
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের একটি বাজারে আজ রোববার সকালে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪ নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন এ তথ্য জানিয়েছে।
বারখান জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুল হামিদ বলেছেন, রাখানি বাজারে বোমা বিস্ফোরণের পর বহু আহত মানুষকে রাখানি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি চার ব্যক্তি নিহত হওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন।
বারখান জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ খোসো জানিয়েছেন, একটি মোটরসাইকেলে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) লাগানো ছিল। সেটি বিস্ফোরিত হলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং ওই এলাকা ঘিরে রেখেছে। তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছেন।
বিস্ফোরণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখো গেছে, উদ্ধারকারীরা রক্তাক্ত আহত ব্যক্তিদের নিয়ে যাচ্ছেন। রাস্তার পাশে ছিন্নভিন্ন অবস্থায় মোটরসাইকেল পড়ে আছে।
এখনো পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এ বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেনি।
বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী মীর আব্দুল কুদুস বিজেঞ্জো এই বিস্ফোরণের নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দোষীদের গ্রেপ্তার করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশকেও ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদনে দিতে বলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহও এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যারা এই হামলা চালিয়েছে, তারা বেলুচিস্তানে শান্তি ও উন্নয়নের শত্রু। তাদের অশুভ উদ্দেশ্য কখনোই সফল হবে না।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি বলেছেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে হবে। তাদের ঘৃণ্য পরিকল্পনা সফল হতে দেওয়া যাবে না।’
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করেছেন।

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের একটি বাজারে আজ রোববার সকালে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪ নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন এ তথ্য জানিয়েছে।
বারখান জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুল হামিদ বলেছেন, রাখানি বাজারে বোমা বিস্ফোরণের পর বহু আহত মানুষকে রাখানি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি চার ব্যক্তি নিহত হওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন।
বারখান জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ খোসো জানিয়েছেন, একটি মোটরসাইকেলে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) লাগানো ছিল। সেটি বিস্ফোরিত হলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং ওই এলাকা ঘিরে রেখেছে। তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছেন।
বিস্ফোরণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখো গেছে, উদ্ধারকারীরা রক্তাক্ত আহত ব্যক্তিদের নিয়ে যাচ্ছেন। রাস্তার পাশে ছিন্নভিন্ন অবস্থায় মোটরসাইকেল পড়ে আছে।
এখনো পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এ বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেনি।
বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী মীর আব্দুল কুদুস বিজেঞ্জো এই বিস্ফোরণের নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দোষীদের গ্রেপ্তার করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশকেও ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদনে দিতে বলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহও এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যারা এই হামলা চালিয়েছে, তারা বেলুচিস্তানে শান্তি ও উন্নয়নের শত্রু। তাদের অশুভ উদ্দেশ্য কখনোই সফল হবে না।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি বলেছেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে হবে। তাদের ঘৃণ্য পরিকল্পনা সফল হতে দেওয়া যাবে না।’
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করেছেন।

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৪ ঘণ্টা আগে