
কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই মঙ্গলবার ইউক্রেনে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেনের প্রতি মার্কিন সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করতে গিয়ে কিয়েভের একটি বারে গিটার বাজিয়ে গানও গেয়েছেন তিনি। তবে ইউক্রেনসহ বৈশ্বিক টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে ব্লিঙ্কেনের গান পরিবেশনকে সমালোচনা বিদ্ধ করেছেন তাঁর দেশেরই কিছু রক্ষণশীল ব্যক্তি ও গোষ্ঠী।
বুধবার ফক্স নিউজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্লিঙ্কেনের গান পরিবেশনের একটি ভিডিও মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হয়ে গেছে। ভিডিওতে দেখা যায়—মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের একটি বারে ‘নাইনটিন পয়েন্ট নাইন্টি-নাইন’ নামে স্থানীয় একটি ব্যান্ডের সঙ্গে নেইল ইয়ংয়ের ‘রকিং ইন দ্য ফ্রি ওয়ার্ল্ড’ গানটি পরিবেশন করছেন।
এর আগে মঞ্চের মধ্যে একটি লাল রঙের গিবসন গিটার কাঁধে নিয়ে উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশে ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘আমি জানি এটা সত্যি সত্যিই এক কঠিন সময়। আপনাদের সৈনিকেরা, নাগরিকেরা বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভে মারাত্মক ভোগান্তির মধ্যে আছে। তবে তাঁদের জানা প্রয়োজন, আপনারও জানা প্রয়োজন যে—যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের সঙ্গে আছে। এর মানে হলো পৃথিবীর বেশির ভাগ অংশই আপনাদের সঙ্গে আছে।’
ইউক্রেনের সৈন্যদের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘সৈনিকেরা শুধু ইউক্রেনকে মুক্ত করার জন্যই লড়ছে না, বরং তাঁরা মুক্ত পৃথিবীর জন্য লড়াই করছে। আর মুক্ত পৃথিবীও আপনাদের পাশে আছে।’
ব্লিঙ্কেনের মুখ থেকে আশাবাদের কথা এবং গান শুনে উপস্থিত দর্শকেরা উল্লাসে মেতে ওঠেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রক্ষণশীল গোষ্ঠী গাজা-ইসরায়েল সংঘাত এবং রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ব্লিঙ্কেনের এমন গান গেয়ে বেড়ানোকে কাণ্ডজ্ঞানহীন বলে মন্তব্য করেছেন।
গান পরিবেশনের ভিডিওটি শেয়ার করে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ফ্রিডম ককাস নেটওয়ার্কের ক্রেইগ প্রাইস অ্যাক্স মাধ্যমে লিখেছেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ইউক্রেনে গিয়ে কিয়েভের একটি বারে গিটার বাজালেন এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমেরিকান ট্যাক্স ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এলেন।’
মার্কিন সাংবাদিক নিক সর্টোর লিখছেন, ‘ইউক্রেনকে আরও ৮০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন সেখানকার একটি বারে পার্টি করছেন। এখানে দেখার কিছুই নেই।’
ট্রাম্পপন্থী ইনফ্লুয়েন্সার ব্রিক সুইট লিখেছেন, ‘পৃথিবী যখন পুড়ে যাচ্ছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন তখন ইউক্রেনে গিয়ে গিটার বাজাচ্ছেন। আমরা তাদের ৮০ বিলিয়ন ডলার দিয়েছি আর তিনি বারে গান গেয়ে বিষয়টি উদ্যাপন করলেন।’
টিভি উপস্থাপক মেগান ম্যাককেইন লিখেছেন, ‘আমি আগেও শত শত বার বলেছি যে, থিয়েটারে ব্যর্থ কিছু শিশু, অভিনেতা, সংগীত শিল্পী রাজনীতিতে নেমেছে।’

কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই মঙ্গলবার ইউক্রেনে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেনের প্রতি মার্কিন সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করতে গিয়ে কিয়েভের একটি বারে গিটার বাজিয়ে গানও গেয়েছেন তিনি। তবে ইউক্রেনসহ বৈশ্বিক টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে ব্লিঙ্কেনের গান পরিবেশনকে সমালোচনা বিদ্ধ করেছেন তাঁর দেশেরই কিছু রক্ষণশীল ব্যক্তি ও গোষ্ঠী।
বুধবার ফক্স নিউজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্লিঙ্কেনের গান পরিবেশনের একটি ভিডিও মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হয়ে গেছে। ভিডিওতে দেখা যায়—মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের একটি বারে ‘নাইনটিন পয়েন্ট নাইন্টি-নাইন’ নামে স্থানীয় একটি ব্যান্ডের সঙ্গে নেইল ইয়ংয়ের ‘রকিং ইন দ্য ফ্রি ওয়ার্ল্ড’ গানটি পরিবেশন করছেন।
এর আগে মঞ্চের মধ্যে একটি লাল রঙের গিবসন গিটার কাঁধে নিয়ে উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশে ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘আমি জানি এটা সত্যি সত্যিই এক কঠিন সময়। আপনাদের সৈনিকেরা, নাগরিকেরা বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভে মারাত্মক ভোগান্তির মধ্যে আছে। তবে তাঁদের জানা প্রয়োজন, আপনারও জানা প্রয়োজন যে—যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের সঙ্গে আছে। এর মানে হলো পৃথিবীর বেশির ভাগ অংশই আপনাদের সঙ্গে আছে।’
ইউক্রেনের সৈন্যদের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘সৈনিকেরা শুধু ইউক্রেনকে মুক্ত করার জন্যই লড়ছে না, বরং তাঁরা মুক্ত পৃথিবীর জন্য লড়াই করছে। আর মুক্ত পৃথিবীও আপনাদের পাশে আছে।’
ব্লিঙ্কেনের মুখ থেকে আশাবাদের কথা এবং গান শুনে উপস্থিত দর্শকেরা উল্লাসে মেতে ওঠেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রক্ষণশীল গোষ্ঠী গাজা-ইসরায়েল সংঘাত এবং রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ব্লিঙ্কেনের এমন গান গেয়ে বেড়ানোকে কাণ্ডজ্ঞানহীন বলে মন্তব্য করেছেন।
গান পরিবেশনের ভিডিওটি শেয়ার করে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ফ্রিডম ককাস নেটওয়ার্কের ক্রেইগ প্রাইস অ্যাক্স মাধ্যমে লিখেছেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ইউক্রেনে গিয়ে কিয়েভের একটি বারে গিটার বাজালেন এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমেরিকান ট্যাক্স ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এলেন।’
মার্কিন সাংবাদিক নিক সর্টোর লিখছেন, ‘ইউক্রেনকে আরও ৮০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন সেখানকার একটি বারে পার্টি করছেন। এখানে দেখার কিছুই নেই।’
ট্রাম্পপন্থী ইনফ্লুয়েন্সার ব্রিক সুইট লিখেছেন, ‘পৃথিবী যখন পুড়ে যাচ্ছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন তখন ইউক্রেনে গিয়ে গিটার বাজাচ্ছেন। আমরা তাদের ৮০ বিলিয়ন ডলার দিয়েছি আর তিনি বারে গান গেয়ে বিষয়টি উদ্যাপন করলেন।’
টিভি উপস্থাপক মেগান ম্যাককেইন লিখেছেন, ‘আমি আগেও শত শত বার বলেছি যে, থিয়েটারে ব্যর্থ কিছু শিশু, অভিনেতা, সংগীত শিল্পী রাজনীতিতে নেমেছে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতে বিক্ষোভকারীরা সহিংস কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। বিক্ষোভকারীদের ‘দাঙ্গাবাজ’ অভিহিত করে তিনি বলেন, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতেই এসব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত।
৩৭ মিনিট আগে
ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
১১ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে