
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফাহে ইসরায়েলি হামলা ‘হত্যাযজ্ঞ’ ঘটাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তা মার্টিন গ্রিফিথস। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংক্রান্ত সংস্থার প্রধান মার্টিন গ্রিফিথস বলেন, গাজায় ফিলিস্তিনিরা ইতিমধ্যেই এমন একটি হামলার শিকার হচ্ছে যার তীব্রতা, বর্বরতা এবং পরিধির সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে না।
রাফাহ আক্রমণের পরিণতি বিপর্যয়কর হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
রাফাহে ইসরায়েলি হামলার কড়া সমালোচনা করেছেন গ্রিফিথস। তিনি বলেন, ‘দশ লাখেরও বেশি মানুষ রাফাহে আটকে আছে। তারা মৃত্যুর দিকে তাকিয়ে আছে। রাফাহে বেসামরিক মানুষেরা খাবার এবং ওষুধের অভাবের মধ্যে রয়েছে। কোনো স্থানই তাদের জন্য নিরাপদ নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যেই মৃত্যুর দুয়ারে দাঁড়িয়ে থাকা রাফাহ শহরে মানবিক সহায়তা দেওয়ার অভিযানকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেবে ইসরায়েলি আগ্রাসন।’
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টেফানি ডুগারি বলেছেন, জাতিসংঘ ইসরায়েলের কাছ থেকে রাফাহ থেকে বেসামরিকদের উচ্ছেদের কোনো পরিকল্পনা পায়নি এবং কোনো জোরপূর্বক উচ্ছেদেও তারা (জাতিসংঘ) অংশ নেবে না।
গাজার উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা ইসরায়েলি আক্রমণের মুখে আশ্রয় নিয়েছিলেন দক্ষিণের শহর রাফাহে। যুদ্ধ শুরুর আগে শহরটি ছিল প্রায় আড়াই লাখ মানুষের বসবাস। তবে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে উপত্যকাটির অর্ধেকের বেশি মানুষ অর্থাৎ, প্রায় ১৫ লাখ মানুষ রাফাহে আশ্রয় নিয়েছে।
রাফাহে আশ্রয় নেওয়া মানুষেরা তাঁবুতে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের যাওয়ার মতো নেই কোনো নিরাপদ জায়গা। সম্প্রতি শহরটিতে তীব্র মাত্রার বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গত সোমবার পর্যন্ত সেখানে কমপক্ষে ৬৭ জন নিহত হয়েছেন।
মার্টিন গ্রিফিথস আরও বলেন, রাফাহে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হওয়ায় সেখানে কাজ করা মানবিক সহায়তা দেওয়া কর্মীদের গুলি করা হচ্ছে। তাদের বন্দুকের মুখে রেখে হত্যা করা হচ্ছে।
কায়রোতে যখন ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছিল তখনই আসে গ্রিফিথসের বিবৃতি। অবশ্য ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতারের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের এই বৈঠকে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। বৈঠকের সময় বাড়ানো হয়েছে আরও তিন দিন।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফাহে ইসরায়েলি হামলা ‘হত্যাযজ্ঞ’ ঘটাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তা মার্টিন গ্রিফিথস। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংক্রান্ত সংস্থার প্রধান মার্টিন গ্রিফিথস বলেন, গাজায় ফিলিস্তিনিরা ইতিমধ্যেই এমন একটি হামলার শিকার হচ্ছে যার তীব্রতা, বর্বরতা এবং পরিধির সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে না।
রাফাহ আক্রমণের পরিণতি বিপর্যয়কর হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
রাফাহে ইসরায়েলি হামলার কড়া সমালোচনা করেছেন গ্রিফিথস। তিনি বলেন, ‘দশ লাখেরও বেশি মানুষ রাফাহে আটকে আছে। তারা মৃত্যুর দিকে তাকিয়ে আছে। রাফাহে বেসামরিক মানুষেরা খাবার এবং ওষুধের অভাবের মধ্যে রয়েছে। কোনো স্থানই তাদের জন্য নিরাপদ নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যেই মৃত্যুর দুয়ারে দাঁড়িয়ে থাকা রাফাহ শহরে মানবিক সহায়তা দেওয়ার অভিযানকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেবে ইসরায়েলি আগ্রাসন।’
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টেফানি ডুগারি বলেছেন, জাতিসংঘ ইসরায়েলের কাছ থেকে রাফাহ থেকে বেসামরিকদের উচ্ছেদের কোনো পরিকল্পনা পায়নি এবং কোনো জোরপূর্বক উচ্ছেদেও তারা (জাতিসংঘ) অংশ নেবে না।
গাজার উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা ইসরায়েলি আক্রমণের মুখে আশ্রয় নিয়েছিলেন দক্ষিণের শহর রাফাহে। যুদ্ধ শুরুর আগে শহরটি ছিল প্রায় আড়াই লাখ মানুষের বসবাস। তবে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে উপত্যকাটির অর্ধেকের বেশি মানুষ অর্থাৎ, প্রায় ১৫ লাখ মানুষ রাফাহে আশ্রয় নিয়েছে।
রাফাহে আশ্রয় নেওয়া মানুষেরা তাঁবুতে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের যাওয়ার মতো নেই কোনো নিরাপদ জায়গা। সম্প্রতি শহরটিতে তীব্র মাত্রার বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গত সোমবার পর্যন্ত সেখানে কমপক্ষে ৬৭ জন নিহত হয়েছেন।
মার্টিন গ্রিফিথস আরও বলেন, রাফাহে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হওয়ায় সেখানে কাজ করা মানবিক সহায়তা দেওয়া কর্মীদের গুলি করা হচ্ছে। তাদের বন্দুকের মুখে রেখে হত্যা করা হচ্ছে।
কায়রোতে যখন ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছিল তখনই আসে গ্রিফিথসের বিবৃতি। অবশ্য ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতারের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের এই বৈঠকে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। বৈঠকের সময় বাড়ানো হয়েছে আরও তিন দিন।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
৮ ঘণ্টা আগে