আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক আটকের পর মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান শিবিরের মধ্যে বিতর্ক এখন তুঙ্গে। আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) ডেমোক্র্যাট সদস্যরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে ‘অসাংবিধানিক’ ও ‘একনায়কতান্ত্রিক’ বলে কঠোর সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে, ট্রাম্পের অনুসারীরা একে মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক জয় হিসেবে দেখছেন।
ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য রাশিদা তালিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের অবৈধ ও উসকানিহীন বোমা হামলা এবং দেশটির প্রেসিডেন্টকে অপহরণ আন্তর্জাতিক আইন ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের গুরুতর লঙ্ঘন। এগুলো একটি নিয়ন্ত্রণহীন রাষ্ট্রের আচরণ।’ তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন জনগণ বিদেশে আরেকটি সরকার পরিবর্তনের যুদ্ধ চায় না।’
ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যান্ডি কিম পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বিরুদ্ধে কংগ্রেসে মিথ্যা বলার অভিযোগ এনেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের চোখে চোখ রেখে বলেছিল যে তারা শাসন পরিবর্তনের পক্ষপাতী নয়। আজ প্রমাণ হলো তারা ডাহা মিথ্যা বলেছে।’
কিম বলেন, কংগ্রেসের সাংবিধানিক অনুমোদন প্রক্রিয়া এড়িয়ে ট্রাম্প সামরিক হামলা চালিয়েছেন। কারণ, প্রশাসন জানে—মার্কিন জনগণ আরেকটি যুদ্ধে জড়াতে চায় না। তাঁর ভাষায়, এই হামলা শক্তির প্রকাশ নয় এবং এটি সুস্থ পররাষ্ট্রনীতিও নয়।
তিনি সতর্ক করেন, এতে ভেনেজুয়েলা ও পুরো অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের ঝুঁকি বেড়েছে এবং বিশ্বনেতাদের কাছে একটি বিপজ্জনক বার্তা গেছে—যেকোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে লক্ষ্যবস্তু করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গ্রহণযোগ্য নীতি।
হাউস অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন সাবকমিটির ডিফেন্স শাখার শীর্ষ ডেমোক্র্যাট বেটি ম্যাককলাম প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অবিলম্বে ভেনেজুয়েলায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের এমন পদক্ষেপ স্পষ্টতই অবৈধ। ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো আসন্ন জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি নয় এবং কংগ্রেস এ ধরনের বল প্রয়োগের অনুমোদন দেয়নি।’
তিনি রিপাবলিকান স্পিকার মাইক জনসনকে অবিলম্বে প্রতিনিধি পরিষদের অধিবেশন ডাকতে বলেন, যেন ‘নিয়ন্ত্রণহীন প্রেসিডেন্টকে লাগাম দেওয়া যায়’।
ডেমোক্র্যাট সিনেটর রুবেন গালেগো এক্সে লেখেন, ‘এই যুদ্ধ অবৈধ। এক বছরের মধ্যেই আমরা বিশ্বের পুলিশ থেকে বিশ্বের দাদাগিরিতে নেমে এসেছি—এটা লজ্জাজনক। ভেনেজুয়েলার সঙ্গে আমাদের যুদ্ধে জড়ানোর কোনো কারণ নেই।’
কংগ্রেসম্যান জিম ম্যাকগভার্ন বলেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই এবং অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক সামরিক অভিযানের বিরোধিতা করা সত্ত্বেও ট্রাম্প এই ‘অন্যায্য ও অবৈধ’ হামলা চালিয়েছেন।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমেরিকানদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য নাকি টাকা নেই—কিন্তু যুদ্ধের জন্য যেন সীমাহীন অর্থ আছে।’
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপে খুশি রিপাবলিকানরা। রিপাবলিকান স্পিকার মাইক জনসন এই হামলাকে ‘দৃঢ় ও ন্যায়সংগত অভিযান’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকানদের জীবনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন এবং অপরাধী শাসনব্যবস্থাগুলোকে আর আমাদের দেশের ক্ষতি করতে দেবেন না।’
