
সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সপরিবারের মস্কোতে পৌঁছেছেন। গতকাল রোববার রাশিয়ার সংবাদ সংস্থাগুলো ক্রেমলিনের সূত্র উল্লেখ করে জানায়, রাশিয়া তাদের মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছে। এ ছাড়া, রুশ সামরিক ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি চুক্তি হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আসাদ সিরিয়া ছেড়েছেন এবং ক্ষমতা শান্তিপূর্ণভাবে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে বিদ্রোহী যোদ্ধারা রোববার কোনো বাধা ছাড়াই দামেস্ক দখল করে নেয়, যার মাধ্যমে আসাদ পরিবারের প্রায় ছয় দশকের কঠোর শাসনের অবসান ঘটে।
বেসরকারি রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ক্রেমলিন সূত্রে জানিয়েছে, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তাঁর পরিবার মস্কোতে পৌঁছেছেন। রাশিয়া মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়েছে। রাশিয়া সিরিয়ার সংকটের রাজনৈতিক সমাধান চায়। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ চলাকালীন মস্কো আসাদকে সমর্থন দিয়েছিল।
সূত্র জানায়, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পুনরায় আলোচনা শুরু হওয়া উচিত। ভিয়েনায় রাশিয়ার আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর রাষ্ট্রদূত মিখাইল উলিয়ানভ টেলিগ্রাম চ্যানেলে বলেছেন, ‘ব্রেকিং নিউজ! বাশার আল-আসাদ এবং তাঁর পরিবার এখন মস্কোতে। রাশিয়া কঠিন পরিস্থিতিতে বন্ধুদের ছেড়ে যায় না।’ সূত্র জানায়, সিরিয়ার বিরোধী নেতারা দেশটিতে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি এবং কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এর আগে, গতকাল রোববার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, আল-আসাদ ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছেড়েছেন এবং দেশ ত্যাগের আগে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে, বাশার আল-আসাদের পতনের সশস্ত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) সিরিয়াকে ‘মুক্ত’ ঘোষণা করেছে। তারা জানিয়েছে, স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ দেশ ত্যাগ করেছেন। এটি একটি অন্ধকার যুগের সমাপ্তি এবং একটি নতুন যুগের সূচনা, টেলিগ্রাম চ্যানেলে এমন বার্তা দিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এইচটিএস।
বিদ্রোহীরা বলেছে, আসাদের শাসনের অর্ধ-শতাব্দী ধরে যারা বাস্তুচ্যুত বা বন্দী হয়েছিলেন, তাঁরা এখন ঘরে ফিরতে পারবেন। এইচটিএস বলেছে, এটি হবে একটি ‘নতুন সিরিয়া’ যেখানে ‘সবাই শান্তিতে বসবাস করবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।’
অপরদিকে, সিরিয়ার প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ গাজী আল-জালালি সম্প্রচার মাধ্যম আল-আরাবিয়া চ্যানেলকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া উচিত। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
সাক্ষাৎকারে সিরিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, তিনি বিদ্রোহী কমান্ডার আবু মোহাম্মদ আল-জাওলানির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেন। তাঁদের আলোচনায় ক্ষমতা হস্তান্তর ও অন্তর্বর্তী সময় নিয়ে কথা হয়েছে।
আজ রোববার সকালে আল-আরাবিয়া চ্যানেল প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলেছে, তাঁর বাশার আল-আসাদের সঙ্গে সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছে ‘গতকাল সন্ধ্যায়’। আসাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই। আজ ভোরে প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বক্তব্যে বলেছেন, তিনি জনগণের জন্য সর্বোত্তম কাজটি করতে প্রস্তুত।
আরও পড়ুন:

সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সপরিবারের মস্কোতে পৌঁছেছেন। গতকাল রোববার রাশিয়ার সংবাদ সংস্থাগুলো ক্রেমলিনের সূত্র উল্লেখ করে জানায়, রাশিয়া তাদের মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছে। এ ছাড়া, রুশ সামরিক ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি চুক্তি হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আসাদ সিরিয়া ছেড়েছেন এবং ক্ষমতা শান্তিপূর্ণভাবে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে বিদ্রোহী যোদ্ধারা রোববার কোনো বাধা ছাড়াই দামেস্ক দখল করে নেয়, যার মাধ্যমে আসাদ পরিবারের প্রায় ছয় দশকের কঠোর শাসনের অবসান ঘটে।
বেসরকারি রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ক্রেমলিন সূত্রে জানিয়েছে, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তাঁর পরিবার মস্কোতে পৌঁছেছেন। রাশিয়া মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়েছে। রাশিয়া সিরিয়ার সংকটের রাজনৈতিক সমাধান চায়। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ চলাকালীন মস্কো আসাদকে সমর্থন দিয়েছিল।
সূত্র জানায়, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পুনরায় আলোচনা শুরু হওয়া উচিত। ভিয়েনায় রাশিয়ার আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর রাষ্ট্রদূত মিখাইল উলিয়ানভ টেলিগ্রাম চ্যানেলে বলেছেন, ‘ব্রেকিং নিউজ! বাশার আল-আসাদ এবং তাঁর পরিবার এখন মস্কোতে। রাশিয়া কঠিন পরিস্থিতিতে বন্ধুদের ছেড়ে যায় না।’ সূত্র জানায়, সিরিয়ার বিরোধী নেতারা দেশটিতে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি এবং কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এর আগে, গতকাল রোববার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, আল-আসাদ ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছেড়েছেন এবং দেশ ত্যাগের আগে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে, বাশার আল-আসাদের পতনের সশস্ত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) সিরিয়াকে ‘মুক্ত’ ঘোষণা করেছে। তারা জানিয়েছে, স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ দেশ ত্যাগ করেছেন। এটি একটি অন্ধকার যুগের সমাপ্তি এবং একটি নতুন যুগের সূচনা, টেলিগ্রাম চ্যানেলে এমন বার্তা দিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এইচটিএস।
বিদ্রোহীরা বলেছে, আসাদের শাসনের অর্ধ-শতাব্দী ধরে যারা বাস্তুচ্যুত বা বন্দী হয়েছিলেন, তাঁরা এখন ঘরে ফিরতে পারবেন। এইচটিএস বলেছে, এটি হবে একটি ‘নতুন সিরিয়া’ যেখানে ‘সবাই শান্তিতে বসবাস করবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।’
অপরদিকে, সিরিয়ার প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ গাজী আল-জালালি সম্প্রচার মাধ্যম আল-আরাবিয়া চ্যানেলকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া উচিত। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
সাক্ষাৎকারে সিরিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, তিনি বিদ্রোহী কমান্ডার আবু মোহাম্মদ আল-জাওলানির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেন। তাঁদের আলোচনায় ক্ষমতা হস্তান্তর ও অন্তর্বর্তী সময় নিয়ে কথা হয়েছে।
আজ রোববার সকালে আল-আরাবিয়া চ্যানেল প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলেছে, তাঁর বাশার আল-আসাদের সঙ্গে সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছে ‘গতকাল সন্ধ্যায়’। আসাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই। আজ ভোরে প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বক্তব্যে বলেছেন, তিনি জনগণের জন্য সর্বোত্তম কাজটি করতে প্রস্তুত।
আরও পড়ুন:

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে