ব্রাজিলে অতি বর্ষণ ও ঝড়ে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশেষ করে রিও ডি জেনিরোর উত্তরাঞ্চলে তীব্র ঝড় আঘাত হেনেছে। ওই অঞ্চলে ভূমিধস, পানিতে ডুবে ও বিদ্যুতায়িত হয়ে মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস বিভাগ।
গতকাল রোববারের ঝড়ে গাড়িসহ নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া এক নারীকে এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুসারে, শহরের প্রধান এক সড়ক আভেনিদা দে ব্রাসিলের কিছু কিছু অংশে পানি গাড়ির ছাদ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। শহরের মেয়র এদুয়ার্দো পায়েস এটিকে জরুরি পরিস্থিতি বলে ঘোষণা করেছেন এবং নিরাপত্তার জন্য সবাইকে বাড়িতে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়েছেন। এ ছাড়া উদ্ধার তৎপরতায় ব্যাঘাত ঘটাতে নিষেধ করেছেন তিনি।
রাস্তায় ও রেললাইনে পানি জমায় যাতায়াত ব্যবস্থাও স্থবির হয়ে পড়েছে। বেশ কয়েকটি বাস সেবা ও মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে।
শহরের কিছু অংশে ২৪ ঘণ্টায় জানুয়ারির স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের এক মাসের সমপরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। দমকলবাহিনীর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, তারা একদিনে ২০০ টির মতো ঝড় সম্পর্কিত ঘটনায় সাড়া দিয়েছে।
রিও ডি জেনিরোর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল আকারিতেও ঝড়ে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রোনাল্ডো গাজোলা মিউনিসিপাল হাসপাতালের বেসমেন্ট অফিসগুলোতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসা–বাণিজ্যও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বৃষ্টিতে দোকানে জমে যাওয়া সেচতে থাকা আলেহান্দ্রে গোমেজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি কাজে এসে দেখি সব ভেসে গেছে। প্রতি বছর এখানে ঝড় বৃষ্টি হলে একই ঘটনা ঘটে। এলাকা নদী হয়ে যায়।’
ব্রাজিলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি জাতীয় সংস্থা বলেছে, রিও ডি জেনিরো ঘিরে আটটি শহরে ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৬ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৮ ঘণ্টা আগে