আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ফিলিস্তিনের ছিটমহল ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজায় প্রতিদিনই যেন নতুন করে মৃত্যু নামছে। অঞ্চলটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরায়েলের রক্তক্ষয়ী আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৪ হাজার ৯০৫ জনের প্রাণ গেছে। সোমবারও তিন ফিলিস্তিনি ক্ষুধা আর অনাহারে প্রাণ হারালেন।
তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, মাত্র ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালগুলোতে আরও ৩৪টি মরদেহ পৌঁছেছে। আহত হয়েছে আরও ৩১৬ জন। এ নিয়ে গাজায় আহত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯২৬। অথচ ধ্বংসস্তূপের নিচে, রাস্তায় পড়ে থাকা অসংখ্য লাশ এখনো উদ্ধার সম্ভব হয়নি।
সহায়তার আশায় এগিয়ে যাওয়া মানুষও মৃত্যুর মুখে পড়ছে প্রতিদিন। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে আরও তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, আহত ৪৭ জনের বেশি। শুধু মে মাসের শেষ দিক থেকে এ পর্যন্ত সহায়তা নিতে গিয়ে ২ হাজার ৪৯৭ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ।
ক্ষুধা যেন গাজার নতুন মৃত্যুদূত। গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহারে মারা গেছে আরও তিনজন। এ নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪২৫। এর মধ্যে রয়েছে ১৪৫ জন নিষ্পাপ শিশু।
চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল গাজার সব সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে ২৪ লাখ মানুষকে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক দুর্ভিক্ষ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইপিসি ইতিমধ্যে উত্তর গাজায় দুর্ভিক্ষের ঘোষণা দিয়েছে। সতর্ক করেছে, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ এই দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়বে দেইর আল-বালাহ ও খান ইউনিসেও। ইতিমধ্যে অনাহারে প্রাণ গেছে ১৪৭ জনের, যাঁদের মধ্যে ৩০টি শিশু।
চলতি বছরের শুরুর দিকে স্বল্পস্থায়ী একটি যুদ্ধবিরতি থাকলেও গত ১৮ মার্চ থেকে আবারও বোমা আর গুলিতে কেঁপে উঠছে গাজা। সেই সময়ের পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে আরও ১২ হাজার ৩৫৪ জন, আহত প্রায় ৫৩ হাজার জন। ভেঙে গেছে জানুয়ারির যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময়ের আশা।
আন্তর্জাতিক আদালত ইতিমধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্তের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। একই সঙ্গে চলছে গণহত্যার মামলাও।
মৃত্যুর এই মিছিল, ক্ষুধার হাহাকার আর ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা নিরীহ মানুষের আর্তনাদ যেন গোটা দুনিয়ার বিবেককে প্রশ্ন করছে—কোথায় মানবতা?

ফিলিস্তিনের ছিটমহল ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজায় প্রতিদিনই যেন নতুন করে মৃত্যু নামছে। অঞ্চলটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরায়েলের রক্তক্ষয়ী আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৪ হাজার ৯০৫ জনের প্রাণ গেছে। সোমবারও তিন ফিলিস্তিনি ক্ষুধা আর অনাহারে প্রাণ হারালেন।
তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, মাত্র ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালগুলোতে আরও ৩৪টি মরদেহ পৌঁছেছে। আহত হয়েছে আরও ৩১৬ জন। এ নিয়ে গাজায় আহত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯২৬। অথচ ধ্বংসস্তূপের নিচে, রাস্তায় পড়ে থাকা অসংখ্য লাশ এখনো উদ্ধার সম্ভব হয়নি।
সহায়তার আশায় এগিয়ে যাওয়া মানুষও মৃত্যুর মুখে পড়ছে প্রতিদিন। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে আরও তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, আহত ৪৭ জনের বেশি। শুধু মে মাসের শেষ দিক থেকে এ পর্যন্ত সহায়তা নিতে গিয়ে ২ হাজার ৪৯৭ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ।
ক্ষুধা যেন গাজার নতুন মৃত্যুদূত। গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহারে মারা গেছে আরও তিনজন। এ নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪২৫। এর মধ্যে রয়েছে ১৪৫ জন নিষ্পাপ শিশু।
চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল গাজার সব সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে ২৪ লাখ মানুষকে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক দুর্ভিক্ষ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইপিসি ইতিমধ্যে উত্তর গাজায় দুর্ভিক্ষের ঘোষণা দিয়েছে। সতর্ক করেছে, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ এই দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়বে দেইর আল-বালাহ ও খান ইউনিসেও। ইতিমধ্যে অনাহারে প্রাণ গেছে ১৪৭ জনের, যাঁদের মধ্যে ৩০টি শিশু।
চলতি বছরের শুরুর দিকে স্বল্পস্থায়ী একটি যুদ্ধবিরতি থাকলেও গত ১৮ মার্চ থেকে আবারও বোমা আর গুলিতে কেঁপে উঠছে গাজা। সেই সময়ের পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে আরও ১২ হাজার ৩৫৪ জন, আহত প্রায় ৫৩ হাজার জন। ভেঙে গেছে জানুয়ারির যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময়ের আশা।
আন্তর্জাতিক আদালত ইতিমধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্তের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। একই সঙ্গে চলছে গণহত্যার মামলাও।
মৃত্যুর এই মিছিল, ক্ষুধার হাহাকার আর ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা নিরীহ মানুষের আর্তনাদ যেন গোটা দুনিয়ার বিবেককে প্রশ্ন করছে—কোথায় মানবতা?

যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
৩২ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
৪৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বিরত রাখতে শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়েছে সৌদি আরব, কাতার ও ওমান। এই তিন উপসাগরীয় দেশের যৌথ উদ্যোগেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ‘আরেকটি সুযোগ’ দিতে সম্মত হন বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
২ ঘণ্টা আগে