
রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া অস্ত্র চুক্তি করতে পারে বলে ধারণা করছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। এ চুক্তি বাস্তবায়ন হলে ইউক্রেন আক্রমণের জন্য রাশিয়া এসব অস্ত্র ব্যবহার করবে।
মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাইডেন প্রশাসন গতকাল বুধবার এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, দুটি ‘একঘরে’ রাষ্ট্রের মধ্যে অস্ত্র চুক্তির আলোচনা চলছে। গত মাসে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু উত্তর কোরিয়া সফর করেছেন। এরপর রাশিয়ার কর্মকর্তাদের আরেকটি প্রতিনিধিদল সম্ভাব্য চুক্তির জন্য পিয়ংইয়ং সফর করেছেন।
জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, ‘দ্বিতীয় প্রতিনিধিদল ছাড়াও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন “দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে” চিঠি বিনিময় করেছেন।’
কিরবি আরও বলেন, ‘আমরা উদ্বিগ্ন যে উত্তর কোরিয়া ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীকে সহায়তার বিষয় বিবেচনা করছে। এ ছাড়া আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়াকে এরই মধ্যে অস্ত্র চুক্তির আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সামনে মাসে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হতে পারে।’
এই সম্ভাব্য চুক্তির অধীনে রাশিয়া উত্তর কোরিয়া থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধাস্ত্র পেতে পারে। চুক্তির মধ্যে সামরিক কাঁচামালও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যা রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পকে সহায়তা করবে। কিরবি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য চুক্তিতে জড়িত যেকোনো সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনবে এবং পিয়ংইয়ংকে এ আলোচনা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।
জাতিসংঘে মার্কিন দূত লিন্ডা থমাস গ্রিনফিল্ড গতকাল নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে অস্ত্র চুক্তির আলোচনার বিষয়টি উত্থাপন করেছেন।

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া অস্ত্র চুক্তি করতে পারে বলে ধারণা করছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। এ চুক্তি বাস্তবায়ন হলে ইউক্রেন আক্রমণের জন্য রাশিয়া এসব অস্ত্র ব্যবহার করবে।
মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাইডেন প্রশাসন গতকাল বুধবার এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, দুটি ‘একঘরে’ রাষ্ট্রের মধ্যে অস্ত্র চুক্তির আলোচনা চলছে। গত মাসে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু উত্তর কোরিয়া সফর করেছেন। এরপর রাশিয়ার কর্মকর্তাদের আরেকটি প্রতিনিধিদল সম্ভাব্য চুক্তির জন্য পিয়ংইয়ং সফর করেছেন।
জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, ‘দ্বিতীয় প্রতিনিধিদল ছাড়াও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন “দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে” চিঠি বিনিময় করেছেন।’
কিরবি আরও বলেন, ‘আমরা উদ্বিগ্ন যে উত্তর কোরিয়া ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীকে সহায়তার বিষয় বিবেচনা করছে। এ ছাড়া আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়াকে এরই মধ্যে অস্ত্র চুক্তির আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সামনে মাসে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হতে পারে।’
এই সম্ভাব্য চুক্তির অধীনে রাশিয়া উত্তর কোরিয়া থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধাস্ত্র পেতে পারে। চুক্তির মধ্যে সামরিক কাঁচামালও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যা রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পকে সহায়তা করবে। কিরবি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য চুক্তিতে জড়িত যেকোনো সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনবে এবং পিয়ংইয়ংকে এ আলোচনা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।
জাতিসংঘে মার্কিন দূত লিন্ডা থমাস গ্রিনফিল্ড গতকাল নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে অস্ত্র চুক্তির আলোচনার বিষয়টি উত্থাপন করেছেন।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১৭ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে