
ইসরায়েলকে আরও বেশি পরিমাণে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কেবল তাই নয়, এসব এয়ার ডিফেন্স ব্যাটারি পরিচালনার জন্য প্রায় ১০০ মার্কিন সেনাকেও দেশটিতে পাঠাবে ওয়াশিংটন। গতকাল রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসরায়েলকে ইরানি হামলার হাত থেকে রক্ষার লক্ষ্যেই এই এয়ার ডিফেন্স ইউনিটগুলো পাঠানো হচ্ছে। এ ছাড়া, সম্প্রতি ইরান হুমকি দিয়েছিল যে, দেশটি আক্রান্ত হলে এই অঞ্চলে মার্কিন সেনারাও অক্ষত থাকবে না। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে ইসরায়েলে এই এয়ার ডিফেন্স ব্যাটারি পাঠানোর ঘোষণা দেওয়া হলো।
পেন্টাগনের মুখপাত্র মেজর জেনারেল প্যাট্টিক রেইডার এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্দেশে থাড (টিএইএএডি) এয়ার ডিফেন্স ব্যাটারি পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এপ্রিল ও অক্টোবরে ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই সিস্টেম ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।’
রেইডার আরও বলেন, ‘এই পদক্ষেপটি ইরানের যেকোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা এবং ইসরায়েলে আমেরিকানদের রক্ষা করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিকেই নির্দেশ করে।’
থাড এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার একটি সহযোগী ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে এটি আলাদাভাবেও কাজ করতে পারে। এই সিস্টেম ১৫০-২০০ কিলোমিটার পাল্লার যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। একেকটি ব্যাটারিতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জন্য ৬টি ট্রাক থাকে। ৪৮টি ইন্টারসেপ্টর থাকে, রেডিও-রাডার যন্ত্রসহ আরও বেশি কিছু জিনিস থাকে। একটি ব্যাটারি পরিচালনায় ৯৫ জন সেনা লাগে।
এই থাড ব্যাটারি কোথা থেকে—সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র নাকি মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন কোনো মার্কিন ঘাঁটি থেকে—আসছে তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার করেনি যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে হামলার পর গত বছরের শেষের দিকে এই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর সুরক্ষা বাড়ানোর জন্য অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ব্যাটালিয়নের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে একটি ব্যাটারি মোতায়েন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। রেইডার আরও উল্লেখ করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রশিক্ষণের জন্য ২০১৯ সালে ইসরায়েলে একটি থাড ব্যাটারি পাঠিয়েছিল।
এদিকে, থাড ব্যাটারি মোতায়েনের ঘোষণা আসার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অভিযোগ করেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে রেকর্ড পরিমাণ অস্ত্র সরবরাহ করছে।’ তিনি বলেন, ‘এটি (যুক্তরাষ্ট্র) এখন ইসরায়েলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য সৈন্য মোতায়েন করে তাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।’

ইসরায়েলকে আরও বেশি পরিমাণে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কেবল তাই নয়, এসব এয়ার ডিফেন্স ব্যাটারি পরিচালনার জন্য প্রায় ১০০ মার্কিন সেনাকেও দেশটিতে পাঠাবে ওয়াশিংটন। গতকাল রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসরায়েলকে ইরানি হামলার হাত থেকে রক্ষার লক্ষ্যেই এই এয়ার ডিফেন্স ইউনিটগুলো পাঠানো হচ্ছে। এ ছাড়া, সম্প্রতি ইরান হুমকি দিয়েছিল যে, দেশটি আক্রান্ত হলে এই অঞ্চলে মার্কিন সেনারাও অক্ষত থাকবে না। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে ইসরায়েলে এই এয়ার ডিফেন্স ব্যাটারি পাঠানোর ঘোষণা দেওয়া হলো।
পেন্টাগনের মুখপাত্র মেজর জেনারেল প্যাট্টিক রেইডার এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্দেশে থাড (টিএইএএডি) এয়ার ডিফেন্স ব্যাটারি পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এপ্রিল ও অক্টোবরে ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই সিস্টেম ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।’
রেইডার আরও বলেন, ‘এই পদক্ষেপটি ইরানের যেকোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা এবং ইসরায়েলে আমেরিকানদের রক্ষা করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিকেই নির্দেশ করে।’
থাড এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার একটি সহযোগী ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে এটি আলাদাভাবেও কাজ করতে পারে। এই সিস্টেম ১৫০-২০০ কিলোমিটার পাল্লার যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। একেকটি ব্যাটারিতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জন্য ৬টি ট্রাক থাকে। ৪৮টি ইন্টারসেপ্টর থাকে, রেডিও-রাডার যন্ত্রসহ আরও বেশি কিছু জিনিস থাকে। একটি ব্যাটারি পরিচালনায় ৯৫ জন সেনা লাগে।
এই থাড ব্যাটারি কোথা থেকে—সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র নাকি মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন কোনো মার্কিন ঘাঁটি থেকে—আসছে তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার করেনি যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে হামলার পর গত বছরের শেষের দিকে এই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর সুরক্ষা বাড়ানোর জন্য অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ব্যাটালিয়নের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে একটি ব্যাটারি মোতায়েন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। রেইডার আরও উল্লেখ করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রশিক্ষণের জন্য ২০১৯ সালে ইসরায়েলে একটি থাড ব্যাটারি পাঠিয়েছিল।
এদিকে, থাড ব্যাটারি মোতায়েনের ঘোষণা আসার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অভিযোগ করেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে রেকর্ড পরিমাণ অস্ত্র সরবরাহ করছে।’ তিনি বলেন, ‘এটি (যুক্তরাষ্ট্র) এখন ইসরায়েলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য সৈন্য মোতায়েন করে তাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।’

গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
১ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ,শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে বর্তমান শাসনকাঠামো ও নেতৃত্ব পরিবর্তনের সময় এসে গেছে। গতকাল শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ৩৭ বছরের শাসনের অবসান ঘটানোর এই আহ্বান জানান। খবর পলিটিকোর
৩ ঘণ্টা আগে