
পারস্য উপসাগরীয় দেশ কুয়েতে ৯৩০ জনের নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশটির নাগরিকত্ব যাচাই বিষয়ক একটি রাষ্ট্রায়ত্ত কমিটি যাচাই-বাছাইয়ের পর একদিনে রেকর্ড এতবড় সংখ্যক মানুষের নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আরব আমিরাত ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
কুয়েতি নাগরিকত্ব যাচাই বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন এটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদের কাছে পাঠানো হবে।
সর্বশেষ এই ৯৩০ জনের নাগরিকত্ব বাতিল হলে গত ২০ দিনে কুয়েতি নাগরিকত্ব বাতিলের সংখ্যা দাঁড়াবে ১ হাজার ৬১৭ জনে।
কুয়েতি নাগরিকত্ব যাচাই বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের কমিটির প্রধান দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ফাহদ আল ইউসেফ। প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বেও থাকা ইউসেফ বলেছেন, এটি আসলেই অনেক বড় সংখ্যা।
ফাহদ আল ইউসেফ কুয়েতি পত্রিকা আল রাইকে বলেছেন, তালিভুক্তরা সবাই বহিস্কারযোগ্য ও তাঁদের মামলা সুস্পষ্ট। আমরা কারো প্রতি অবিচার করছি না। আমরা শুধু কুয়েত ও কুয়েতের জনগণের ওপর থেকে অবিচার দূর করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘নাগরিকত্ব প্রদান নিয়ে যা ঘটেছে—তা কুয়েতের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অপরাধগুলোর একটি। এই অপরাধ চলতে দেওয়া যায় না।’
ফাহদ আল ইউসেফ বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, নাগরিকত্ব বাতিলের ৯৩০ মামলার মধ্যে দুজন সিরিয়ান আছেন। এটি অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, কুয়েতে তাঁরা ভাই ও সিরিয়ায় কাজিন। তাঁরা জালিয়াতির মাধ্যমে কুয়েতি নাগরিকত্ব নিয়েছেন। তাঁদের মাধ্যমে আরও ১৩২ জন অবৈধভাবে নাগরিকত্ব পেয়েছে।’
আল ইউসেফ আরও জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব বাতিল সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণের জন্য কুয়েতের জেনারেল ডিরেক্টরেট অব ন্যাশনালিটিতে একটি কমিটি গঠন করা হবে।
প্রায় ৪ দশমিক ৯ মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ কুয়েতের বেশিরভাগই প্রবাসী। দেশটি সম্প্রতি জাতীয় পরিচয় সুরক্ষার উদ্দেশ্য নাগরিকত্ব জালিয়াতি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
কুয়েতি আইন অনুযায়ী, নিষিদ্ধ দ্বৈত নাগরিকত্ব বা প্রতারণার মাধ্যমে নাগরিকত্ব অর্জনের কারণে মার্চ থেকে কয়েক’শ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি হটলাইন চালু করেছে, যেখানে দ্বৈত নাগরিকত্বধারী বা প্রতারণার মাধ্যমে নাগরিকত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়া যাবে। মন্ত্রণালয় জনগণকে এ সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছে এবং তথ্য প্রদানকারীদের গোপনীয়তা রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

পারস্য উপসাগরীয় দেশ কুয়েতে ৯৩০ জনের নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশটির নাগরিকত্ব যাচাই বিষয়ক একটি রাষ্ট্রায়ত্ত কমিটি যাচাই-বাছাইয়ের পর একদিনে রেকর্ড এতবড় সংখ্যক মানুষের নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আরব আমিরাত ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
কুয়েতি নাগরিকত্ব যাচাই বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন এটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদের কাছে পাঠানো হবে।
সর্বশেষ এই ৯৩০ জনের নাগরিকত্ব বাতিল হলে গত ২০ দিনে কুয়েতি নাগরিকত্ব বাতিলের সংখ্যা দাঁড়াবে ১ হাজার ৬১৭ জনে।
কুয়েতি নাগরিকত্ব যাচাই বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের কমিটির প্রধান দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ফাহদ আল ইউসেফ। প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বেও থাকা ইউসেফ বলেছেন, এটি আসলেই অনেক বড় সংখ্যা।
ফাহদ আল ইউসেফ কুয়েতি পত্রিকা আল রাইকে বলেছেন, তালিভুক্তরা সবাই বহিস্কারযোগ্য ও তাঁদের মামলা সুস্পষ্ট। আমরা কারো প্রতি অবিচার করছি না। আমরা শুধু কুয়েত ও কুয়েতের জনগণের ওপর থেকে অবিচার দূর করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘নাগরিকত্ব প্রদান নিয়ে যা ঘটেছে—তা কুয়েতের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অপরাধগুলোর একটি। এই অপরাধ চলতে দেওয়া যায় না।’
ফাহদ আল ইউসেফ বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, নাগরিকত্ব বাতিলের ৯৩০ মামলার মধ্যে দুজন সিরিয়ান আছেন। এটি অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, কুয়েতে তাঁরা ভাই ও সিরিয়ায় কাজিন। তাঁরা জালিয়াতির মাধ্যমে কুয়েতি নাগরিকত্ব নিয়েছেন। তাঁদের মাধ্যমে আরও ১৩২ জন অবৈধভাবে নাগরিকত্ব পেয়েছে।’
আল ইউসেফ আরও জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব বাতিল সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণের জন্য কুয়েতের জেনারেল ডিরেক্টরেট অব ন্যাশনালিটিতে একটি কমিটি গঠন করা হবে।
প্রায় ৪ দশমিক ৯ মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ কুয়েতের বেশিরভাগই প্রবাসী। দেশটি সম্প্রতি জাতীয় পরিচয় সুরক্ষার উদ্দেশ্য নাগরিকত্ব জালিয়াতি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
কুয়েতি আইন অনুযায়ী, নিষিদ্ধ দ্বৈত নাগরিকত্ব বা প্রতারণার মাধ্যমে নাগরিকত্ব অর্জনের কারণে মার্চ থেকে কয়েক’শ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি হটলাইন চালু করেছে, যেখানে দ্বৈত নাগরিকত্বধারী বা প্রতারণার মাধ্যমে নাগরিকত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়া যাবে। মন্ত্রণালয় জনগণকে এ সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছে এবং তথ্য প্রদানকারীদের গোপনীয়তা রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে