেকোনো ধরনের পরিষেবা প্রদান করা হলে বড় অঙ্কের জরিমানা এমনকি জেলও হতে পারে।
একটি বিবৃতিতে দেশটির বাণিজ্য বিভাগ বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত বিমানগুলোর যেকোনো রিফুয়েলিং, রক্ষণাবেক্ষণ বা মেরামতের কাজ, খুচরা যন্ত্রাংশ ক্রয়-বিক্রয় মার্কিন রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ লঙ্ঘন করে। আমরা এই তালিকাটি বিশ্বকে জানিয়ে রাখার জন্য প্রকাশ করছি। আমরা রাশিয়া ও বেলারুশের কোনো বিমান পরিবহন সংস্থা ও অলিগার্কদের আমাদের আইন লঙ্ঘন করে দায়মুক্তির সঙ্গে ভ্রমণ করার অনুমতি দেব না।’
বাণিজ্যসচিব জিনা রাইমন্ডো বলেছেন, এই পদক্ষেপ ‘ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার নৃশংস যুদ্ধ’ এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান পরিবহন সংস্থা রাশিয়ান এয়ারলাইনস বা এরোফ্লোটসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিমান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব বিমানের অধিকাংশই বোয়িংয়ের তৈরি বিমান। তবে চেলসি ফুটবল ক্লাবের বর্তমান মালিক আব্রামোভিচের মালিকানাধীন বিমানটি একটি গাল্ফস্ট্রিম প্রাইভেট জেট।
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় চলতি মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাশিয়ার ‘অলিগার্ক’দের ওপর বিভিন্ন ধরনের অবরোধ আরোপ করে। তারই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাজ্য সরকার সাতজন রুশ অলিগার্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সেই সাতজনের তালিকায় আব্রামোভিচও ছিলেন। তবে ৫৫ বছর বয়েসি আব্রামোভিচ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক থাকার অভিযোগ সব সময়ই অস্বীকার করেছেন।

রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে থাকা রাশিয়ার কয়েকজন ধনকুবেরের মালিকানাধীন প্রায় ১০০টি বিমানের উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রুশ ‘অলিগার্ক’ খ্যাত রোমান আব্রামোভিচের মালিকানাধীন একটি বিমানও রয়েছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই বিমানগুলো রাশিয়ার ওপর আরোপিত যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে বলেই তাঁদের উড্ডয়ন বন্ধ করা হয়েছে। রাশিয়াসহ বিশ্বের যে কোনো জায়গায় এই বিমানগুলোকে যেকোনো ধরনের পরিষেবা প্রদান করা হলে বড় অঙ্কের জরিমানা এমনকি জেলও হতে পারে।
একটি বিবৃতিতে দেশটির বাণিজ্য বিভাগ বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত বিমানগুলোর যেকোনো রিফুয়েলিং, রক্ষণাবেক্ষণ বা মেরামতের কাজ, খুচরা যন্ত্রাংশ ক্রয়-বিক্রয় মার্কিন রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ লঙ্ঘন করে। আমরা এই তালিকাটি বিশ্বকে জানিয়ে রাখার জন্য প্রকাশ করছি। আমরা রাশিয়া ও বেলারুশের কোনো বিমান পরিবহন সংস্থা ও অলিগার্কদের আমাদের আইন লঙ্ঘন করে দায়মুক্তির সঙ্গে ভ্রমণ করার অনুমতি দেব না।’
বাণিজ্যসচিব জিনা রাইমন্ডো বলেছেন, এই পদক্ষেপ ‘ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার নৃশংস যুদ্ধ’ এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান পরিবহন সংস্থা রাশিয়ান এয়ারলাইনস বা এরোফ্লোটসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিমান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব বিমানের অধিকাংশই বোয়িংয়ের তৈরি বিমান। তবে চেলসি ফুটবল ক্লাবের বর্তমান মালিক আব্রামোভিচের মালিকানাধীন বিমানটি একটি গাল্ফস্ট্রিম প্রাইভেট জেট।
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় চলতি মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাশিয়ার ‘অলিগার্ক’দের ওপর বিভিন্ন ধরনের অবরোধ আরোপ করে। তারই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাজ্য সরকার সাতজন রুশ অলিগার্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সেই সাতজনের তালিকায় আব্রামোভিচও ছিলেন। তবে ৫৫ বছর বয়েসি আব্রামোভিচ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক থাকার অভিযোগ সব সময়ই অস্বীকার করেছেন।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে