
ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনকে (হামাস) ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রামের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জর্ডানের সাবেক তথ্যমন্ত্রী তাহের আল-আদওয়ান। মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে আরব লিগের প্রতি এ আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-আদওয়ান পোস্টে বলেন, গাজা ও ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি নিয়ে যদি আসন্ন আরব লিগ শীর্ষ সম্মেলন এবং সমগ্র পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং তাঁদের ‘অশুভ’ জোট আল-কাসাম ব্রিগেডকে (হামাসের সশস্ত্র বাহিনী) যে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়েছে তা আরবদের অস্বীকার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সম্মেলনে অবশ্যই হামাস গোষ্ঠীকে প্রতিরোধ আন্দোলনের দল এবং ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।
পোস্টে আল-আদওয়ান আরও বলেন, ‘গাজার প্রতিরোধ যুদ্ধকে স্বীকৃতি ও সমর্থন দিন, ইসরায়েলি দখলদারির অধীনে নিপীড়িত ভাতৃসম আরব ফিলিস্তিনি জনগণের এটি প্রাপ্য। যদি ইরান বা অন্য কোনো দেশ যাদের আরব দেশগুলোর ওপর খবরদারি করার উচ্চাভিলাষ রয়েছে তাদের (হামাস) সঙ্গে সমন্বয় করে থাকে তাহলে তাদের জবাবদিহির আওতায় আনুন।’
আল-আদওয়ান জোর দিয়ে বলেন, ‘পশ্চিম থেকে পূর্বে সব আরবের উচিত অন্তত তাঁদের সরকারকে আল-কাসামের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া।’ ফিলিস্তিনিদের জাতীয় আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে আল-কাসামের প্রতিরোধকে সমর্থন করতে বলেন তিনি।
আরব নেতাদের গত ৭৫ বছরের দখলদারির অবসান ঘটাতে যারা জীবন দিয়েছেন তাঁদের পক্ষাবলম্বন করা জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে যে অন্যায় হচ্ছে তা বিশ্বের কোনো মানুষের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব নয়।’
গতকাল বৃহস্পতিবার আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা রিয়াদে আরব লিগের জরুরি সম্মেলনের আগে একটি প্রস্তুতি সভার আয়োজন করেন। গাজায় ইসরায়েলি বোমা হামলা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে আগ্রাসন বন্ধের উপায় নিয়ে আলোচনার জন্য জরুরি এ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
এ সম্মেলনে যুদ্ধবিরতির দাবি ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি দৃঢ় রাজনৈতিক সমর্থন প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনকে (হামাস) ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রামের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জর্ডানের সাবেক তথ্যমন্ত্রী তাহের আল-আদওয়ান। মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে আরব লিগের প্রতি এ আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-আদওয়ান পোস্টে বলেন, গাজা ও ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি নিয়ে যদি আসন্ন আরব লিগ শীর্ষ সম্মেলন এবং সমগ্র পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং তাঁদের ‘অশুভ’ জোট আল-কাসাম ব্রিগেডকে (হামাসের সশস্ত্র বাহিনী) যে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়েছে তা আরবদের অস্বীকার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সম্মেলনে অবশ্যই হামাস গোষ্ঠীকে প্রতিরোধ আন্দোলনের দল এবং ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।
পোস্টে আল-আদওয়ান আরও বলেন, ‘গাজার প্রতিরোধ যুদ্ধকে স্বীকৃতি ও সমর্থন দিন, ইসরায়েলি দখলদারির অধীনে নিপীড়িত ভাতৃসম আরব ফিলিস্তিনি জনগণের এটি প্রাপ্য। যদি ইরান বা অন্য কোনো দেশ যাদের আরব দেশগুলোর ওপর খবরদারি করার উচ্চাভিলাষ রয়েছে তাদের (হামাস) সঙ্গে সমন্বয় করে থাকে তাহলে তাদের জবাবদিহির আওতায় আনুন।’
আল-আদওয়ান জোর দিয়ে বলেন, ‘পশ্চিম থেকে পূর্বে সব আরবের উচিত অন্তত তাঁদের সরকারকে আল-কাসামের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া।’ ফিলিস্তিনিদের জাতীয় আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে আল-কাসামের প্রতিরোধকে সমর্থন করতে বলেন তিনি।
আরব নেতাদের গত ৭৫ বছরের দখলদারির অবসান ঘটাতে যারা জীবন দিয়েছেন তাঁদের পক্ষাবলম্বন করা জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে যে অন্যায় হচ্ছে তা বিশ্বের কোনো মানুষের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব নয়।’
গতকাল বৃহস্পতিবার আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা রিয়াদে আরব লিগের জরুরি সম্মেলনের আগে একটি প্রস্তুতি সভার আয়োজন করেন। গাজায় ইসরায়েলি বোমা হামলা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে আগ্রাসন বন্ধের উপায় নিয়ে আলোচনার জন্য জরুরি এ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
এ সম্মেলনে যুদ্ধবিরতির দাবি ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি দৃঢ় রাজনৈতিক সমর্থন প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
১ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
১ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৪ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৪ ঘণ্টা আগে