
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৫ নভেম্বর। তবে তার আগেই দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার ইলেকশন ল্যাবের এক জরিপ থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল সোমবার নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ভোটার সরাসরি অথবা ই-মেইলের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। জরিপে দেখে গেছে, সরাসরি ভোট দেওয়া এবং ই-মেইলে ভোট দেওয়া ভোটারের সংখ্যা বেশ কাছাকাছি।
এদিকে, ফোর্বস সাময়িকী জানিয়েছে—নতুন দুটি জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন কমলা হ্যারিস। তবে অধিকাংশ জরিপেই এই দুজনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। গত রোববার এবিসি নিউজ ও ইপসসের এক যৌথ জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের চেয়ে চার পয়েন্টে এগিয়ে আছেন কমলা। জরিপটিতে কমলার পক্ষে ৫১ শতাংশ সমর্থন দেখা গেছে। বিপরীতে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন ছিল ৪৭ শতাংশ। চলতি মাসের শুরুর দিকের তুলনায় কমলার সমর্থন কিছুটা বেড়েছে। এই জরিপে এরর মার্জিন ছিল ২ দশমিক ৫ শতাংশ।
সিবিএস নিউজ ও ইউগভের যৌথ জরিপেও ট্রাম্পের তুলনায় ১ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন কমলা। জরিপটিতে কমলার প্রতি সমর্থন ৫০ শতাংশ আর ট্রাম্পের প্রতি ৪৯ শতাংশ সমর্থন দেখা গেছে। এই জরিপের এরর মার্জিন ছিল ২ দশমিক ৬ শতাংশ। গত শনিবার প্রকাশিত ইমারসন কলেজের আরেক জরিপে দেখা গেছে, কমলা এবং ট্রাম্প দুজনেরই সমান ৪৯ শতাংশ সমর্থন রয়েছে।
গত শুক্রবার প্রকাশিত টাইমস ও সিয়েনার জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্প এবং হ্যারিস সমান ৪৮ শতাংশ সমর্থন উপভোগ করছিলেন। তবে এই ফলাফলগুলো হ্যারিসের জন্য উৎসাহজনক নয়। কারণ অতীতে এমনও দেখা গেছে ডেমোক্র্যাটরা নির্বাচনে জনপ্রিয় ভোটে জিতলেও হোয়াইট হাউস দখলে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। আরেকটি বিষয় হলো—টাইমসের জরিপটিতে পূর্বের তুলনায় কমলার সমর্থন বাড়েনি বরং কমেছে। কিছুদিন আগেই এই জরিপটিতে ট্রাম্পের চেয়ে ৪৯-৪৬ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন তিনি।
গত শক্রবার প্রকাশিত সিএনএন ও এসএসআরএস জরিপে হ্যারিসের সমর্থন কমার প্রবণতা দেখা গেছে। জরিপটির সর্বশেষ অবস্থান অনুযায়ী, দুই প্রার্থীই সমান ৪৭ শতাংশ সমর্থন উপভোগ করছেন। যদিও গত মাসে (সেপ্টেম্বর) এই জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে এক পয়েন্টে (৪৮-৪৭) এগিয়ে ছিলেন কমলা। তবে একই জরিপে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পরপরই ট্রাম্প কমলার চেয়ে ৩ পয়েন্ট (৪৯-৪৬) ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। সেই হিসেবে এই জরিপে ট্রাম্পের সমর্থনে বড় পতন দেখা গেছে।
গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নিবন্ধিত ভোটারদের নিয়ে সিএনবিসির জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্প ২ পয়েন্টে (৪৮-৪৬) এগিয়ে আছেন কমলার চেয়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৫ নভেম্বর। তবে তার আগেই দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার ইলেকশন ল্যাবের এক জরিপ থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল সোমবার নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ভোটার সরাসরি অথবা ই-মেইলের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। জরিপে দেখে গেছে, সরাসরি ভোট দেওয়া এবং ই-মেইলে ভোট দেওয়া ভোটারের সংখ্যা বেশ কাছাকাছি।
এদিকে, ফোর্বস সাময়িকী জানিয়েছে—নতুন দুটি জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন কমলা হ্যারিস। তবে অধিকাংশ জরিপেই এই দুজনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। গত রোববার এবিসি নিউজ ও ইপসসের এক যৌথ জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের চেয়ে চার পয়েন্টে এগিয়ে আছেন কমলা। জরিপটিতে কমলার পক্ষে ৫১ শতাংশ সমর্থন দেখা গেছে। বিপরীতে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন ছিল ৪৭ শতাংশ। চলতি মাসের শুরুর দিকের তুলনায় কমলার সমর্থন কিছুটা বেড়েছে। এই জরিপে এরর মার্জিন ছিল ২ দশমিক ৫ শতাংশ।
সিবিএস নিউজ ও ইউগভের যৌথ জরিপেও ট্রাম্পের তুলনায় ১ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন কমলা। জরিপটিতে কমলার প্রতি সমর্থন ৫০ শতাংশ আর ট্রাম্পের প্রতি ৪৯ শতাংশ সমর্থন দেখা গেছে। এই জরিপের এরর মার্জিন ছিল ২ দশমিক ৬ শতাংশ। গত শনিবার প্রকাশিত ইমারসন কলেজের আরেক জরিপে দেখা গেছে, কমলা এবং ট্রাম্প দুজনেরই সমান ৪৯ শতাংশ সমর্থন রয়েছে।
গত শুক্রবার প্রকাশিত টাইমস ও সিয়েনার জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্প এবং হ্যারিস সমান ৪৮ শতাংশ সমর্থন উপভোগ করছিলেন। তবে এই ফলাফলগুলো হ্যারিসের জন্য উৎসাহজনক নয়। কারণ অতীতে এমনও দেখা গেছে ডেমোক্র্যাটরা নির্বাচনে জনপ্রিয় ভোটে জিতলেও হোয়াইট হাউস দখলে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। আরেকটি বিষয় হলো—টাইমসের জরিপটিতে পূর্বের তুলনায় কমলার সমর্থন বাড়েনি বরং কমেছে। কিছুদিন আগেই এই জরিপটিতে ট্রাম্পের চেয়ে ৪৯-৪৬ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন তিনি।
গত শক্রবার প্রকাশিত সিএনএন ও এসএসআরএস জরিপে হ্যারিসের সমর্থন কমার প্রবণতা দেখা গেছে। জরিপটির সর্বশেষ অবস্থান অনুযায়ী, দুই প্রার্থীই সমান ৪৭ শতাংশ সমর্থন উপভোগ করছেন। যদিও গত মাসে (সেপ্টেম্বর) এই জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে এক পয়েন্টে (৪৮-৪৭) এগিয়ে ছিলেন কমলা। তবে একই জরিপে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পরপরই ট্রাম্প কমলার চেয়ে ৩ পয়েন্ট (৪৯-৪৬) ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। সেই হিসেবে এই জরিপে ট্রাম্পের সমর্থনে বড় পতন দেখা গেছে।
গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নিবন্ধিত ভোটারদের নিয়ে সিএনবিসির জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্প ২ পয়েন্টে (৪৮-৪৬) এগিয়ে আছেন কমলার চেয়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৩ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে