
ইহুদিবিদ্বেষ ও একাডেমিক প্লেজারিজমের অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ক্লডিন গে। তিনি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির সবচেয়ে কম সময় দায়িত্ব পালনকারী প্রেসিডেন্ট। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষের কাছে লেখা পদত্যাগপত্রে ক্লডিন গে লিখেছেন, তিনি পদত্যাগ করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ফ্যাকাল্টি হিসেবে তিনি তাঁর দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন। তিনি তাঁর পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, ‘যেহেতু আমি এখন ফ্যাকাল্টিতে ফিরে যাচ্ছি, তাই আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, আমরা সবার জন্য কাঙ্ক্ষিত সম্প্রদায় গড়ে তুলতে সবার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব।’
মাত্র ছয় মাস আগেই হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তিনি এই ইউনিভার্সিটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ও দ্বিতীয় নারী প্রেসিডেন্ট। তাঁর পরিবার হাইতি থেকে অভিবাসী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে এসে থিতু হয়েছিল।
গত ৫ ডিসেম্বর ক্লডিন গে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ও ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ার প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে মিলে মার্কিন কংগ্রেসের সামনে জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দির বিষয় ছিল ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামাস-ইসরায়েল সংঘাতের পর তাঁরা নিজ নিজ ক্যাম্পাসে ইহুদিবিদ্বেষ কীভাবে মোকাবিলা করেছেন।
পরে ক্লডিন গের পদত্যাগ দাবি করে যৌথ বিবৃতি দেন ৭০ মার্কিন আইনপ্রণেতা। যদিও ক্লডিন গে তাঁর জবানবন্দির জন্য ক্ষমা চান কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তাঁর। একই অভিযোগ অর্থাৎ ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগ মাথায় নিয়ে এর আগে পদত্যাগ করেন পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট লিজ ম্যাগিল।
শুনানিতে প্রত্যেকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, যে শিক্ষার্থীরা তাঁদের ক্যাম্পাসে ‘ইহুদিদের গণহত্যার’ ডাক দিয়েছিলেন, তাঁরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন কি না। এই তিনজন শুনানিতে বেশ দীর্ঘ, আইনানুগ এবং আপাতদৃষ্টিতে এড়িয়ে যাওয়ার মতো উত্তর দিয়েছিলেন বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে।
শুনানিতে রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান এলিস স্টেফানিক তিন প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, ইহুদিদের গণহত্যার ডাক দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম বা আচরণবিধি লঙ্ঘন কি না। স্টেফানিকের কার্যালয় অনুসারে, এই প্রশ্নের কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব দেননি ম্যাগিল। তারপর আবার উত্তরের জন্য স্টেফানিক চাপ দিলেও ম্যাগিলের কাছ থেকে জবাব হিসেবে কোনো হ্যাঁ কিংবা না শুনতে পাননি তিনি। এরপর স্টেফানিক বলেন, ‘সুতরাং উত্তরটি হ্যাঁ।’ এর জবাবে ম্যাগিল বলেন, এর উত্তর প্রেক্ষাপটের ওপর নির্ভর করে।
অন্য প্রেসিডেন্টদের কাছ থেকেও অনুরূপ উত্তর শুনে ক্ষেপে যান স্টেফানিক। তিনি রাগে ফেটে পড়ে বলেন, ‘এর উত্তর প্রেক্ষাপটের ওপর নির্ভর করে না। উত্তরটি হ্যাঁ এবং এ কারণেই আপনাদের পদত্যাগ করা উচিত।’ হার্ভার্ডের প্রেসিডেন্ট ক্লডিন গে তাঁর ক্যাম্পাসে ইহুদিবিরোধী সহিংসতার হুমকির আরও জোরালো নিন্দা করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য পরে ক্ষমা চেয়েছিলেন।

ইহুদিবিদ্বেষ ও একাডেমিক প্লেজারিজমের অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ক্লডিন গে। তিনি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির সবচেয়ে কম সময় দায়িত্ব পালনকারী প্রেসিডেন্ট। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষের কাছে লেখা পদত্যাগপত্রে ক্লডিন গে লিখেছেন, তিনি পদত্যাগ করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ফ্যাকাল্টি হিসেবে তিনি তাঁর দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন। তিনি তাঁর পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, ‘যেহেতু আমি এখন ফ্যাকাল্টিতে ফিরে যাচ্ছি, তাই আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, আমরা সবার জন্য কাঙ্ক্ষিত সম্প্রদায় গড়ে তুলতে সবার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব।’
