
ঢাকা: পানির নিচে ৪৫ ফুট গভীরে ডুবে যাওয়ার পর হঠাৎ এক বিশাল গদির মতো কিছু অনুভব করলাম। চোখের সামনে সবকিছু অন্ধকার হয়ে এল। আমি খালি বুঝতে পারলাম, নড়ছি, আর মনে হলো যেন, হায় ঈশ্বর, আমি কি হাঙ্গরের মুখে পড়লাম?
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের প্রভিন্সটাউন উপকূলে তিমির মুখ থেকে বেঁচে আসা ডুবুরি মাইকেল প্যাকার্ড এভাবে তাঁর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। গতকাল শুক্রবারের ঘটনা এটি।
প্যাকার্ড বলেন, কিছুক্ষণ পরই আমার মনে হলো, এটি তো হাঙ্গর নয়, কারণ দাঁতের কামড় টের পাচ্ছি না। সত্যি বলতে, তেমন কোনো ব্যথাও পাচ্ছিলাম না। এর পরক্ষণেই বুঝলাম, ওরে বাবা! আমি তিমির মুখে। আমি একটা তিমির মুখের মধ্যে, আর সেটি আমাকে গিলে ফেলতে চাইছে।
তবে প্যাকার্ড অভিজ্ঞ ডুবুরি। তখনও মনোবল হারাননি, যথেষ্ট সজাগ। তাছাড়া তিমির মুখের মধ্যে তিনি ঢুকে পড়েছিলেন শ্বাস নেওয়ার কৃত্রিম যন্ত্রপাতি–সহই।
প্যাকার্ড বলেন, আমার মাথায় তখন একটাই বিষয় ঘুরছে, হায় ঈশ্বর, এই তিমি যদি আমাকে সত্যিই গিলে ফেলে, আর আমি মুখের মধ্যে এখনো শ্বাস নিতে পারছি, এখানেই অক্সিজেন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্তত শ্বাস নিতে পারবো। আমি নিজেকে প্রবোধ দিলাম, ঠিক আছে, তাহলে বিষয়টা হলো এই যে, আমি মারা যাচ্ছি। চোখের সামনে ভেসে উঠল আমার স্ত্রী ও সন্তানদের মুখ। এখান থেকে যে আর বের হওয়ার উপায় নেই তা আমি নিশ্চিত।
জলদানবটির মুখের মধ্যে থেকেই প্যাকার্ড হিসাব করে দেখলেন প্রায় ৩০ সেকেন্ড পরই সেটি দ্রুত পানির ওপরের স্তরে উঠে গেল। আর তাৎক্ষণিকভাবে সেটি তাঁকে উগড়ে ফেলে দিল।
প্যাকার্ড বলেন, হঠাৎ করেই নিজেকে পানির ওপর আবিষ্কার কলাম। তিমিটিকেও মাথা ঝাঁকাতে দেখলাম। আক্ষরিক অর্থেই সেটি আমাকে শূন্যে ছুড়ে দিয়েছে। এরপর ঝপ করে পানিতে পড়ে আমি ভাসতে থাকলাম। ব্যাপারটা বিশ্বাসই হচ্ছিল না আমার। আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না যে, ওটি আমাকে এভাবে উগড়ে দেবে।
পুরো ঘটনার ব্যাখ্যায় তিমি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্যাকার্ডকে যেটি গিলে ফেলেছিল সেটি ছিল হামব্যাক তিমি। এ ধরনের তিমি বেশ দ্রুতগামী হয়। এরা বিশাল হা প্রসারিত করে দ্রুত বিপুল পরিমাণ খাবার একবারে মুখে নেওয়ার চেষ্টা করে। ফলে তখন মুখে কী ঢুকে পড়ছে সেটি তাদের খেয়াল করার সুযোগ থাকে না। মুখের মধ্যে সাধারণ খাবারের সঙ্গে মানুষ বা এ ধরনের কিছু ঢুকে পড়া অনেকটা আমাদের খাবারের গ্রাসের সঙ্গে মাছি ঢুকে পড়ার মতো। এটি তাদের জন্য বিরক্তিকর। তাছাড়া হামব্যাক তিমির হা বড় হলেও মানুষের মতো বড় আকারের কিছু গিলে ফেলার জন্য তাদের খাদ্যনালীটি যথেষ্ট বড় নয়।

ঢাকা: পানির নিচে ৪৫ ফুট গভীরে ডুবে যাওয়ার পর হঠাৎ এক বিশাল গদির মতো কিছু অনুভব করলাম। চোখের সামনে সবকিছু অন্ধকার হয়ে এল। আমি খালি বুঝতে পারলাম, নড়ছি, আর মনে হলো যেন, হায় ঈশ্বর, আমি কি হাঙ্গরের মুখে পড়লাম?
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের প্রভিন্সটাউন উপকূলে তিমির মুখ থেকে বেঁচে আসা ডুবুরি মাইকেল প্যাকার্ড এভাবে তাঁর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। গতকাল শুক্রবারের ঘটনা এটি।
প্যাকার্ড বলেন, কিছুক্ষণ পরই আমার মনে হলো, এটি তো হাঙ্গর নয়, কারণ দাঁতের কামড় টের পাচ্ছি না। সত্যি বলতে, তেমন কোনো ব্যথাও পাচ্ছিলাম না। এর পরক্ষণেই বুঝলাম, ওরে বাবা! আমি তিমির মুখে। আমি একটা তিমির মুখের মধ্যে, আর সেটি আমাকে গিলে ফেলতে চাইছে।
তবে প্যাকার্ড অভিজ্ঞ ডুবুরি। তখনও মনোবল হারাননি, যথেষ্ট সজাগ। তাছাড়া তিমির মুখের মধ্যে তিনি ঢুকে পড়েছিলেন শ্বাস নেওয়ার কৃত্রিম যন্ত্রপাতি–সহই।
প্যাকার্ড বলেন, আমার মাথায় তখন একটাই বিষয় ঘুরছে, হায় ঈশ্বর, এই তিমি যদি আমাকে সত্যিই গিলে ফেলে, আর আমি মুখের মধ্যে এখনো শ্বাস নিতে পারছি, এখানেই অক্সিজেন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্তত শ্বাস নিতে পারবো। আমি নিজেকে প্রবোধ দিলাম, ঠিক আছে, তাহলে বিষয়টা হলো এই যে, আমি মারা যাচ্ছি। চোখের সামনে ভেসে উঠল আমার স্ত্রী ও সন্তানদের মুখ। এখান থেকে যে আর বের হওয়ার উপায় নেই তা আমি নিশ্চিত।
জলদানবটির মুখের মধ্যে থেকেই প্যাকার্ড হিসাব করে দেখলেন প্রায় ৩০ সেকেন্ড পরই সেটি দ্রুত পানির ওপরের স্তরে উঠে গেল। আর তাৎক্ষণিকভাবে সেটি তাঁকে উগড়ে ফেলে দিল।
প্যাকার্ড বলেন, হঠাৎ করেই নিজেকে পানির ওপর আবিষ্কার কলাম। তিমিটিকেও মাথা ঝাঁকাতে দেখলাম। আক্ষরিক অর্থেই সেটি আমাকে শূন্যে ছুড়ে দিয়েছে। এরপর ঝপ করে পানিতে পড়ে আমি ভাসতে থাকলাম। ব্যাপারটা বিশ্বাসই হচ্ছিল না আমার। আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না যে, ওটি আমাকে এভাবে উগড়ে দেবে।
পুরো ঘটনার ব্যাখ্যায় তিমি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্যাকার্ডকে যেটি গিলে ফেলেছিল সেটি ছিল হামব্যাক তিমি। এ ধরনের তিমি বেশ দ্রুতগামী হয়। এরা বিশাল হা প্রসারিত করে দ্রুত বিপুল পরিমাণ খাবার একবারে মুখে নেওয়ার চেষ্টা করে। ফলে তখন মুখে কী ঢুকে পড়ছে সেটি তাদের খেয়াল করার সুযোগ থাকে না। মুখের মধ্যে সাধারণ খাবারের সঙ্গে মানুষ বা এ ধরনের কিছু ঢুকে পড়া অনেকটা আমাদের খাবারের গ্রাসের সঙ্গে মাছি ঢুকে পড়ার মতো। এটি তাদের জন্য বিরক্তিকর। তাছাড়া হামব্যাক তিমির হা বড় হলেও মানুষের মতো বড় আকারের কিছু গিলে ফেলার জন্য তাদের খাদ্যনালীটি যথেষ্ট বড় নয়।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে