
চীনের হুঁশিয়ারির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থির সঙ্গে বৈঠক করেছেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন। বুধবার (৫ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে সিমি উপত্যকার রোনাল্ড রিগ্যান প্রেসিডেনশিয়াল লাইব্রেরিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন বলেন, তাইওয়ানের গণতন্ত্র হুমকির মুখে। তাই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন চান। জবাবে ম্যাককার্থি বলেন, তাইওয়ানকে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র। তাইপের পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জন না করা পর্যন্ত পাশে থাকবে ওয়াশিংটন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ও তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের এই বৈঠকে ক্ষুব্ধ চীন। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ম্যাকার্থির সঙ্গে সাইয়ের বৈঠক যেমনই হোক না কেন, এই উদ্যোগ চীনের জনগণের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। এটি তাইওয়ানের বাসিন্দাদের ভুল বার্তা দিচ্ছে। এতে চীন-যুক্তরাষ্ট্র রাজনৈতিক সম্পর্ক প্রভাবিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।
এর আগে মঙ্গলবার তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর তাঁকে স্বাগত জানাতে জড়ো হন অনেকে। সেখানে চীনপন্থীরাও ভিড় করেন এবং ‘এক চীন’ বলে স্লোগান দেন। স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসাবে দাবি করে আসছে চীন। অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে তাইপের যেকোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকেও বাধা দিয়ে আসছে বেইজিং।
গত বছর চীনের হুমকি উপেক্ষা করে তাইওয়ানের রাজধানী তাইপে সফর করেন সাবেক মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। এর জেরে তাইওয়ান প্রণালির আশপাশে বড় ধরনের সামরিক মহড়া চালায় চীনা সামরিক বাহিনী। এবার ম্যাককার্থি-সাইয়ের বৈঠক নতুন করে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে ফাটল তৈরি করবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা।

চীনের হুঁশিয়ারির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থির সঙ্গে বৈঠক করেছেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন। বুধবার (৫ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে সিমি উপত্যকার রোনাল্ড রিগ্যান প্রেসিডেনশিয়াল লাইব্রেরিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন বলেন, তাইওয়ানের গণতন্ত্র হুমকির মুখে। তাই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন চান। জবাবে ম্যাককার্থি বলেন, তাইওয়ানকে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র। তাইপের পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জন না করা পর্যন্ত পাশে থাকবে ওয়াশিংটন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ও তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের এই বৈঠকে ক্ষুব্ধ চীন। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ম্যাকার্থির সঙ্গে সাইয়ের বৈঠক যেমনই হোক না কেন, এই উদ্যোগ চীনের জনগণের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। এটি তাইওয়ানের বাসিন্দাদের ভুল বার্তা দিচ্ছে। এতে চীন-যুক্তরাষ্ট্র রাজনৈতিক সম্পর্ক প্রভাবিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।
এর আগে মঙ্গলবার তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর তাঁকে স্বাগত জানাতে জড়ো হন অনেকে। সেখানে চীনপন্থীরাও ভিড় করেন এবং ‘এক চীন’ বলে স্লোগান দেন। স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসাবে দাবি করে আসছে চীন। অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে তাইপের যেকোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকেও বাধা দিয়ে আসছে বেইজিং।
গত বছর চীনের হুমকি উপেক্ষা করে তাইওয়ানের রাজধানী তাইপে সফর করেন সাবেক মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। এর জেরে তাইওয়ান প্রণালির আশপাশে বড় ধরনের সামরিক মহড়া চালায় চীনা সামরিক বাহিনী। এবার ম্যাককার্থি-সাইয়ের বৈঠক নতুন করে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে ফাটল তৈরি করবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৭ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১০ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১০ ঘণ্টা আগে