
গত ৭ অক্টোবর দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় হামাস। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ৮৫ বছর বয়সী এক নারী। দুই সপ্তাহ পর গত মাসে মুক্তি পান তিনি। বন্দী অবস্থায় গাজায় হামাসের নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ও কথা হয়েছিল বলে জানান ওই বৃদ্ধা।
দেশে ফিরে হিব্রু ভাষার সংবাদপত্র দাভারকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ইয়োচেভেড লিফশিৎজ নামের ওই বৃদ্ধা। তিনি সারা জীবন ফিলিস্তিন-ইসরায়েল শান্তির জন্য কাজ করেছেন।
ইসরায়েলের কিবুৎজ নির ওজে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গাজায় নিয়ে যায় হামাস যোদ্ধারা। তিনি দাভার পত্রিকাকে বলেন, একটি ভূগর্ভস্থ টানেলে জিম্মিদের দেখতে আসতেন হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার। সেখানে তাঁর সঙ্গে লিফশিৎজের সাক্ষাৎ জয়।
লিফশিৎজ হিব্রু ভাষার দাভারকে বলেন, ‘আমাদের সেখানে নিয়ে যাওয়ার তিন থেকে চার দিন পর সিনওয়ার আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এত বছর ধরে যারা শান্তির কথা বলে এসেছেন, শান্তি সমর্থন করে এসেছেন, তাঁদের সঙ্গে এমন কাজ তিনি কীভাবে করলেন? এর জন্য কি লজ্জিত নন? সিনওয়ার এ প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি। তিনি চুপ ছিলেন।’
লিফশিৎজের নাতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, তাঁর দাদি একজন শান্তিকর্মী। স্বামীর সঙ্গে গাজার অসুস্থ ফিলিস্তিনিদের বহু বছর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে সহায়তা করেছেন। তাঁর ৮৩ বছর বয়সী স্বামী ওদেদকেও বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় হামাস। তিনি এখনো মুক্ত হননি।
গত মাসে হামাসের বন্দিদশা থেকে মুক্তির পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন লিফশিৎজ। তিনি বলেন, গাজা উপত্যকায় জিম্মি হিসেবে তাঁর দুই সপ্তাহ ছিল জাহান্নামে থাকার মতো।
যুদ্ধের প্রথম দিকে হামাসের মুক্তি দেওয়ার চার নারীর একজন লিফশিৎজ। তিনি বলেন, অপহরণ করার সময় তাঁকে মারধর করা হয়েছিল। কিন্তু এর পরের দুই সপ্তাহ ভালো আচরণ করা হয়েছিল।
মুক্তির সময় মুখোশধারী এক ব্যক্তির সঙ্গে লিফশিৎজকে হাত মেলাতে দেখা যায়। কেন তিনি এমন করেছিলেন জিজ্ঞাসা করা হলে বলেন, ‘তারা আমাদের সঙ্গে ভদ্র আচরণ করেছে। আমাদের সমস্ত চাহিদা তারা পূরণ করেছে।’

গত ৭ অক্টোবর দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় হামাস। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ৮৫ বছর বয়সী এক নারী। দুই সপ্তাহ পর গত মাসে মুক্তি পান তিনি। বন্দী অবস্থায় গাজায় হামাসের নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ও কথা হয়েছিল বলে জানান ওই বৃদ্ধা।
দেশে ফিরে হিব্রু ভাষার সংবাদপত্র দাভারকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ইয়োচেভেড লিফশিৎজ নামের ওই বৃদ্ধা। তিনি সারা জীবন ফিলিস্তিন-ইসরায়েল শান্তির জন্য কাজ করেছেন।
ইসরায়েলের কিবুৎজ নির ওজে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গাজায় নিয়ে যায় হামাস যোদ্ধারা। তিনি দাভার পত্রিকাকে বলেন, একটি ভূগর্ভস্থ টানেলে জিম্মিদের দেখতে আসতেন হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার। সেখানে তাঁর সঙ্গে লিফশিৎজের সাক্ষাৎ জয়।
লিফশিৎজ হিব্রু ভাষার দাভারকে বলেন, ‘আমাদের সেখানে নিয়ে যাওয়ার তিন থেকে চার দিন পর সিনওয়ার আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এত বছর ধরে যারা শান্তির কথা বলে এসেছেন, শান্তি সমর্থন করে এসেছেন, তাঁদের সঙ্গে এমন কাজ তিনি কীভাবে করলেন? এর জন্য কি লজ্জিত নন? সিনওয়ার এ প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি। তিনি চুপ ছিলেন।’
লিফশিৎজের নাতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, তাঁর দাদি একজন শান্তিকর্মী। স্বামীর সঙ্গে গাজার অসুস্থ ফিলিস্তিনিদের বহু বছর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে সহায়তা করেছেন। তাঁর ৮৩ বছর বয়সী স্বামী ওদেদকেও বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় হামাস। তিনি এখনো মুক্ত হননি।
গত মাসে হামাসের বন্দিদশা থেকে মুক্তির পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন লিফশিৎজ। তিনি বলেন, গাজা উপত্যকায় জিম্মি হিসেবে তাঁর দুই সপ্তাহ ছিল জাহান্নামে থাকার মতো।
যুদ্ধের প্রথম দিকে হামাসের মুক্তি দেওয়ার চার নারীর একজন লিফশিৎজ। তিনি বলেন, অপহরণ করার সময় তাঁকে মারধর করা হয়েছিল। কিন্তু এর পরের দুই সপ্তাহ ভালো আচরণ করা হয়েছিল।
মুক্তির সময় মুখোশধারী এক ব্যক্তির সঙ্গে লিফশিৎজকে হাত মেলাতে দেখা যায়। কেন তিনি এমন করেছিলেন জিজ্ঞাসা করা হলে বলেন, ‘তারা আমাদের সঙ্গে ভদ্র আচরণ করেছে। আমাদের সমস্ত চাহিদা তারা পূরণ করেছে।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
১ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
১ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৪ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৫ ঘণ্টা আগে