
শুরুটা হয়েছে ইসরায়েলপন্থী একটি সংগঠনের দাবিকে কেন্দ্র করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠনটি হঠাৎ দাবি করে বসেছে, ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব সংঘাতের মধ্যে পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি ইসরায়েলকেই সমর্থন করেছেন। তবে আফ্রিদি অবশ্য এমন দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে এক পোস্টে তিনি উল্টো ফিলিস্তিনের পক্ষেই নিজের অবস্থান বোঝাতে চেয়েছেন।
ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের জের ধরে সারা পৃথিবীই এখন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এদের একদল ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করছেন, অন্যদিকে আরেক দল ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন দেখাচ্ছেন। তাঁদের কেউ কেউ আবার ইসরায়েলি পণ্য বয়কটেরও ডাক দিচ্ছেন। মুসলিমপ্রধান দেশ হিসেবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি এবং দেশটির সাধারণ মানুষ ঘোর ইসরায়েলবিরোধী। এর মধ্যে পাকিস্তানের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হয়ে শহীদ আফ্রিদির ইসরায়েলকে সমর্থন অনেকেই মেনে নিতে পারছিলেন না। আফ্রিদিকে নিয়ে ইসরায়েলি সংগঠনটির দাবিকে কেন্দ্র করে তাই শোরগোল পড়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নর্থ-ওয়েস্ট ফ্রেন্ডস নামে ইসরায়েলপন্থী ওই সংগঠনটি তাদের দাবির পক্ষে সংগঠনটির কর্মীদের সঙ্গে আফ্রিদির একটি ছবিও পোস্ট করেছে। আর বলেছে—হামাসের কাছ থেকে জিম্মিদের ছাড়িয়ে আনতে তাদের দাবির সঙ্গে একাত্ম হয়েছেন আফ্রিদি। এমনকি তিনি একটি সমর্থনপত্রে স্বাক্ষর করেছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয় নিয়ে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তেজনা শুরু হলে ওই সংগঠনের দাবিকে অস্বীকার করেন আফ্রিদি। তিনি জানান, সংগঠনটির কর্মীরা তাঁকে দেখে সেলফি তোলার জন্য তাঁর কাছে গিয়েছিলেন। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ভক্তদের এমন আবদারে তিনি প্রায় সময়ই সাড়া দেন। ঘটনাটি ঠিক সেভাবে ঘটলেও এখন মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে আফ্রিদি লিখেছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপলোড করা সবকিছুকে বিশ্বাস করবেন না। আমি ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। সেই সময় ভক্ত সেজে কিছু লোক আমার সঙ্গে ছবি তুলেছে। পরে তারা ইহুদিদের আমি সমর্থন করেছি দাবি করে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছে।’
নিজের পোস্টে ফিলিস্তিনের নিরপরাধ মানুষের ওপর ইসরায়েল হামলা চালাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন সাবেক ক্রিকেটার। তিনি লিখেন, ‘গাজার পরিস্থিতি সত্যিই হৃদয়বিদারক। আমি শান্তির জন্য প্রার্থনা করি। এই যুদ্ধের অবসানের জন্য প্রার্থনা করি। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য প্রার্থনা করি।’
কিন্তু পালটা আরেক টুইট করে ইসরায়েলপন্থী সংগঠনটি বলেছে, ‘আমরা তাঁর কাছে যাইনি। আফ্রিদি নিজেই আমাদের কাছে এসেছিলেন। আমরা লিফলেট বিলি করছিলাম। উনি লিফলেট নেন। লিফলেট নিয়ে আমাদের সঙ্গে ছবি তোলেন। উনি আসলে একটা মুখোশ পরেছিলেন। সেই মুখোশ এবার খুলে গেছে।’
ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছে গত বছরের ৭ অক্টোবর। সেদিন ইসরায়েলে প্রবেশ করে সহস্রাধিক মানুষকে হত্যা করে গাজা নিয়ন্ত্রণ করা হামাস যোদ্ধারা। পাশাপাশি অপহরণ করে গাজায় নিয়ে জিম্মি করা হয় আরও দুই শতাধিক মানুষকে। এ ঘটনার জের ধরে সেদিন থেকে গাজার সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচার বোমাবর্ষণ ও হামলা করে যাচ্ছে ইসরায়েল। এসব হামলায় এখন পর্যন্ত গাজায় ৩৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশির ভাগ নারী ও শিশু বলে দাবি করে আসছে শহরটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

শুরুটা হয়েছে ইসরায়েলপন্থী একটি সংগঠনের দাবিকে কেন্দ্র করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠনটি হঠাৎ দাবি করে বসেছে, ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব সংঘাতের মধ্যে পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি ইসরায়েলকেই সমর্থন করেছেন। তবে আফ্রিদি অবশ্য এমন দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে এক পোস্টে তিনি উল্টো ফিলিস্তিনের পক্ষেই নিজের অবস্থান বোঝাতে চেয়েছেন।
ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের জের ধরে সারা পৃথিবীই এখন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এদের একদল ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করছেন, অন্যদিকে আরেক দল ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন দেখাচ্ছেন। তাঁদের কেউ কেউ আবার ইসরায়েলি পণ্য বয়কটেরও ডাক দিচ্ছেন। মুসলিমপ্রধান দেশ হিসেবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি এবং দেশটির সাধারণ মানুষ ঘোর ইসরায়েলবিরোধী। এর মধ্যে পাকিস্তানের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হয়ে শহীদ আফ্রিদির ইসরায়েলকে সমর্থন অনেকেই মেনে নিতে পারছিলেন না। আফ্রিদিকে নিয়ে ইসরায়েলি সংগঠনটির দাবিকে কেন্দ্র করে তাই শোরগোল পড়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নর্থ-ওয়েস্ট ফ্রেন্ডস নামে ইসরায়েলপন্থী ওই সংগঠনটি তাদের দাবির পক্ষে সংগঠনটির কর্মীদের সঙ্গে আফ্রিদির একটি ছবিও পোস্ট করেছে। আর বলেছে—হামাসের কাছ থেকে জিম্মিদের ছাড়িয়ে আনতে তাদের দাবির সঙ্গে একাত্ম হয়েছেন আফ্রিদি। এমনকি তিনি একটি সমর্থনপত্রে স্বাক্ষর করেছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয় নিয়ে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তেজনা শুরু হলে ওই সংগঠনের দাবিকে অস্বীকার করেন আফ্রিদি। তিনি জানান, সংগঠনটির কর্মীরা তাঁকে দেখে সেলফি তোলার জন্য তাঁর কাছে গিয়েছিলেন। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ভক্তদের এমন আবদারে তিনি প্রায় সময়ই সাড়া দেন। ঘটনাটি ঠিক সেভাবে ঘটলেও এখন মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে আফ্রিদি লিখেছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপলোড করা সবকিছুকে বিশ্বাস করবেন না। আমি ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। সেই সময় ভক্ত সেজে কিছু লোক আমার সঙ্গে ছবি তুলেছে। পরে তারা ইহুদিদের আমি সমর্থন করেছি দাবি করে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছে।’
নিজের পোস্টে ফিলিস্তিনের নিরপরাধ মানুষের ওপর ইসরায়েল হামলা চালাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন সাবেক ক্রিকেটার। তিনি লিখেন, ‘গাজার পরিস্থিতি সত্যিই হৃদয়বিদারক। আমি শান্তির জন্য প্রার্থনা করি। এই যুদ্ধের অবসানের জন্য প্রার্থনা করি। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য প্রার্থনা করি।’
কিন্তু পালটা আরেক টুইট করে ইসরায়েলপন্থী সংগঠনটি বলেছে, ‘আমরা তাঁর কাছে যাইনি। আফ্রিদি নিজেই আমাদের কাছে এসেছিলেন। আমরা লিফলেট বিলি করছিলাম। উনি লিফলেট নেন। লিফলেট নিয়ে আমাদের সঙ্গে ছবি তোলেন। উনি আসলে একটা মুখোশ পরেছিলেন। সেই মুখোশ এবার খুলে গেছে।’
ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছে গত বছরের ৭ অক্টোবর। সেদিন ইসরায়েলে প্রবেশ করে সহস্রাধিক মানুষকে হত্যা করে গাজা নিয়ন্ত্রণ করা হামাস যোদ্ধারা। পাশাপাশি অপহরণ করে গাজায় নিয়ে জিম্মি করা হয় আরও দুই শতাধিক মানুষকে। এ ঘটনার জের ধরে সেদিন থেকে গাজার সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচার বোমাবর্ষণ ও হামলা করে যাচ্ছে ইসরায়েল। এসব হামলায় এখন পর্যন্ত গাজায় ৩৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশির ভাগ নারী ও শিশু বলে দাবি করে আসছে শহরটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলা ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে কখনোই এক হতে পারেনি ইরানের বিভক্ত বিরোধী রাজনীতি। তবে এবার দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন সর্বশেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভি।
১ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ‘নিজের চরকায় তেল দেওয়ার’ পরামর্শ দিয়ে কঠোর তিরস্কার করেছে ভারত। দিল্লিতে কারাবন্দী সাবেক ছাত্রনেতা উমর খালিদকে সংহতি জানিয়ে একটি ব্যক্তিগত চিরকুট পাঠানোয় মামদানির ওপর চটেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে
সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এই কথিত পরিকল্পনাকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ ইউক্রেনীয়দের জীবনের প্রায় সব সিদ্ধান্তই পাল্টে দিয়েছে। সম্পর্ক, বিয়ে কিংবা সন্তান নেওয়ার মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও এখন যুদ্ধের বাস্তবতায় আটকে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যতের ওপর—ইউক্রেনে কমছে বিয়ে ও জন্মহার।
৩ ঘণ্টা আগে