
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী আইডিএফ দাবি করেছে, ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী রাফাহ ব্রিগেড পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এই ব্রিগেডের অন্তত ২ হাজার ৩০৮ জন সেনা তাদের হাতে নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইতজিক কোহেন এই দাবি করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার ইসরায়েল সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইডিএফ জানিয়েছে, তারা গাজায় হামাসের রাফাহ ব্রিগেডকে ধ্বংস করে দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা রাফাহ ব্রিগেডে ২ হাজার ৩০৮ জন যোদ্ধাকেও হত্যা করেছে। পাশাপাশি ১৩ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ টানেল ধ্বংস করা হয়েছে।
দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, গাজা-মিসর সীমান্তের ফিলাডেলফি করিডরসহ পুরো রাফাহ এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। যেসব টানেল এখনো ধ্বংস হয়নি সেগুলো তাদের প্রকৌশলীরা তদন্ত করে দেখছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এসব টানেল ধ্বংস করা হবে।
আইডিএফের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইতজিক কোহেন বলেছেন, ‘রাফাহ ব্রিগেড পরাজিত হয়েছে। তাদের চারটি ব্যাটালিয়ন ধ্বংস হয়ে গেছে এবং আমরা পুরো শহর এলাকায় অপারেশনাল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছি।’ ইতজিক কোহেনই রাফাহে ইসরায়েলি বাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনীর ১৬২ ডিভিশনের এই কমান্ডার জানান, তাঁর ব্রিগেডে যুদ্ধ প্রকৌশলীরা রাফাহে ২০৩টি আলাদা কিন্তু পরস্পর সংযুক্ত টানেল খুঁজে পেয়েছে। তিনি জানান, এই টানেলগুলো রাফাহ শহর থেকে মিসর সীমান্তের ফিলাডেলফি করিডর পর্যন্ত বিস্তৃত। উল্লেখ্য, রাফাহের ফিলাডেলফি করিডর থেকে মিসর সীমান্ত ৩০০ মিটার দূরে।
ইতজিক কোহেন বলেন, ‘টানেলগুলোর বেশির ভাগই আমরা ধ্বংস করেছি। আমরা তাদের তদন্ত করার জন্য অন্যান্য টানেলে কাজ করছি। আমাদের তদন্ত শেষ হয়ে গেলে এসব টানেল ধ্বংস করা হবে।’ তিনি জানান, এই ২০৩ টানেলের মধ্যে ৯টি মিসরে প্রবেশ করেছে বলে তাঁরা নিশ্চিত প্রমাণ পেয়েছেন। তবে এই টানেলগুলো আগে থেকেই বন্ধ ছিল।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী আইডিএফ দাবি করেছে, ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী রাফাহ ব্রিগেড পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এই ব্রিগেডের অন্তত ২ হাজার ৩০৮ জন সেনা তাদের হাতে নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইতজিক কোহেন এই দাবি করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার ইসরায়েল সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইডিএফ জানিয়েছে, তারা গাজায় হামাসের রাফাহ ব্রিগেডকে ধ্বংস করে দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা রাফাহ ব্রিগেডে ২ হাজার ৩০৮ জন যোদ্ধাকেও হত্যা করেছে। পাশাপাশি ১৩ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ টানেল ধ্বংস করা হয়েছে।
দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, গাজা-মিসর সীমান্তের ফিলাডেলফি করিডরসহ পুরো রাফাহ এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। যেসব টানেল এখনো ধ্বংস হয়নি সেগুলো তাদের প্রকৌশলীরা তদন্ত করে দেখছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এসব টানেল ধ্বংস করা হবে।
আইডিএফের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইতজিক কোহেন বলেছেন, ‘রাফাহ ব্রিগেড পরাজিত হয়েছে। তাদের চারটি ব্যাটালিয়ন ধ্বংস হয়ে গেছে এবং আমরা পুরো শহর এলাকায় অপারেশনাল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছি।’ ইতজিক কোহেনই রাফাহে ইসরায়েলি বাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনীর ১৬২ ডিভিশনের এই কমান্ডার জানান, তাঁর ব্রিগেডে যুদ্ধ প্রকৌশলীরা রাফাহে ২০৩টি আলাদা কিন্তু পরস্পর সংযুক্ত টানেল খুঁজে পেয়েছে। তিনি জানান, এই টানেলগুলো রাফাহ শহর থেকে মিসর সীমান্তের ফিলাডেলফি করিডর পর্যন্ত বিস্তৃত। উল্লেখ্য, রাফাহের ফিলাডেলফি করিডর থেকে মিসর সীমান্ত ৩০০ মিটার দূরে।
ইতজিক কোহেন বলেন, ‘টানেলগুলোর বেশির ভাগই আমরা ধ্বংস করেছি। আমরা তাদের তদন্ত করার জন্য অন্যান্য টানেলে কাজ করছি। আমাদের তদন্ত শেষ হয়ে গেলে এসব টানেল ধ্বংস করা হবে।’ তিনি জানান, এই ২০৩ টানেলের মধ্যে ৯টি মিসরে প্রবেশ করেছে বলে তাঁরা নিশ্চিত প্রমাণ পেয়েছেন। তবে এই টানেলগুলো আগে থেকেই বন্ধ ছিল।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে