
গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরের প্রথম দিনে ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী গোষ্ঠী হামাস তিনজন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়ে রেডক্রসের হাতে তুলে দিয়েছে। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এই মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আজ রোববার বেলা ১১টায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পর হাজারো গৃহহীন ফিলিস্তিনি নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। গণমাধ্যমে আসা ছবিতে দেখা গেছে, লাইন ধরে ফিলিস্তিনিরা বাড়ির পথে হাঁটছে। কেউ আবার গাড়ির কনভয়ে চড়ে ফিরে যাচ্ছে।
হামাস জানিয়েছে, বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় রমি গোনেন (২৪), এমিলি দমারি (২৮) এবং দোরোন স্টেইব্রেচার খায়েরকে (৩১) মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই বন্দীদের গাজা থেকে বের করে আনতে রেডক্রসের একটি দল দুপুরেই কাজ শুরু করেছিল।
রোববার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নিশ্চিত করেছে, হামাস এই তিনজনকে মুক্তি দিয়েছে এবং তারা ইতিমধ্যে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ফিরেছে।
আইডিএফ ‘এক্স’ হ্যান্ডেলের এক পোস্টে লিখেছে, ‘তারা বাড়ি ফিরেছে’। একই সঙ্গে মুক্তিপ্রাপ্ত জিম্মিদের একটি ছবি শেয়ার করেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিটি ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তির বিনিময়ে ৩০ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হবে। সেই হিসাবে রোববারই ৯০ জন ফিলিস্তিনি বন্দী মুক্তি পাওয়ার কথা। তবে ইসরায়েল এখনো মুক্তি পাওয়া বন্দীদের তালিকা প্রকাশ করেনি।
ইসরায়েলে বন্দী থাকা ফিলিস্তিনিদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছে। হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, মুক্তিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি বন্দীদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য খান ইউনিসের গাজা ইউরোপীয় হাসপাতালে পাঠানো হবে।
এদিকে যুদ্ধবিরতির ফলে গাজায় অস্থায়ী শান্তি ফিরে এসেছে। তবে বন্দিবিনিময় প্রক্রিয়ার সফল বাস্তবায়নের ওপর এ শান্তির স্থায়িত্ব নির্ভর করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরের প্রথম দিনে ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী গোষ্ঠী হামাস তিনজন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়ে রেডক্রসের হাতে তুলে দিয়েছে। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এই মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আজ রোববার বেলা ১১টায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পর হাজারো গৃহহীন ফিলিস্তিনি নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। গণমাধ্যমে আসা ছবিতে দেখা গেছে, লাইন ধরে ফিলিস্তিনিরা বাড়ির পথে হাঁটছে। কেউ আবার গাড়ির কনভয়ে চড়ে ফিরে যাচ্ছে।
হামাস জানিয়েছে, বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় রমি গোনেন (২৪), এমিলি দমারি (২৮) এবং দোরোন স্টেইব্রেচার খায়েরকে (৩১) মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই বন্দীদের গাজা থেকে বের করে আনতে রেডক্রসের একটি দল দুপুরেই কাজ শুরু করেছিল।
রোববার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নিশ্চিত করেছে, হামাস এই তিনজনকে মুক্তি দিয়েছে এবং তারা ইতিমধ্যে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ফিরেছে।
আইডিএফ ‘এক্স’ হ্যান্ডেলের এক পোস্টে লিখেছে, ‘তারা বাড়ি ফিরেছে’। একই সঙ্গে মুক্তিপ্রাপ্ত জিম্মিদের একটি ছবি শেয়ার করেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিটি ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তির বিনিময়ে ৩০ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হবে। সেই হিসাবে রোববারই ৯০ জন ফিলিস্তিনি বন্দী মুক্তি পাওয়ার কথা। তবে ইসরায়েল এখনো মুক্তি পাওয়া বন্দীদের তালিকা প্রকাশ করেনি।
ইসরায়েলে বন্দী থাকা ফিলিস্তিনিদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছে। হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, মুক্তিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি বন্দীদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য খান ইউনিসের গাজা ইউরোপীয় হাসপাতালে পাঠানো হবে।
এদিকে যুদ্ধবিরতির ফলে গাজায় অস্থায়ী শান্তি ফিরে এসেছে। তবে বন্দিবিনিময় প্রক্রিয়ার সফল বাস্তবায়নের ওপর এ শান্তির স্থায়িত্ব নির্ভর করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৬ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
১০ ঘণ্টা আগে