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র সিনেটর টম কটন এই অভিযানকে ‘অবিশ্বাস্য’ বলে প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মাদুরো কেবল অবৈধ শাসক নন, তিনি একটি বড় মাদক পাচার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করেছেন। কটন দাবি করেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও তাঁকে নিশ্চিত করেছেন যে মাদুরো এখন যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে এবং তাঁর বিচার হবে।
তিনি ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করে বলেন, তারা যেন মাদক পাচার ও ইরান-কিউবার সঙ্গে আঁতাত বন্ধ করে।
ফ্লোরিডার সিনেটর রিক স্কট বলেন, এই হামলা ও ‘আটক’ অত্যন্ত পেশাদারত্বের সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে। তাঁর মতে, এটি প্রমাণ করে ট্রাম্প তাঁর কথার মানুষ এবং যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাস সহ্য করবে না।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশংসা করে বলেন, ‘এই অভিযান প্রমাণ করে প্রেসিডেন্ট যা বলেন, তা-ই করেন।’ তিনি দাবি করেন, মাদুরোকে একাধিকবার ‘সরে যাওয়ার সুযোগ’ দেওয়া হয়েছিল।
ভান্স আরও বলেন, যাঁরা এই অভিযানে বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের মনে রাখা উচিত—মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক মাদক-সন্ত্রাস সংক্রান্ত মামলা রয়েছে।
তবে রিপাবলিকান শিবিরের অনেকেই আবার এই অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একসময়ের ট্রাম্প-সমর্থক কংগ্রেসওম্যান মার্জোরি টেইলর গ্রিন প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে মাদকজনিত মৃত্যুর প্রধান উৎস ম্যাক্সিকান কার্টেল, অথচ তাদের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক হামলা চালানো হয়নি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ট্রাম্প সম্প্রতি হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজকে ক্ষমা করেছেন, যিনি কোকেন পাচারের দায়ে দণ্ডিত ছিলেন।
গ্রিনের মতে, মাদুরোকে সরিয়ে দেওয়া মূলত ভেনেজুয়েলার তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা এবং ভবিষ্যতে এটি ইরানেও সরকার পরিবর্তনে যুদ্ধের ইঙ্গিত দিতে পারে।
রিপাবলিকান সিনেটর মাইক লি বলেন, রুবিও তাঁকে জানিয়েছেন যে মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে বিচার করার জন্য আটক করা হয়েছে। তবে তিনি এই অভিযানের প্রতি সমর্থন জানালেও এর সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, ‘মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পরোয়ানা কার্যকর করার সময় সংশ্লিষ্টদের সুরক্ষা দিতেই এই “কাইনেটিক অ্যাকশন” বা সামরিক শক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। তবে যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া এই পদক্ষেপ সংবিধানের কতটুকু আওতায় পড়ে, তা আমি খতিয়ে দেখতে চাই।’
নিউইয়র্কের নবনিযুক্ত মেয়র জোহরান মামদানি ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আক্রমণকে যুদ্ধের শামিল আখ্যা দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন। মামদানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর একতরফা আক্রমণ চালানো যুদ্ধের শামিল এবং এটি ফেডারেল ও আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের এই নগ্ন আকাঙ্ক্ষা শুধু বিদেশের মাটিতেই প্রভাব ফেলে না, বরং সরাসরি নিউইয়র্কবাসীর ওপরও এর আঁচ এসে পড়ে।’

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক আটকের পর মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান শিবিরের মধ্যে বিতর্ক এখন তুঙ্গে। আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) ডেমোক্র্যাট সদস্যরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে ‘অসাংবিধানিক’ ও ‘একনায়কতান্ত্রিক’ বলে কঠোর সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে, ট্রাম্পের অনুসারীরা একে মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক জয় হিসেবে দেখছেন।
ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য রাশিদা তালিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের অবৈধ ও উসকানিহীন বোমা হামলা এবং দেশটির প্রেসিডেন্টকে অপহরণ আন্তর্জাতিক আইন ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের গুরুতর লঙ্ঘন। এগুলো একটি নিয়ন্ত্রণহীন রাষ্ট্রের আচরণ।’ তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন জনগণ বিদেশে আরেকটি সরকার পরিবর্তনের যুদ্ধ চায় না।’
ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যান্ডি কিম পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বিরুদ্ধে কংগ্রেসে মিথ্যা বলার অভিযোগ এনেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের চোখে চোখ রেখে বলেছিল যে তারা শাসন পরিবর্তনের পক্ষপাতী নয়। আজ প্রমাণ হলো তারা ডাহা মিথ্যা বলেছে।’
কিম বলেন, কংগ্রেসের সাংবিধানিক অনুমোদন প্রক্রিয়া এড়িয়ে ট্রাম্প সামরিক হামলা চালিয়েছেন। কারণ, প্রশাসন জানে—মার্কিন জনগণ আরেকটি যুদ্ধে জড়াতে চায় না। তাঁর ভাষায়, এই হামলা শক্তির প্রকাশ নয় এবং এটি সুস্থ পররাষ্ট্রনীতিও নয়।
তিনি সতর্ক করেন, এতে ভেনেজুয়েলা ও পুরো অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের ঝুঁকি বেড়েছে এবং বিশ্বনেতাদের কাছে একটি বিপজ্জনক বার্তা গেছে—যেকোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে লক্ষ্যবস্তু করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গ্রহণযোগ্য নীতি।
হাউস অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন সাবকমিটির ডিফেন্স শাখার শীর্ষ ডেমোক্র্যাট বেটি ম্যাককলাম প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অবিলম্বে ভেনেজুয়েলায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের এমন পদক্ষেপ স্পষ্টতই অবৈধ। ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো আসন্ন জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি নয় এবং কংগ্রেস এ ধরনের বল প্রয়োগের অনুমোদন দেয়নি।’
তিনি রিপাবলিকান স্পিকার মাইক জনসনকে অবিলম্বে প্রতিনিধি পরিষদের অধিবেশন ডাকতে বলেন, যেন ‘নিয়ন্ত্রণহীন প্রেসিডেন্টকে লাগাম দেওয়া যায়’।
ডেমোক্র্যাট সিনেটর রুবেন গালেগো এক্সে লেখেন, ‘এই যুদ্ধ অবৈধ। এক বছরের মধ্যেই আমরা বিশ্বের পুলিশ থেকে বিশ্বের দাদাগিরিতে নেমে এসেছি—এটা লজ্জাজনক। ভেনেজুয়েলার সঙ্গে আমাদের যুদ্ধে জড়ানোর কোনো কারণ নেই।’
কংগ্রেসম্যান জিম ম্যাকগভার্ন বলেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই এবং অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক সামরিক অভিযানের বিরোধিতা করা সত্ত্বেও ট্রাম্প এই ‘অন্যায্য ও অবৈধ’ হামলা চালিয়েছেন।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমেরিকানদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য নাকি টাকা নেই—কিন্তু যুদ্ধের জন্য যেন সীমাহীন অর্থ আছে।’
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপে খুশি রিপাবলিকানরা। রিপাবলিকান স্পিকার মাইক জনসন এই হামলাকে ‘দৃঢ় ও ন্যায়সংগত অভিযান’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকানদের জীবনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন এবং অপরাধী শাসনব্যবস্থাগুলোকে আর আমাদের দেশের ক্ষতি করতে দেবেন না।’
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র সিনেটর টম কটন এই অভিযানকে ‘অবিশ্বাস্য’ বলে প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মাদুরো কেবল অবৈধ শাসক নন, তিনি একটি বড় মাদক পাচার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করেছেন। কটন দাবি করেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও তাঁকে নিশ্চিত করেছেন যে মাদুরো এখন যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে এবং তাঁর বিচার হবে।
তিনি ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করে বলেন, তারা যেন মাদক পাচার ও ইরান-কিউবার সঙ্গে আঁতাত বন্ধ করে।
