
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। আজ রোববার হোয়াইট হাউসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে ভ্যান্সের এই সফরে না যাওয়ার ইঙ্গিত দিলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত থাকছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ মিশনে জেডি ভ্যান্সের সঙ্গী হচ্ছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। প্রতিনিধিদলটি আগামীকাল সোমবারই (২০ এপ্রিল) ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে। সেখানে ইরানের শীর্ষ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করবেন তাঁরা।
দিনের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে জেডি ভ্যান্স এই সফরে যাচ্ছেন না। তিনি বলেছিলেন, ‘একমাত্র নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই জেডি এই সফরে যাচ্ছে না। সে দারুণ একজন মানুষ।’ ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে হোয়াইট হাউসের পরবর্তী বক্তব্যে সেই অস্পষ্টতা দূর হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আগামী বুধবার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে ‘শেষ সুযোগ’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প ইতিপূর্বেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এবারের আলোচনায় ইরান যদি চুক্তিতে সই না করে, তবে দেশটির প্রতিটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এমনকি ‘পুরো দেশ উড়িয়ে দেওয়া’র মতো হুমকিও দিয়েছেন তিনি।

ট্রুথ সোশ্যালে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের সময় শেষ হয়ে আসছে। তাদের খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা না হলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এখন প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান!’
১০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি এবং পারমাণবিক বিকিরণের (রেডিওলজিক্যাল সেফটি) কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি। আবুধাবি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, জেনারেটরের আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সমস্ত ইউনিট বর্তমানে সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে সচল রয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে চলমান অস্থিরতা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ও বাণিজ্য ব্যবস্থাকে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে তেল পরিবহন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আজ রোববার সন্ধ্যায় দেশটির তুমাইর ও সুদাইর পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চাঁদ দেখা যায়। ফলে আগামীকাল সোমবার (১৮ মে) থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে।
১১ ঘণ্টা আগে