
মুসলিমদের পবিত্র মাস রমজানের প্রথমার্ধ, অর্থাৎ প্রথম ১৫ দিনে মদিনার মসজিদে নববিতে নামাজ পড়েছেন প্রায় দেড় কোটি মানুষ। অর্থাৎ, এই ১৫ দিনে দেশ-বিদেশের প্রায় দেড় কোটি মানুষ ইসলাম ধর্মের অন্যতম পবিত্র এই স্থানে ভ্রমণ করেছেন। সৌদি আরব সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
কাবা শরিফ ও মসজিদে নববির তত্ত্বাবধায়ক জেনারেল অথোরিটি ফর কেয়ার অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টের তথ্য ও পরিসংখ্যানবিষয়ক শাখার প্রধানর সুলতান আল-বাদরি এ তথ্য জানিয়েছেন। মুসল্লিদের পবিত্র এই স্থানে বিভিন্ন পরিষেবার এক সুসমন্বিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সুলতান আল-বাদরি জানান, এই সময়ের মধ্যে মুসল্লি নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে নবী মুহাম্মদের (সা.) রওজা শরিফ জিয়ারত করেছেন। স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম আল-আখবারিয়া চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নুসুক অ্যাপ পবিত্র এই স্থানে প্রবেশের ভিড় নিয়ন্ত্রণে বেশ সহায়তা করেছে।
চন্দ্র বছরের হিসাব অনুসারে গত ১১ মার্চ সৌদি আরবে রোজা শুরু হয়েছে। সাধারণত এই সময়টাকে ওমরাহ ও নবীর রওজা জিয়ারতের জন্য উত্তম সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই সময়ে সৌদি আরবে ওমরাহ করতে যাওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা সারা বছরের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি থাকে। সাধারণত, ওমরাহ শেষে মুসল্লিরা নবীর রওজা জিয়ারতে যান।
এদিকে মসজিদে নববির দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ রোজার শুরু থেকেই সেখানে যাওয়া মুসল্লিদের মধ্যে ইফতার বিতরণ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, চলতি রমজান মাসে মসজিদে নববিতে অন্তত ৮৫ লাখ প্যাকেট ইফতার বিতরণ করা হবে।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৩ ঘণ্টা আগে