মাত্র ছয় মাস আগেই হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তিনি এই ইউনিভার্সিটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ও দ্বিতীয় নারী প্রেসিডেন্ট। তাঁর পরিবার হাইতি থেকে অভিবাসী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে এসে থিতু হয়েছিল।
গত ৫ ডিসেম্বর ক্লডিন গে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ও ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ার প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে মিলে মার্কিন কংগ্রেসের সামনে জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দির বিষয় ছিল ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামাস-ইসরায়েল সংঘাতের পর তাঁরা নিজ নিজ ক্যাম্পাসে ইহুদিবিদ্বেষ কীভাবে মোকাবিলা করেছেন।
পরে ক্লডিন গের পদত্যাগ দাবি করে যৌথ বিবৃতি দেন ৭০ মার্কিন আইনপ্রণেতা। যদিও ক্লডিন গে তাঁর জবানবন্দির জন্য ক্ষমা চান কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তাঁর। একই অভিযোগ অর্থাৎ ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগ মাথায় নিয়ে এর আগে পদত্যাগ করেন পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট লিজ ম্যাগিল।
শুনানিতে প্রত্যেকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, যে শিক্ষার্থীরা তাঁদের ক্যাম্পাসে ‘ইহুদিদের গণহত্যার’ ডাক দিয়েছিলেন, তাঁরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন কি না। এই তিনজন শুনানিতে বেশ দীর্ঘ, আইনানুগ এবং আপাতদৃষ্টিতে এড়িয়ে যাওয়ার মতো উত্তর দিয়েছিলেন বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে।
শুনানিতে রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান এলিস স্টেফানিক তিন প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, ইহুদিদের গণহত্যার ডাক দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম বা আচরণবিধি লঙ্ঘন কি না। স্টেফানিকের কার্যালয় অনুসারে, এই প্রশ্নের কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব দেননি ম্যাগিল। তারপর আবার উত্তরের জন্য স্টেফানিক চাপ দিলেও ম্যাগিলের কাছ থেকে জবাব হিসেবে কোনো হ্যাঁ কিংবা না শুনতে পাননি তিনি। এরপর স্টেফানিক বলেন, ‘সুতরাং উত্তরটি হ্যাঁ।’ এর জবাবে ম্যাগিল বলেন, এর উত্তর প্রেক্ষাপটের ওপর নির্ভর করে।
অন্য প্রেসিডেন্টদের কাছ থেকেও অনুরূপ উত্তর শুনে ক্ষেপে যান স্টেফানিক। তিনি রাগে ফেটে পড়ে বলেন, ‘এর উত্তর প্রেক্ষাপটের ওপর নির্ভর করে না। উত্তরটি হ্যাঁ এবং এ কারণেই আপনাদের পদত্যাগ করা উচিত।’ হার্ভার্ডের প্রেসিডেন্ট ক্লডিন গে তাঁর ক্যাম্পাসে ইহুদিবিরোধী সহিংসতার হুমকির আরও জোরালো নিন্দা করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য পরে ক্ষমা চেয়েছিলেন।

ইরানে আন্দোলনকারীদের ওপর দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। এর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে কাতারে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন বিমানঘাঁটি ‘আল-উদেইদ’ থেকে কিছু...
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান কঠোর দমন–পীড়নের মধ্যে দেশটি ছেড়ে তুরস্কে প্রবেশ করছেন বহু ইরানি নাগরিক। বুধবার ইরান–তুরস্ক সীমান্তের কাপিকয় সীমান্ত ফটক দিয়ে ডজনখানেক ইরানি পরিবার ও ব্যক্তি তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় ভান প্রদেশে প্রবেশ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন দূতাবাসের এক পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতার ঢেউ তুলেছেন মালয়েশীয়রা। অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, ‘আমাদের দেশে কোনো তেল নেই, ট্রাম্প প্রশাসন যেন মালয়েশিয়ায় কুনজর না দেয়।’
২ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার অপসারিত ও অভিশংসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ বা বিদ্রোহের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন দেশটির বিশেষ কৌঁসুলিরা। সিউলের একটি আদালতে তাঁরা এই শাস্তির আবেদন জানান। ২০২৪ সালের শেষ দিকে ব্যর্থ সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল চেষ্টার অভিযোগে
২ ঘণ্টা আগে