
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মুখপাত্র আব্দেল লতিফ আল-কানুয়া। উত্তর গাজার জাবালিয়ায় এক শরণার্থীশিবিরে ইসরায়েলি বোমা হামলায় প্রাণ হারান এই নেতা। আজ বৃহস্পতিবার কানুয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আল-কুদ্স নিউজ নেটওয়ার্ক। প্রকাশ করা হয়েছে তাঁর মরদেহের ছবিও।
যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে গত ১৮ মার্চ ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় হামলা শুরুর পর থেকে বেসামরিক নাগরিকদের পাশাপাশি হামাস ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। গত ২৩ মার্চ ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন খান ইউনিসের শিক্ষা বিভাগের প্রধান সুপারভাইজার জিহাদ আল-আঘা। স্ত্রী ও ৩ সন্তান নিয়ে তিনি নিজ বাড়িতেই ছিলেন। বাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে সপরিবারে তাঁকে হত্যা করে ইসরায়েলি সেনারা।
এক দিন পর ২৪ মার্চ ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন মানার আবু খাতের নামের আরও এক সরকারি কর্মকর্তা। তিনি খান ইউনিস শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফের হামলায় প্রাণ হারায় তাঁর দুই পুত্রও।
এ দুই সরকারি কর্মকর্তাকে হামলার লক্ষ্যবস্তু বানানোর তীব্র নিন্দা করেছে মানবাধিকার সংস্থা ইউরো মেডিটারেনিয়ান হিউম্যান রাইটস মনিটর। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, ‘কোনো ব্যক্তি কেবল প্রশাসনিক বা বেসামরিক পদে অধিষ্ঠিত থাকার কারণে তাঁদের বেসামরিক মর্যাদা হারান না বা আক্রমণের বৈধ লক্ষ্য হয়ে যান না, যদি না তাঁরা সক্রিয়ভাবে এবং ধারাবাহিকভাবে শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকেন, যা আল-আঘা বা আবু খাতেরের ক্ষেত্রে ঘটেনি।’
এই দুজন ছাড়াও ১৮ মার্চ শুরু হওয়া অভিযানে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন আরও চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, যাঁরা বিচার বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগে কর্মরত ছিলেন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১০ হামাস নেতার। তাঁরা হলেন সংগঠনটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ইসমাইল বারহৌম, সালাহ আল বারদাওয়েল, সাবেক হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়ে, সাবেক হামাস প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার, সালেহ আল সারাহ, মারওয়ান ইস্সা, জাকারিয়া মুয়াম্মার, জামিলা আশ-শান্তি এবং জাওয়াদ আবু শাম্মালা।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মুখপাত্র আব্দেল লতিফ আল-কানুয়া। উত্তর গাজার জাবালিয়ায় এক শরণার্থীশিবিরে ইসরায়েলি বোমা হামলায় প্রাণ হারান এই নেতা। আজ বৃহস্পতিবার কানুয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আল-কুদ্স নিউজ নেটওয়ার্ক। প্রকাশ করা হয়েছে তাঁর মরদেহের ছবিও।
যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে গত ১৮ মার্চ ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় হামলা শুরুর পর থেকে বেসামরিক নাগরিকদের পাশাপাশি হামাস ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। গত ২৩ মার্চ ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন খান ইউনিসের শিক্ষা বিভাগের প্রধান সুপারভাইজার জিহাদ আল-আঘা। স্ত্রী ও ৩ সন্তান নিয়ে তিনি নিজ বাড়িতেই ছিলেন। বাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে সপরিবারে তাঁকে হত্যা করে ইসরায়েলি সেনারা।
এক দিন পর ২৪ মার্চ ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন মানার আবু খাতের নামের আরও এক সরকারি কর্মকর্তা। তিনি খান ইউনিস শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফের হামলায় প্রাণ হারায় তাঁর দুই পুত্রও।
এ দুই সরকারি কর্মকর্তাকে হামলার লক্ষ্যবস্তু বানানোর তীব্র নিন্দা করেছে মানবাধিকার সংস্থা ইউরো মেডিটারেনিয়ান হিউম্যান রাইটস মনিটর। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, ‘কোনো ব্যক্তি কেবল প্রশাসনিক বা বেসামরিক পদে অধিষ্ঠিত থাকার কারণে তাঁদের বেসামরিক মর্যাদা হারান না বা আক্রমণের বৈধ লক্ষ্য হয়ে যান না, যদি না তাঁরা সক্রিয়ভাবে এবং ধারাবাহিকভাবে শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকেন, যা আল-আঘা বা আবু খাতেরের ক্ষেত্রে ঘটেনি।’
এই দুজন ছাড়াও ১৮ মার্চ শুরু হওয়া অভিযানে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন আরও চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, যাঁরা বিচার বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগে কর্মরত ছিলেন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১০ হামাস নেতার। তাঁরা হলেন সংগঠনটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ইসমাইল বারহৌম, সালাহ আল বারদাওয়েল, সাবেক হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়ে, সাবেক হামাস প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার, সালেহ আল সারাহ, মারওয়ান ইস্সা, জাকারিয়া মুয়াম্মার, জামিলা আশ-শান্তি এবং জাওয়াদ আবু শাম্মালা।

১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
৩৩ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
১ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সরাসরি সশস্ত্র আগ্রাসনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে মাদুরোকে অপহরণ করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি একটি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর...
৩ ঘণ্টা আগে
নজিরবিহীন সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে স্ত্রীসহ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে নেওয়ার পর তাকে মাদক ও অস্ত্রের মামলায় অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। আজ শনিবার নিউইয়র্কের সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে তাকে অভিযুক্ত করা হয় বলে জানান মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি।
৩ ঘণ্টা আগে