
যেসব হজযাত্রী জটিল রোগে ভুগছেন, তাঁদের চিকিৎসাসংক্রান্ত নথিপত্র সঙ্গে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। গতকাল ১৮ মে (শনিবার) গালফ নিউজে এমন খবর জানানো হয়েছে।
সৌদি হজ মন্ত্রণালয় বলেছে, তাঁদের চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার জন্য কাগজপত্র প্রয়োজন।
হজযাত্রীদের উদ্দেশে মন্ত্রণালয়ের করা এক এক্স পোস্টে বলা হয়েছে, আপনি এমন অসুস্থতায় ভুগছেন, যার জন্য বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, নির্দিষ্ট ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহার করেন, তাহলে অবশ্যই আপনি যাত্রার সুবিধার্থে চিকিৎসা নথিপত্র আনতে ভুলবেন না।
মন্ত্রণালয় বলেছে, বিদেশিদের আসার আগে নিসেরিয়া মেনিনজিটিডিস ভ্যাকসিন নিতে হবে এবং নিজ নিজ দেশ থেকে একটি ছাড়পত্র নিতে হবে।
হজের সময় হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তাঁদের অবশ্যই পোলিও, কোভিড-১৯ এবং মৌসুমী ফ্লুর টিকা নিতে হবে।
এদিকে, স্থানীয় হজযাত্রীদের কোভিড-১৯, সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং মেনিনজাইটিস টিকাসহ হজ সংক্রান্ত টিকা সম্পূর্ণ করতে হবে।
হজ মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে টিকা পাওয়া যায় এবং সৌদির পবিত্র শহর মক্কায় আগমনের আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেহাতি অ্যাপে বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, কয়েক দিন হলো বিভিন্ন দেশ থেকে হজযাত্রীরা সৌদি আরবে আসতে শুরু করেছেন। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে হজের কার্যক্রম শুরু হবে।

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তেলের তুলনায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি পরিবহন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আসন্ন শীতে ইউরোপকে এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে এলএনজি নিয়ে কঠিন প্রতিযোগিতায় নামতে হতে পারে।
১৭ মিনিট আগে
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত অব্যাহত রাখা হবে কি না, সে বিষয়ে জনগণের মতামত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। যুদ্ধবিরতি যদি অধিকাংশ ইরানির ইচ্ছার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে সংঘাতের অবসান ঘটানোর পক্ষেও মত দেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
চীনের জন্য ইরানের অপরিশোধিত তেলের মজুত প্রায় ৩ কোটি ব্যারেলে নেমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধের কারণে খুব শিগগিরই তেহরান চীনে আর তেল সরবরাহ করতে পারবে না বলে দাবি করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
২ ঘণ্টা আগে
অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নির্গত ছাই ও লাভার কুণ্ডলী আকাশে ছড়িয়ে পড়ায় রাজধানী জাকার্তার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আটটি বিমানবন্দরের ফ্লাইট কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের দুই হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বিত হয়েছে, যার ফলে আটকে পড়েছেন প্রায়
৩ ঘণ্টা আগে