
আক্রমণাত্মক মন্তব্য না করার অনুরোধ উপেক্ষা করে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মঙ্গলবার তাঁর মামলার বিচারক ও আইনজীবীকে আক্রমণ করে কথা বলেছেন। অথচ তাঁর মাথার ওপর ঝুলছে অন্তত ৩৪টি অভিযোগ।
মার্কিন গণমাধ্যম এবিসি নিউজ জানিয়েছে, ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগকে ‘ব্যর্থ জেলা অ্যাটর্নি’ ও ‘অপরাধী’ আখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও করেন তিনি।
এর আগে ট্রাম্প তাঁর নিজ বাসভবনে সমর্থকদের ভরা মজলিশে বলেন, ‘ট্রাম্পবিদ্বেষী স্ত্রী ও পরিবারের পাশাপাশি আমার একজন ট্রাম্পবিদ্বেষী বিচারকও আছে।’
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্প যদি এ ধরনের বক্তব্য দিতেই থাকেন, শেষ পর্যন্ত তা বিচারক হুয়ান মার্শানকে হয়তো ট্রাম্পকে ‘গ্যাগ অর্ডার’ বা বিচারাধীন বিষয়ে কথা বলায় বিধিনিষেধ দেওয়ার মতো অবস্থার দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে নিরুপায় না হলে মার্শান এমন পদক্ষেপ নেবেন না বলে মনে করেন সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি কেভিন ও’ব্রায়েন।
নিউইয়র্কের সাবেক সরকারি কৌঁসুলি ও এখনকার প্রতিরক্ষা অ্যাটর্নি সারাহ ক্রিসফ বলেন, ‘আমি মনে করি বিচারকদের জন্য এটি একটি কঠিন পরিস্থিতি।’
তবে আশার কথা হচ্ছে, গত মঙ্গলবারের আদালতে কৌঁসুলিরা ‘গ্যাগ অর্ডার’ চাননি। মার্শান জানিয়েছেন, তাঁর কাছে এমন অনুরোধ এলেও তিনি তা মঞ্জুর করতে চান না।
হুয়ান মার্শান আরও বলেন, সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে এ ধরনের আদেশকে ‘গুরুতর ও কম সহনীয়’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি ট্রাম্পের ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য। কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে সম্ভাব্য প্রার্থী।
ট্রাম্পের অ্যাটর্নিরা বলেছিলেন, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে হুমকি ও সহিংসতামূলক পোস্ট দিয়েছিলেন, সেগুলো হতাশা থেকে দিয়েছিলেন। তবে অ্যাটর্নিদের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত হতে পারেননি বিচারক মার্শান। তিনি উভয় পক্ষকে এ ধরনের সহিংস ভাষা (যা নাগরিকদের সহিংস হতে প্ররোচিত করে) ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছেন।
মার্শান বলেন, ‘আমি এখন অনুরোধ করছি, আদেশ করছি না। তবে ভবিষ্যতে যদি এ ধরনের ভাষার ব্যবহার হতেই থাকে, তবে আমাকে অবশ্যই কঠোর হতে হবে।’
ও’ব্রায়েন বলেন, ‘ট্রাম্প তাঁর বিরুদ্ধে গ্যাগ অর্ডার বা কথা বলায় বিধিনিষেধ আরোপ করতে প্রলুব্ধ করছেন কি না, সেটি একটি প্রশ্ন।’
পুলিশের সূত্রগুলো এবিসি নিউজকে বলেছে, মার্শান সম্প্রতি বেশ কয়েকটি হুমকি পেয়েছেন। অ্যালভিন ব্র্যাগকেও হত্যার হুমকি দিয়ে তাঁর কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ট্রাম্প এখনো শীর্ষস্থানে রয়েছেন। যদিও তিনি ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং এখনো একজন আসামি।
ম্যানহাটনের সাবেক সহকারী জেলা অ্যাটর্নি ড্যানিয়েল হরউইজ বলেছে, ‘ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন, এটি বাড়তি জটিলতা তৈরি করতে পারে। তবে দিন শেষে তিনিও আর সবার মতো একজন বিবাদী। সুতরাং তাঁকে আইনের শাসন মানতে হবে।’

