
আরব বংশোদ্ভূত মার্কিন ভোটারদের মধ্যে কমলা হ্যারিসের তুলনায় এগিয়ে আছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কমলা হ্যারিস ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী। সাম্প্রতিক এক জরিপ থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ ও ব্রিটিশ জরিপ সংস্থা ইউগভ পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, আরব-আমেরিকান ভোটারদের মধ্যে ৪৫ শতাংশ ভোটার ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছেন। কমলা হ্যারিসকে সমর্থন দিয়েছেন ৪৩ শতাংশ। এই ফলাফল থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, গাজা ইস্যু ডেমোক্রেটিক পার্টির ওপর বেশ নেতিবাচক প্রভাবই ফেলেছে।
এই জরিপে প্রশ্ন রাখা হয়, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্বে কে বেশি সফল হবেন। এই প্রশ্নের জবাবে, ৩৯ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ট্রাম্প বেশি সফল হবেন। বিপরীতে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলার পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন মাত্র ৩৩ শতাংশ উত্তরদাতা। তবে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে কে বেশি ভালো করবেন—এই প্রশ্নে কমলা হ্যারিস ও ডোনাল্ড ট্রাম্প সমান সমান—৩৮ শতাংশ—ভোটারের সমর্থন পেয়েছেন।
এই জরিপে অংশগ্রহণকারীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, আরব-আমেরিকান সম্প্রদায়ের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় কোনটি? জবাবে ২৯ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যু, ২১ শতাংশ আরব-আমেরিকান বলেছেন মার্কিন অর্থনীতি এবং ১৩ শতাংশ বর্ণবাদ ও বৈষম্যকে বড় উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এই জরিপ চালানো হয়েছে ৫০০ জন আরব-আমেরিকানের মধ্যে। এই জরিপের সম্ভাব্য ত্রুটির পরিমাণ ± ৫ শতাংশ। এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয়, এই জরিপে ট্রাম্প এগিয়ে থাকলেও সামগ্রিক বিচারে, ইসরায়েলকে সমর্থনের ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প কমলা হ্যারিসের চেয়ে ৬ পয়েন্ট এগিয়ে আছেন।

আরব বংশোদ্ভূত মার্কিন ভোটারদের মধ্যে কমলা হ্যারিসের তুলনায় এগিয়ে আছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কমলা হ্যারিস ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী। সাম্প্রতিক এক জরিপ থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ ও ব্রিটিশ জরিপ সংস্থা ইউগভ পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, আরব-আমেরিকান ভোটারদের মধ্যে ৪৫ শতাংশ ভোটার ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছেন। কমলা হ্যারিসকে সমর্থন দিয়েছেন ৪৩ শতাংশ। এই ফলাফল থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, গাজা ইস্যু ডেমোক্রেটিক পার্টির ওপর বেশ নেতিবাচক প্রভাবই ফেলেছে।
এই জরিপে প্রশ্ন রাখা হয়, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্বে কে বেশি সফল হবেন। এই প্রশ্নের জবাবে, ৩৯ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ট্রাম্প বেশি সফল হবেন। বিপরীতে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলার পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন মাত্র ৩৩ শতাংশ উত্তরদাতা। তবে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে কে বেশি ভালো করবেন—এই প্রশ্নে কমলা হ্যারিস ও ডোনাল্ড ট্রাম্প সমান সমান—৩৮ শতাংশ—ভোটারের সমর্থন পেয়েছেন।
এই জরিপে অংশগ্রহণকারীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, আরব-আমেরিকান সম্প্রদায়ের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় কোনটি? জবাবে ২৯ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যু, ২১ শতাংশ আরব-আমেরিকান বলেছেন মার্কিন অর্থনীতি এবং ১৩ শতাংশ বর্ণবাদ ও বৈষম্যকে বড় উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এই জরিপ চালানো হয়েছে ৫০০ জন আরব-আমেরিকানের মধ্যে। এই জরিপের সম্ভাব্য ত্রুটির পরিমাণ ± ৫ শতাংশ। এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয়, এই জরিপে ট্রাম্প এগিয়ে থাকলেও সামগ্রিক বিচারে, ইসরায়েলকে সমর্থনের ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প কমলা হ্যারিসের চেয়ে ৬ পয়েন্ট এগিয়ে আছেন।

গাজায় ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়ে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ধসে পড়ে অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া তীব্র ঠান্ডায় প্রাণ হারিয়েছে আরও অন্তত ছয় শিশু। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে তেহরানের দমনপীড়নের মুখে বিক্ষোভকারীদের ‘আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন’ বলে আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের ‘আশ্বাস দিয়ে’ বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’
৩ ঘণ্টা আগে
মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
১২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে