
ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত অর্ধশতাধিক। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) কুর্দি যোদ্ধাদের অবস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস বাহিনী।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, ইরানে চলমান বিক্ষোভের নেপথ্যে বিরোধী কুর্দিদের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ দেশটির কর্তৃপক্ষের। আর এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই ইরাকে হামলা চালানো হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কুর্দিস্তানের কাউন্টার টেররিজম বিভাগের বরাতে ইরাকের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, এরবিল ও সুলাইমানিয়ার কাছে চালানো হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৫৮ জন।
এদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওই অঞ্চলের ‘সন্ত্রাসীদের’ লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইরাক। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ইরাকি ভূখণ্ডে হামলার বিষয়ে আপত্তি জানাতে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলেও জানানো হয় বিবৃতিতে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ সেপ্টেম্বর হিজাব আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মাহসা আমিনি নামের কুর্দি তরুণীকে তেহরান থেকে গ্রেপ্তার করে ইরানের নৈতিকতা পুলিশ (মোরালিটি পুলিশ)। তিন দিন পর হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশের নির্যাতনের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এরপর ইরানজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ দমনে কাঁদানে গ্যাস, বেয়নেট, জলকামান ও গুলির মতো প্রচলিত অস্ত্রের পাশাপাশি ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। সেই সঙ্গে চলছে গণহারে গ্রেপ্তার। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, দেশটিতে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হচ্ছে। আর নিহত হয়েছেন প্রায় ১০০ বিক্ষোভকারী।

ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত অর্ধশতাধিক। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) কুর্দি যোদ্ধাদের অবস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস বাহিনী।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, ইরানে চলমান বিক্ষোভের নেপথ্যে বিরোধী কুর্দিদের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ দেশটির কর্তৃপক্ষের। আর এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই ইরাকে হামলা চালানো হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কুর্দিস্তানের কাউন্টার টেররিজম বিভাগের বরাতে ইরাকের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, এরবিল ও সুলাইমানিয়ার কাছে চালানো হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৫৮ জন।
এদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওই অঞ্চলের ‘সন্ত্রাসীদের’ লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইরাক। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ইরাকি ভূখণ্ডে হামলার বিষয়ে আপত্তি জানাতে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলেও জানানো হয় বিবৃতিতে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ সেপ্টেম্বর হিজাব আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মাহসা আমিনি নামের কুর্দি তরুণীকে তেহরান থেকে গ্রেপ্তার করে ইরানের নৈতিকতা পুলিশ (মোরালিটি পুলিশ)। তিন দিন পর হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশের নির্যাতনের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এরপর ইরানজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ দমনে কাঁদানে গ্যাস, বেয়নেট, জলকামান ও গুলির মতো প্রচলিত অস্ত্রের পাশাপাশি ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। সেই সঙ্গে চলছে গণহারে গ্রেপ্তার। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, দেশটিতে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হচ্ছে। আর নিহত হয়েছেন প্রায় ১০০ বিক্ষোভকারী।

পাকিস্তান এবং চীনের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি জেএফ-১৭ থান্ডার ব্লক যুদ্ধবিমান সংগ্রহে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরাক। দুই দেশের বিমানবাহিনী প্রধানদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর গতকাল শনিবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা এ তথ্য জানায়। তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির...
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানে সম্ভাব্য নতুন সামরিক হামলার বিভিন্ন বিকল্প সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়েছে; এমনটি জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনে তেহরানের তথাকথিত কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষাপটে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি বাস্তবায়ন...
২ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব ও পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের মধ্যকার পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে সক্রিয় তদবির চালাচ্ছে তুরস্ক। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন সামরিক জোট গড়ে উঠতে পারে এমন এক সময়ে, যখন উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে দুই সপ্তাহ ধরে চলা গণবিক্ষোভের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মোভাহেদি আজাদ সতর্ক করে দিয়েছেন, বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী যে কাউকে ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সেই অনুসারে শাস্তি দেওয়া হবে। ইরানি আইন অনুযায়ী যে অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
৩ ঘণ্টা আগে