
লাহোর আন্ডারওয়ার্ল্ডের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ভয়ংকর ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় আমির বালাজ টিপুকে। অবশেষে লাহোরে অনুষ্ঠিত একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়েছেন তিনি।
পাকিস্তানের ডন পত্রিকার বরাতে জানা গেছে, গতকাল শনিবার লাহোরের চুং এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন আমির। সেখানেই তিনি অজ্ঞাত এক আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হন। নিহত গ্যাংস্টার একটি পণ্য পরিবহন নেটওয়ার্কেরও মালিক ছিলেন।
গ্যাংস্টার আমিরের পরিবার বহু আগে থেকেই নানা সহিংসতা ও বিবাদের সঙ্গে জড়িত। তাঁর বাবা আরিফ আমির নিজেও ২০১০ সালে আল্লামা ইকবাল বিমানবন্দরে একটি মারাত্মক হামলার শিকার হয়েছিলেন এবং বন্দুকযুদ্ধে মারা গিয়েছিলেন। আমিরের দাদারও নানা দ্বন্দ্ব সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ইতিহাস রয়েছে।
লাহোরের পুলিশ জানিয়েছে, অজ্ঞাত ওই আততায়ী আমিরসহ আরও দুই অতিথিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজনই মারাত্মক আহত হন। ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আমিরের সশস্ত্র সহযোগীরা ওই হামলাকারীর দিকেও পাল্টা গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে হামলাকারী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। পরে আহত টিপুকে দ্রুত জিন্নাহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
ডনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গ্যাংস্টার আমিরের অসংখ্য ভক্ত অনুরাগী ছিল। তাঁর মৃত্যুর খবরে সমর্থকদের মধ্যে শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। মৃত্যুর খবর পেয়ে জিন্নাহ হাসপাতালের সামনে জড়ো হয় অসংখ্য মানুষ। তাদের মধ্যে বেশ কিছু নারীকে বুক চাপড়ে আর্তনাদ এবং হামলাকারীদের ভর্ৎসনা করতে দেখা গেছে। তারা উচ্চ স্বরে টিপুর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করছিলেন।
এ অবস্থায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো চুং এলাকাটি সিল করে দিয়েছে এবং ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে তারা হামলার নেপথ্য কারণ এবং হামলাকারীর পরিচয় উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

লাহোর আন্ডারওয়ার্ল্ডের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ভয়ংকর ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় আমির বালাজ টিপুকে। অবশেষে লাহোরে অনুষ্ঠিত একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়েছেন তিনি।
পাকিস্তানের ডন পত্রিকার বরাতে জানা গেছে, গতকাল শনিবার লাহোরের চুং এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন আমির। সেখানেই তিনি অজ্ঞাত এক আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হন। নিহত গ্যাংস্টার একটি পণ্য পরিবহন নেটওয়ার্কেরও মালিক ছিলেন।
গ্যাংস্টার আমিরের পরিবার বহু আগে থেকেই নানা সহিংসতা ও বিবাদের সঙ্গে জড়িত। তাঁর বাবা আরিফ আমির নিজেও ২০১০ সালে আল্লামা ইকবাল বিমানবন্দরে একটি মারাত্মক হামলার শিকার হয়েছিলেন এবং বন্দুকযুদ্ধে মারা গিয়েছিলেন। আমিরের দাদারও নানা দ্বন্দ্ব সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ইতিহাস রয়েছে।
লাহোরের পুলিশ জানিয়েছে, অজ্ঞাত ওই আততায়ী আমিরসহ আরও দুই অতিথিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজনই মারাত্মক আহত হন। ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আমিরের সশস্ত্র সহযোগীরা ওই হামলাকারীর দিকেও পাল্টা গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে হামলাকারী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। পরে আহত টিপুকে দ্রুত জিন্নাহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
ডনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গ্যাংস্টার আমিরের অসংখ্য ভক্ত অনুরাগী ছিল। তাঁর মৃত্যুর খবরে সমর্থকদের মধ্যে শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। মৃত্যুর খবর পেয়ে জিন্নাহ হাসপাতালের সামনে জড়ো হয় অসংখ্য মানুষ। তাদের মধ্যে বেশ কিছু নারীকে বুক চাপড়ে আর্তনাদ এবং হামলাকারীদের ভর্ৎসনা করতে দেখা গেছে। তারা উচ্চ স্বরে টিপুর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করছিলেন।
এ অবস্থায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো চুং এলাকাটি সিল করে দিয়েছে এবং ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে তারা হামলার নেপথ্য কারণ এবং হামলাকারীর পরিচয় উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
১০ মিনিট আগে
ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
৩ ঘণ্টা আগে