ফুটবলের বরপুত্র দিয়েগো ম্যারাডোনার দেহাবশেষ সরিয়ে নিতে আর্জেন্টিনার আদালতে আবেদন করেছেন তাঁর সন্তানেরা। তাঁরা এমন একটি স্থানে ম্যারাডোনার দেহাবশেষ রাখতে চাইছেন, যেখানে ভক্তরা তাঁকে সহজেই শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন।
এ বিষয়ে আজ শুক্রবার ডেইলি সাবার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসের একটি ব্যক্তিগত কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন ম্যারাডোনা। ভক্তদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ওই স্থানটি কিছুটা দুর্গম।
স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বর্তমানে বুয়েনস এইরেসের কাছাকাছি পুয়ের্তো মাদেরোতে ম্যারাডোনার দেহ রাখার জন্য একটি সমাধি তৈরির কাজ চলছে। বিশেষ ওই সমাধির নাম রাখা হয়েছে মেমোরিয়াল দেল দিয়েজ। বর্তমান কবরস্থানের থেকে ওই স্থানটি অনেক বেশি নিরাপদ এবং সহজে সেখানে যাওয়া যায় বলে উল্লেখ করা হয়েছে আবেদনে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, নতুন সমাধিস্থলে আর্জেন্টিনাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ফুটবলপ্রেমীরা ম্যারাডোনাকে শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। ২০২০ সালে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় কিংবদন্তি ফুটবলারের। পরে সান মিগুয়েল শহরে জর্ডন দে বেল্লা ভিস্তা নামে একটি বেসরকারি কবরস্থানে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়।
ম্যারাডোনার দেহ কবর থেকে তুলে নতুন সমাধিস্থলে রাখতে হলে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক। কারণ, তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর চিকিৎসা ও সেবার দায়িত্ব পালন করা আটজনের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল মামলার তদন্ত চলছে।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৬ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৮ ঘণ্টা আগে