আক্রমণাত্মক মন্তব্য না করার অনুরোধ উপেক্ষা করে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মঙ্গলবার তাঁর মামলার বিচারক ও আইনজীবীকে আক্রমণ করে কথা বলেছেন। অথচ তাঁর মাথার ওপর ঝুলছে অন্তত ৩৪টি অভিযোগ।
মার্কিন গণমাধ্যম এবিসি নিউজ জানিয়েছে, ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগকে ‘ব্যর্থ জেলা অ্যাটর্নি’ ও ‘অপরাধী’ আখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও করেন তিনি।
এর আগে ট্রাম্প তাঁর নিজ বাসভবনে সমর্থকদের ভরা মজলিশে বলেন, ‘ট্রাম্পবিদ্বেষী স্ত্রী ও পরিবারের পাশাপাশি আমার একজন ট্রাম্পবিদ্বেষী বিচারকও আছে।’
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্প যদি এ ধরনের বক্তব্য দিতেই থাকেন, শেষ পর্যন্ত তা বিচারক হুয়ান মার্শানকে হয়তো ট্রাম্পকে ‘গ্যাগ অর্ডার’ বা বিচারাধীন বিষয়ে কথা বলায় বিধিনিষেধ দেওয়ার মতো অবস্থার দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে নিরুপায় না হলে মার্শান এমন পদক্ষেপ নেবেন না বলে মনে করেন সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি কেভিন ও’ব্রায়েন।
নিউইয়র্কের সাবেক সরকারি কৌঁসুলি ও এখনকার প্রতিরক্ষা অ্যাটর্নি সারাহ ক্রিসফ বলেন, ‘আমি মনে করি বিচারকদের জন্য এটি একটি কঠিন পরিস্থিতি।’
তবে আশার কথা হচ্ছে, গত মঙ্গলবারের আদালতে কৌঁসুলিরা ‘গ্যাগ অর্ডার’ চাননি। মার্শান জানিয়েছেন, তাঁর কাছে এমন অনুরোধ এলেও তিনি তা মঞ্জুর করতে চান না।
হুয়ান মার্শান আরও বলেন, সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে এ ধরনের আদেশকে ‘গুরুতর ও কম সহনীয়’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি ট্রাম্পের ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য। কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে সম্ভাব্য প্রার্থী।
ট্রাম্পের অ্যাটর্নিরা বলেছিলেন, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে হুমকি ও সহিংসতামূলক পোস্ট দিয়েছিলেন, সেগুলো হতাশা থেকে দিয়েছিলেন। তবে অ্যাটর্নিদের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত হতে পারেননি বিচারক মার্শান। তিনি উভয় পক্ষকে এ ধরনের সহিংস ভাষা (যা নাগরিকদের সহিংস হতে প্ররোচিত করে) ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছেন।
মার্শান বলেন, ‘আমি এখন অনুরোধ করছি, আদেশ করছি না। তবে ভবিষ্যতে যদি এ ধরনের ভাষার ব্যবহার হতেই থাকে, তবে আমাকে অবশ্যই কঠোর হতে হবে।’
ও’ব্রায়েন বলেন, ‘ট্রাম্প তাঁর বিরুদ্ধে গ্যাগ অর্ডার বা কথা বলায় বিধিনিষেধ আরোপ করতে প্রলুব্ধ করছেন কি না, সেটি একটি প্রশ্ন।’
পুলিশের সূত্রগুলো এবিসি নিউজকে বলেছে, মার্শান সম্প্রতি বেশ কয়েকটি হুমকি পেয়েছেন। অ্যালভিন ব্র্যাগকেও হত্যার হুমকি দিয়ে তাঁর কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ট্রাম্প এখনো শীর্ষস্থানে রয়েছেন। যদিও তিনি ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং এখনো একজন আসামি।
ম্যানহাটনের সাবেক সহকারী জেলা অ্যাটর্নি ড্যানিয়েল হরউইজ বলেছে, ‘ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন, এটি বাড়তি জটিলতা তৈরি করতে পারে। তবে দিন শেষে তিনিও আর সবার মতো একজন বিবাদী। সুতরাং তাঁকে আইনের শাসন মানতে হবে।’

ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৯ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৩৮ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে