আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চলতি বছরের মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার সংক্ষিপ্ত যুদ্ধের সময় সাতটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন, এ বছরের শুরুর দিকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য এক পারমাণবিক সংঘাত ঠেকাতে ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি তখন ‘উত্তাল’ ছিল। তবে সাতটি যুদ্ধবিমান ভারত-পাকিস্তান কোন দেশের, সে বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য দেননি।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধটা পারমাণবিক যুদ্ধের দিকে যাচ্ছিল...এরই মধ্যে সাতটা যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছিল। আমি তখন বলেছিলাম, তোমরা কি বাণিজ্য করতে চাও? লড়াই চালালে আমরা কোনো বাণিজ্য করব না। তোমাদের ২৪ ঘণ্টা সময় আছে, মীমাংসা করো। এরপর তারা বলল, এখন আর যুদ্ধ চলছে না।’
ট্রাম্পের দাবি, শুল্ক ও বাণিজ্য চাপ প্রয়োগের মাধ্যমেই তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছিলেন। তাঁর ভাষায়, ‘আমার হাতে শুল্ক ও বাণিজ্যের হাতিয়ার ছিল। আমি বলেছিলাম, ‘তোমরা যদি লড়াই চালিয়ে যেতে চাও, সবাইকে মেরে ফেলতে চাও, সেটা তোমাদের ব্যাপার। কিন্তু তখন আমি তোমাদের প্রত্যেকের ওপর শতভাগ শুল্ক বসাব। এরপরই সবাই পিছু হটে যায়।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারবার দাবি করেছেন, তিনি ১০ মের যুদ্ধবিরতি করিয়েছেন, যা ওয়াশিংটন ‘এক দীর্ঘ রাতের’ আলোচনার পর ঘোষণা করেছিল। এরপর থেকে তিনি ডজনখানেকবার বলেছেন যে তিনি ‘উত্তেজনা প্রশমনে সাহায্য করেছেন।’
গত জুনে এক ভারতীয় প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা স্বীকার করেন, ৭ মে রাতে পাকিস্তানে বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর ভারতীয় বিমানবাহিনীর ‘কিছু বিমান হারাতে হয়েছে’। ইন্দোনেশিয়ায় এক সেমিনারে এ স্বীকারোক্তি দেন ভারতের প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে ক্যাপ্টেন শিব কুমার। ভারতীয় গণমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চলতি বছরের মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার সংক্ষিপ্ত যুদ্ধের সময় সাতটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন, এ বছরের শুরুর দিকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য এক পারমাণবিক সংঘাত ঠেকাতে ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি তখন ‘উত্তাল’ ছিল। তবে সাতটি যুদ্ধবিমান ভারত-পাকিস্তান কোন দেশের, সে বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য দেননি।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধটা পারমাণবিক যুদ্ধের দিকে যাচ্ছিল...এরই মধ্যে সাতটা যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছিল। আমি তখন বলেছিলাম, তোমরা কি বাণিজ্য করতে চাও? লড়াই চালালে আমরা কোনো বাণিজ্য করব না। তোমাদের ২৪ ঘণ্টা সময় আছে, মীমাংসা করো। এরপর তারা বলল, এখন আর যুদ্ধ চলছে না।’
ট্রাম্পের দাবি, শুল্ক ও বাণিজ্য চাপ প্রয়োগের মাধ্যমেই তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছিলেন। তাঁর ভাষায়, ‘আমার হাতে শুল্ক ও বাণিজ্যের হাতিয়ার ছিল। আমি বলেছিলাম, ‘তোমরা যদি লড়াই চালিয়ে যেতে চাও, সবাইকে মেরে ফেলতে চাও, সেটা তোমাদের ব্যাপার। কিন্তু তখন আমি তোমাদের প্রত্যেকের ওপর শতভাগ শুল্ক বসাব। এরপরই সবাই পিছু হটে যায়।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারবার দাবি করেছেন, তিনি ১০ মের যুদ্ধবিরতি করিয়েছেন, যা ওয়াশিংটন ‘এক দীর্ঘ রাতের’ আলোচনার পর ঘোষণা করেছিল। এরপর থেকে তিনি ডজনখানেকবার বলেছেন যে তিনি ‘উত্তেজনা প্রশমনে সাহায্য করেছেন।’
গত জুনে এক ভারতীয় প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা স্বীকার করেন, ৭ মে রাতে পাকিস্তানে বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর ভারতীয় বিমানবাহিনীর ‘কিছু বিমান হারাতে হয়েছে’। ইন্দোনেশিয়ায় এক সেমিনারে এ স্বীকারোক্তি দেন ভারতের প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে ক্যাপ্টেন শিব কুমার। ভারতীয় গণমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১০ ঘণ্টা আগে