
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন-সম্পর্কিত ফাইল প্রকাশের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য নিজ দলের আইনপ্রণেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার রাতে ট্রুথ সোশ্যালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, হাউস রিপাবলিকানদের এই বিলের পক্ষে ভোট দেওয়া উচিত, ‘কারণ, আমাদের লুকানোর কিছু নেই।’
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি তাঁর আগের অবস্থানের স্পষ্ট পরিবর্তন। কারণ, কিছুদিন আগে মামলাটির কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের দাবি, এই মামলার বিষয়ে আর কোনো তথ্য প্রকাশ করার নেই। কিন্তু এর ঠিক চার মাস পর এই নতুন তথ্য সামনে এল।
সাম্প্রতিক সময়ে ডেমোক্র্যাট সদস্যরা এপস্টেইন-সম্পর্কিত বিভিন্ন নথি প্রকাশ করছেন, যার কিছুতে ট্রাম্পের নামও উল্লেখ আছে। তবে ট্রাম্প বরাবরই এপস্টেইনের যৌন নিপীড়ন ও নারী পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছেন।
ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘বিচার বিভাগ ইতিমধ্যে এপস্টেইন ফাইল-সম্পর্কিত কয়েক হাজার পৃষ্ঠা নথি প্রকাশ করেছেন। তারা বিভিন্ন ডেমোক্র্যাট নেতার (বিল ক্লিনটন, রেইড হফম্যান, ল্যারি সামার্স) সঙ্গে এপস্টেইনের সম্পর্ক খতিয়ে দেখছেন। প্রতিনিধি পরিষদের ওভারসাইট কমিটি আইনের আওতায় যা পাওয়ার অধিকার রাখে, সবই তারা পেতে পারে—আমি পরোয়া করি না!’
তিনি আরও বলেন, রিপাবলিকানদের উচিত ‘আবার মূল কাজে ফিরে আসা’।
জানা গেছে, সম্ভাব্য কয়েক ডজন রিপাবলিকান সদস্য এপস্টেইন ফাইল প্রকাশের পক্ষে ভোট দিতে প্রস্তুত। এই বিলটি সরকারকে এপস্টেইন ও তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া অপরাধ তদন্ত-সম্পর্কিত সব নথি প্রকাশে বাধ্য করবে।
প্রস্তাবটি চলতি সপ্তাহেই প্রতিনিধি পরিষদে পাস হওয়ার মতো সমর্থন পেয়েছে। তবে বিলটি সিনেটে পাস হবে কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
হাউস স্পিকার রিপাবলিকান মাইক জনসন ফক্স নিউজকে জানান, নথি প্রকাশ হলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এপস্টেইন-সম্পর্কিত অভিযোগগুলো চিরতরে মিটে যাবে।
ট্রাম্প অতীতে বলেছেন, আরও নথি প্রকাশের প্রয়োজন নেই। তিনি এপস্টেইনের সঙ্গে সামাজিক অনুষ্ঠানে ছবি তুললেও দাবি করেছেন, ২০০৮ সালের মামলার আগেই তিনি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন এবং তাঁর অপরাধ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না।
উল্লেখ্য, জেফরি এপস্টেইনকে ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। চিকিৎসকের রিপোর্টে এটি আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। তিনি যৌন অপরাধ ও নারী পাচারের অভিযোগে আটক ছিলেন। এর আগে ২০০৮ সালে এক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।

একসময় বিশ্বজুড়ে একটা শৃঙ্খলা ছিল। বিশেষত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে যে আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা ও জোটভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, তা এখন ভাঙনের মুখে। আর এর জন্য দায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি মিউনিখ নিরাপত্তা প্রতিবেদন ২০২৬-এ এমন তথ্য উঠে এসেছে।
২১ মিনিট আগে
ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের কৌশল হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরি মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে ক্যারিবীয় সাগরে মোতায়েন থাকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও সর্বাধুনিক রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পেন্টাগন।
৩০ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপি, দলের নেতা তারেক রহমান ও বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
৩৬ মিনিট আগে
সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের ইজারা দেওয়া নিয়ে বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে আলোচিত দুবাইভিত্তিক বন্দর ও লজিস্টিকস কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ড। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী বন্দর পরিচালনাকারী এই প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী সুলতান আহমেদ বিন সুলাইয়েম পদত্যাগ
১ ঘণ্টা আগে