আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইসরায়েল গত শুক্রবার ইরানে হামলার পর তেহরান খুব একটা শক্তভাবে জবাব দেয়নি। কিন্তু গতকাল রোববার থেকে ইরান যেন তেড়েফুঁড়ে ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সহযোগে হামলা চালাচ্ছে। ইসরায়েলি ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ধ্বংসযজ্ঞের ছবি প্রকাশিত হয়েছে। তবে ইসরায়েল দাবি করেছে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ৮০-৯০ শতাংশই ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাত্র ১০-২০ শতাংশ আঘাত হানতে পেরেছে। এ ছাড়া, ইরানি হামলায় ইসরায়েলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, আজ সোমবার দখলদার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরোধের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। আইডিএফ দাবি করেছে, তারা ৮০-৯০ শতাংশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। মাত্র ১০-২০ শতাংশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
এদিকে, রোববার দিবাগত মধ্যরাতে ইরানি হামলায় আরও আট ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর ফলে নিহতের মোট সংখ্যা ২৪ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়া, নিখোঁজ আরও একজনকে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মৃত ঘোষণা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আজ সোমবার ভোর ৪টায় প্রায় ৪০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের একটি ঝাঁক ইসরায়েলে আঘাত হানে। এ নিয়ে ইসরায়েলের দিকে ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মোট সংখ্যা প্রায় ৩৫০-এ দাঁড়িয়েছে। এসব হামলায় তেল আবিব, পেটাচ টিকভা এবং বেনি ব্রাকে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে।
এখন পর্যন্ত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাগুলো গুশ ডান, তেল আবিব, মধ্য ইসরায়েল, হাইফা এবং বির শেবা এলাকায় কেন্দ্রীভূত ছিল। আইডিএফ জানিয়েছে, ইসরায়েলি বিমানবাহিনী ইরানের কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী এবং অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সফল হয়েছে, যার ফলে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের গতি কমে এসেছে। আগে যেখানে একবারে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হতো, এখন সেখানে একবারে ডজন খানেক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হচ্ছে।
আইডিএফ আরও বলেছে, তারা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল সমন্বয় করছে এবং ইরান কীভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করছে। একই সঙ্গে, ইরানও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পরাস্ত করার চেষ্টা করে তাদের কৌশলে পরিবর্তন আনছে।

ইসরায়েল গত শুক্রবার ইরানে হামলার পর তেহরান খুব একটা শক্তভাবে জবাব দেয়নি। কিন্তু গতকাল রোববার থেকে ইরান যেন তেড়েফুঁড়ে ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সহযোগে হামলা চালাচ্ছে। ইসরায়েলি ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ধ্বংসযজ্ঞের ছবি প্রকাশিত হয়েছে। তবে ইসরায়েল দাবি করেছে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ৮০-৯০ শতাংশই ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাত্র ১০-২০ শতাংশ আঘাত হানতে পেরেছে। এ ছাড়া, ইরানি হামলায় ইসরায়েলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, আজ সোমবার দখলদার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরোধের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। আইডিএফ দাবি করেছে, তারা ৮০-৯০ শতাংশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। মাত্র ১০-২০ শতাংশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
এদিকে, রোববার দিবাগত মধ্যরাতে ইরানি হামলায় আরও আট ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর ফলে নিহতের মোট সংখ্যা ২৪ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়া, নিখোঁজ আরও একজনকে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মৃত ঘোষণা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আজ সোমবার ভোর ৪টায় প্রায় ৪০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের একটি ঝাঁক ইসরায়েলে আঘাত হানে। এ নিয়ে ইসরায়েলের দিকে ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মোট সংখ্যা প্রায় ৩৫০-এ দাঁড়িয়েছে। এসব হামলায় তেল আবিব, পেটাচ টিকভা এবং বেনি ব্রাকে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে।
এখন পর্যন্ত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাগুলো গুশ ডান, তেল আবিব, মধ্য ইসরায়েল, হাইফা এবং বির শেবা এলাকায় কেন্দ্রীভূত ছিল। আইডিএফ জানিয়েছে, ইসরায়েলি বিমানবাহিনী ইরানের কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী এবং অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সফল হয়েছে, যার ফলে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের গতি কমে এসেছে। আগে যেখানে একবারে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হতো, এখন সেখানে একবারে ডজন খানেক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হচ্ছে।
আইডিএফ আরও বলেছে, তারা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল সমন্বয় করছে এবং ইরান কীভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করছে। একই সঙ্গে, ইরানও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পরাস্ত করার চেষ্টা করে তাদের কৌশলে পরিবর্তন আনছে।

ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানে মোট ১১ জন আরোহী ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
১৯ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৪ ঘণ্টা আগে