
ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তেহরানে আয়োজিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান তার আত্মরক্ষায় বদ্ধপরিকর এবং প্রয়োজনে এই যুদ্ধকে যেকোনো সীমা পর্যন্ত টেনে নিতে প্রস্তুত।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, ‘আমি মনে করি এতক্ষণে তারা (ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র) ভালো শিক্ষা পেয়েছে এবং বুঝতে পেরেছে তারা কেমন জাতির মোকাবিলা করছে। ইরান নিজের রক্ষায় সামান্যতম দ্বিধা করবে না। আমাদের জাতি যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং যুদ্ধের শেষ সীমা পর্যন্ত যেতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’
আরাঘচি তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, যুদ্ধের পরিস্থিতি যেখানেই গিয়ে ঠেকুক না কেন, ইরান পিছপা হবে না। তিনি মনে করেন, ইরানের সামরিক শক্তি এবং জনগণের মনোবল ইতিমধ্যেই শত্রুপক্ষকে একটি স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। তেহরান চায় না যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ুক, তবে চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের ক্ষেত্রে তারা কোনো ধরনের ছাড় দিতে রাজি নয়।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। গাজা ও লেবানন পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল, আরাঘচির এই ‘যেকোনো সীমা পর্যন্ত’ যাওয়ার ঘোষণা সেই উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করল।

ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে গত মঙ্গলবার মার্কিন নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ কয়েক ঘণ্টার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ফলে, জাহাজটির প্রপালশন অর্থাৎ, ইঞ্জিনও বন্ধ হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে ঘটনাটিকে জাহাজের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায়...
১ ঘণ্টা আগে
মাত্র এক দিনের মধ্যে ইসরায়েলে ৬ হাজার ৫০০ টন অস্ত্র-গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম ইসরায়েলে পৌঁছেছে। এর সব কটি এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। এ ছাড়া গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর, অর্থাৎ মাত্র দুই মাসে ইসরায়েলে ১ লাখ ১৫ হাজার টনের বেশি অস্ত্র-গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
এপস্টেইনের এই তথাকথিত মসজিদটির স্থাপত্যও ছিল রহস্যময়। তিনি উজবেকিস্তান থেকে মসজিদের টাইলস আনিয়েছিলেন এবং সিরিয়ার ১৫শ শতাব্দীর ‘ইয়ালবুঘা হাম্মাম’ বা স্নানাগারের আদলে সোনালি গম্বুজ তৈরি করেছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
অ্যাডমিরাল এরকুমেন্ত তাতলোইগুর এই বক্তব্য থেকে ধারণা করা হচ্ছে, জাহাজটির হুল বা মূল কাঠামোর নির্মাণকাজ ঘোষিত সময়সূচির প্রায় এক বছর আগেই শেষ হবে। দেশটির ইতিহাসে নির্মিত সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজটি প্রায় ৬০ হাজার টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন হবে এবং এর দৈর্ঘ্য হবে ২৮৫ মিটার।
৪ ঘণ্টা আগে