
ইসরায়েলে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ করছে হাজার হাজার মানুষ। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের বিচার বিভাগীয় সংস্কার পরিকল্পনার বিরুদ্ধেই এই বিক্ষোভ। এরই মধ্যে বিক্ষোভ গড়িয়েছে পঞ্চম সপ্তাহে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় শহর তেল আবিবে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়। এ সময় ইসরায়েলের পতাকা বহন করে এবং নেতানিয়াহু সরকারের বিচারমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় তারা। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অন্তত ২০টি শহরে।
গত বছরের নভেম্বরে ইসরায়েলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ডিসেম্বরে সরকার গঠনের পর বিচার বিভাগ সংস্কারের ঘোষণা দেন নেতানিয়াহু। তবে এই নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করেছেন বিরোধী বামপন্থীরা। নির্বাচনের পর থেকেই তাঁরা বিক্ষোভ করছেন। পরে বামপন্থীদের বিক্ষোভে যোগ দেন আইনজীবী, ব্যবসায়ীসহ হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বিচার বিভাগ সংস্কারের মধ্য দিয়ে সরকার বা নেসেট (দেশটির পার্লামেন্ট) সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করবে। ফলে বিচারকদের স্বাধীনতা থাকবে না। এ ছাড়া সংখ্যালঘুদের অধিকার ক্ষুণ্ন হবে এবং দুর্নীতি বাড়তে থাকবে। সব মিলিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই হুমকিতে পড়বে।
ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতেই নেতানিয়াহু এমন অপকৌশল হাতে নিয়েছেন বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের। তিনি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তাঁরা।
গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিচার চলছে। বিক্ষোভকারীদের ধারণা, নিজেকে আইনি শাস্তির হাত থেকে বাঁচাতেই তিনি বিচার বিভাগের সংস্কার করতে চাইছেন। তবে নেতানিয়াহু এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ইসরায়েলে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ করছে হাজার হাজার মানুষ। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের বিচার বিভাগীয় সংস্কার পরিকল্পনার বিরুদ্ধেই এই বিক্ষোভ। এরই মধ্যে বিক্ষোভ গড়িয়েছে পঞ্চম সপ্তাহে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় শহর তেল আবিবে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়। এ সময় ইসরায়েলের পতাকা বহন করে এবং নেতানিয়াহু সরকারের বিচারমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় তারা। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অন্তত ২০টি শহরে।
গত বছরের নভেম্বরে ইসরায়েলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ডিসেম্বরে সরকার গঠনের পর বিচার বিভাগ সংস্কারের ঘোষণা দেন নেতানিয়াহু। তবে এই নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করেছেন বিরোধী বামপন্থীরা। নির্বাচনের পর থেকেই তাঁরা বিক্ষোভ করছেন। পরে বামপন্থীদের বিক্ষোভে যোগ দেন আইনজীবী, ব্যবসায়ীসহ হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বিচার বিভাগ সংস্কারের মধ্য দিয়ে সরকার বা নেসেট (দেশটির পার্লামেন্ট) সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করবে। ফলে বিচারকদের স্বাধীনতা থাকবে না। এ ছাড়া সংখ্যালঘুদের অধিকার ক্ষুণ্ন হবে এবং দুর্নীতি বাড়তে থাকবে। সব মিলিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই হুমকিতে পড়বে।
ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতেই নেতানিয়াহু এমন অপকৌশল হাতে নিয়েছেন বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের। তিনি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তাঁরা।
গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিচার চলছে। বিক্ষোভকারীদের ধারণা, নিজেকে আইনি শাস্তির হাত থেকে বাঁচাতেই তিনি বিচার বিভাগের সংস্কার করতে চাইছেন। তবে নেতানিয়াহু এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ ও আটকের ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছে ইসরায়েল। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার এই অভিযানকে বিশ্ব রাজনীতির একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রথম ছবি প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশিত ওই ছবিতে মাদুরোকে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজের ডেকে বন্দী অবস্থায় দেখা যায়।
১ ঘণ্টা আগে
১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
২ ঘণ্টা আগে