
সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী ইউক্রেনীয় তরুণী দারিয়া কোতসারেনকো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন কিছুদিন আগেই। তবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের অল্প সময় পর হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয় ২৯ বছরের এই তরুণীর। মৃত্যুর পর তাঁর জানাজায় উপস্থিত হয়েছিলেন হাজারো মানুষ। যার অধিকাংশই দারিয়াকে চেনেন না। কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ব্যাপারে শুনে জানাজায় হাজির হয়েছিলেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৫ মার্চ অর্থাৎ ১৫ রমজান ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে গত ২৯ মার্চ অর্থাৎ শুক্রবার তিনি মারা যান। তিনি আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একা থাকতেন।
স্থানীয় ইমাম ও ইসলামি কনটেন্ট ক্রিয়েটর ফারিস আল-হাম্মাদি জানিয়েছেন, দারিয়া প্রথম দুবাইয়ে আসেন ৩ বছর আগে। সে সময়ই তিনি স্থানীয় সংস্কৃতি ও ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে এই বিষয়ে তিনি বিস্তর পড়ালেখা করেন এবং স্থানীয় আলেমদের কাছে নানা বিষয়ে জানতে চান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইসলামের বিষয়ে গভীর জ্ঞানার্জনের চেষ্টা চালান।
দারিয়ার ব্যাপারে মন্তব্য করতে গিয়ে ফারিস আল-হাম্মাদি বলেন, ‘ইসলাম গ্রহণের আগেও দারিয়া বিনয়ের জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি একটি নৈতিক জীবনযাপন করতেন। তাঁর কোনো হারাম সম্পর্ক ছিল না ও তিনি সব সময় শালীন পোশাক পরতেন। তিনি অ্যালকোহল ও অন্যান্য নিষিদ্ধ কার্যকলাপ থেকেও বিরত ছিলেন।’
ফারিস আল-হাম্মাদি জানান, ইমাম দারিয়ার প্রশংসা করে আরও বলেছেন, তাঁর ইসলাম গ্রহণ ও এর নীতির প্রতি আনুগত্য ছিল প্রশংসনীয়। সব মিলিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে দারিয়া দুবাইয়ের লোকজনের মধ্যে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন।
দুবাইয়ে দারিয়ার কোনো আত্মীয়স্বজন বা পরিবার পরিজন ছিল না। তবে তারপরও তাঁর জানাজায় হাজারো মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন। গত শুক্রবারই তাঁকে দুবাইয়ের আল-কুবাইস কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে ধর্ম-নির্বিশেষে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকে।
ফারিস আল-হাম্মাদিই দারিয়াকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিষয়ে যাবতীয় সহযোগিতা করেন। এক ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন, দারিয়া ইসলাম ধর্মের বিষয়ে যেসব জ্ঞান অর্জন করেছেন তিনি তার ওপর দৃঢ় ও অবিচল ছিলেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী ইউক্রেনীয় তরুণী দারিয়া কোতসারেনকো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন কিছুদিন আগেই। তবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের অল্প সময় পর হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয় ২৯ বছরের এই তরুণীর। মৃত্যুর পর তাঁর জানাজায় উপস্থিত হয়েছিলেন হাজারো মানুষ। যার অধিকাংশই দারিয়াকে চেনেন না। কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ব্যাপারে শুনে জানাজায় হাজির হয়েছিলেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৫ মার্চ অর্থাৎ ১৫ রমজান ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে গত ২৯ মার্চ অর্থাৎ শুক্রবার তিনি মারা যান। তিনি আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একা থাকতেন।
স্থানীয় ইমাম ও ইসলামি কনটেন্ট ক্রিয়েটর ফারিস আল-হাম্মাদি জানিয়েছেন, দারিয়া প্রথম দুবাইয়ে আসেন ৩ বছর আগে। সে সময়ই তিনি স্থানীয় সংস্কৃতি ও ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে এই বিষয়ে তিনি বিস্তর পড়ালেখা করেন এবং স্থানীয় আলেমদের কাছে নানা বিষয়ে জানতে চান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইসলামের বিষয়ে গভীর জ্ঞানার্জনের চেষ্টা চালান।
দারিয়ার ব্যাপারে মন্তব্য করতে গিয়ে ফারিস আল-হাম্মাদি বলেন, ‘ইসলাম গ্রহণের আগেও দারিয়া বিনয়ের জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি একটি নৈতিক জীবনযাপন করতেন। তাঁর কোনো হারাম সম্পর্ক ছিল না ও তিনি সব সময় শালীন পোশাক পরতেন। তিনি অ্যালকোহল ও অন্যান্য নিষিদ্ধ কার্যকলাপ থেকেও বিরত ছিলেন।’
ফারিস আল-হাম্মাদি জানান, ইমাম দারিয়ার প্রশংসা করে আরও বলেছেন, তাঁর ইসলাম গ্রহণ ও এর নীতির প্রতি আনুগত্য ছিল প্রশংসনীয়। সব মিলিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে দারিয়া দুবাইয়ের লোকজনের মধ্যে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন।
দুবাইয়ে দারিয়ার কোনো আত্মীয়স্বজন বা পরিবার পরিজন ছিল না। তবে তারপরও তাঁর জানাজায় হাজারো মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন। গত শুক্রবারই তাঁকে দুবাইয়ের আল-কুবাইস কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে ধর্ম-নির্বিশেষে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকে।
ফারিস আল-হাম্মাদিই দারিয়াকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিষয়ে যাবতীয় সহযোগিতা করেন। এক ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন, দারিয়া ইসলাম ধর্মের বিষয়ে যেসব জ্ঞান অর্জন করেছেন তিনি তার ওপর দৃঢ় ও অবিচল ছিলেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৬ ঘণ্টা আগে