ফ্লোরিডার সিনেটর রিক স্কট বলেন, এই হামলা ও ‘আটক’ অত্যন্ত পেশাদারত্বের সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে। তাঁর মতে, এটি প্রমাণ করে ট্রাম্প তাঁর কথার মানুষ এবং যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাস সহ্য করবে না।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশংসা করে বলেন, ‘এই অভিযান প্রমাণ করে প্রেসিডেন্ট যা বলেন, তা-ই করেন।’ তিনি দাবি করেন, মাদুরোকে একাধিকবার ‘সরে যাওয়ার সুযোগ’ দেওয়া হয়েছিল।
ভান্স আরও বলেন, যাঁরা এই অভিযানে বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের মনে রাখা উচিত—মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক মাদক-সন্ত্রাস সংক্রান্ত মামলা রয়েছে।
তবে রিপাবলিকান শিবিরের অনেকেই আবার এই অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একসময়ের ট্রাম্প-সমর্থক কংগ্রেসওম্যান মার্জোরি টেইলর গ্রিন প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে মাদকজনিত মৃত্যুর প্রধান উৎস ম্যাক্সিকান কার্টেল, অথচ তাদের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক হামলা চালানো হয়নি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ট্রাম্প সম্প্রতি হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজকে ক্ষমা করেছেন, যিনি কোকেন পাচারের দায়ে দণ্ডিত ছিলেন।
গ্রিনের মতে, মাদুরোকে সরিয়ে দেওয়া মূলত ভেনেজুয়েলার তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা এবং ভবিষ্যতে এটি ইরানেও সরকার পরিবর্তনে যুদ্ধের ইঙ্গিত দিতে পারে।
রিপাবলিকান সিনেটর মাইক লি বলেন, রুবিও তাঁকে জানিয়েছেন যে মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে বিচার করার জন্য আটক করা হয়েছে। তবে তিনি এই অভিযানের প্রতি সমর্থন জানালেও এর সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, ‘মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পরোয়ানা কার্যকর করার সময় সংশ্লিষ্টদের সুরক্ষা দিতেই এই “কাইনেটিক অ্যাকশন” বা সামরিক শক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। তবে যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া এই পদক্ষেপ সংবিধানের কতটুকু আওতায় পড়ে, তা আমি খতিয়ে দেখতে চাই।’
নিউইয়র্কের নবনিযুক্ত মেয়র জোহরান মামদানি ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আক্রমণকে যুদ্ধের শামিল আখ্যা দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন। মামদানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর একতরফা আক্রমণ চালানো যুদ্ধের শামিল এবং এটি ফেডারেল ও আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের এই নগ্ন আকাঙ্ক্ষা শুধু বিদেশের মাটিতেই প্রভাব ফেলে না, বরং সরাসরি নিউইয়র্কবাসীর ওপরও এর আঁচ এসে পড়ে।’

২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লি দাঙ্গা ষড়যন্ত্র মামলায় জেলবন্দী ছাত্র নেতা উমর খালিদ এবং শারজিল ইমামের জামিনের আবেদন ফের খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি অরবিন্দ কুমার এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, এই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা ইউএপিএ আইনের অভিযোগগুলোর প্রাথমিক সত্যতা
২৯ মিনিট আগে
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র অপহরণ করার পর দেশটির সুপ্রিম কোর্টের আদেশে অন্তর্বর্তী প্রধান হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। এর পরপরই তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাসীর উদ্দেশে একটি বার্তা প্রকাশ করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের এক দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণীর বিরুদ্ধে। তাঁরা উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় ‘লিভ-ইন পার্টনার’ হিসেবে থাকতেন। অভিযুক্ত নারী লুনজিয়ানা পামাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনী সংযুক্ত আরব আমিরাত সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) কাছ থেকে হাজরামাউত ও আল-মাহরা গভর্নরেট পুনর্দখল করেছে। ইয়েমেনে উপসাগরীয় দুই আরব শক্তির মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটল। খবর আল–জাজিরার।
৩ ঘণ্টা আগে