
সুইডেনে কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে। আগামী সপ্তাহে সংস্থাটির সদর দপ্তর জেদ্দায় এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ওআইসির মুখপাত্র জানিয়েছেন, বৈঠকে কোরআন পোড়ানোর মতো ঘৃণ্য কাজের বিষয়ে সব মুসলিম দেশের ঐকমত্যের ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
গত বুধবার স্টকহোমের সবচেয়ে বড় মসজিদের সামনে ইরাকি যুবক সালওয়ান মোমিকার কোরআন পোড়ান। এতে মুসলিম বিশ্বে নিন্দা ও ক্ষোভের ঝড় ওঠে। কিছু মুসলিম দেশ সুইডেনের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করেছে এবং সুইডিশ রাষ্ট্রদূতদের ডেকে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
গতকাল শুক্রবারও ক্ষোভ অব্যাহত ছিল। সুইডেনের সঙ্গে ইরাকের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবিতে বাগদাদে সুইডিশ দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করেছেন জনপ্রিয় শিয়া ধর্মগুরু মোকতাদা আল-সদরের হাজারো সমর্থক।
বিক্ষোভকারীরা ইরাকি পতাকা এবং আল-সদর ও তাঁর বাবার প্রতিকৃতি প্রদর্শন করেছেন। আল-সদরের বাবাও একজন বিশিষ্ট আলেম ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা এ সময় ‘কোরআনের প্রতি হ্যাঁ, হ্যাঁ, মোকতাদা, মোক্তাদা’ বলে স্লোগান দেন।
শিয়া ধর্মগুরু মোকতাদা আল-সদর সুইডেনের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার এবং সুইডেনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবিতে বাগদাদে সুইডিশ দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ ডেকেছিলেন।
এদিকে ইরাকি ওই যুবক আবারও কোরআন পোড়ানোর হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘১০ দিনের মধ্যে আমি স্টকহোমে ইরাক দূতাবাসের সামনে ইরাকি পতাকা ও কোরআন পুড়িয়ে দেব।’
সুইডেনের ‘এক্সপ্রেসেন’ সংবাদমাধ্যমকে মোমিকা জানান, তিনি জানতেন এই কাজের প্রতিক্রিয়া আসবে, হাজারো হত্যার হুমকিও পেয়েছেন এরই মধ্য। তবে তিনি কোরআন পোড়ানোকে কোনো জাতির প্রতি বিদ্বেষ বলে মনে করেন না, বরং এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলে মনে করেন।

সুইডেনে কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে। আগামী সপ্তাহে সংস্থাটির সদর দপ্তর জেদ্দায় এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ওআইসির মুখপাত্র জানিয়েছেন, বৈঠকে কোরআন পোড়ানোর মতো ঘৃণ্য কাজের বিষয়ে সব মুসলিম দেশের ঐকমত্যের ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
গত বুধবার স্টকহোমের সবচেয়ে বড় মসজিদের সামনে ইরাকি যুবক সালওয়ান মোমিকার কোরআন পোড়ান। এতে মুসলিম বিশ্বে নিন্দা ও ক্ষোভের ঝড় ওঠে। কিছু মুসলিম দেশ সুইডেনের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করেছে এবং সুইডিশ রাষ্ট্রদূতদের ডেকে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
গতকাল শুক্রবারও ক্ষোভ অব্যাহত ছিল। সুইডেনের সঙ্গে ইরাকের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবিতে বাগদাদে সুইডিশ দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করেছেন জনপ্রিয় শিয়া ধর্মগুরু মোকতাদা আল-সদরের হাজারো সমর্থক।
বিক্ষোভকারীরা ইরাকি পতাকা এবং আল-সদর ও তাঁর বাবার প্রতিকৃতি প্রদর্শন করেছেন। আল-সদরের বাবাও একজন বিশিষ্ট আলেম ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা এ সময় ‘কোরআনের প্রতি হ্যাঁ, হ্যাঁ, মোকতাদা, মোক্তাদা’ বলে স্লোগান দেন।
শিয়া ধর্মগুরু মোকতাদা আল-সদর সুইডেনের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার এবং সুইডেনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবিতে বাগদাদে সুইডিশ দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ ডেকেছিলেন।
এদিকে ইরাকি ওই যুবক আবারও কোরআন পোড়ানোর হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘১০ দিনের মধ্যে আমি স্টকহোমে ইরাক দূতাবাসের সামনে ইরাকি পতাকা ও কোরআন পুড়িয়ে দেব।’
সুইডেনের ‘এক্সপ্রেসেন’ সংবাদমাধ্যমকে মোমিকা জানান, তিনি জানতেন এই কাজের প্রতিক্রিয়া আসবে, হাজারো হত্যার হুমকিও পেয়েছেন এরই মধ্য। তবে তিনি কোরআন পোড়ানোকে কোনো জাতির প্রতি বিদ্বেষ বলে মনে করেন না, বরং এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলে মনে করেন।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ ও আটকের ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছে ইসরায়েল। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার এই অভিযানকে বিশ্ব রাজনীতির একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রথম ছবি প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশিত ওই ছবিতে মাদুরোকে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজের ডেকে বন্দী অবস্থায় দেখা যায়।
১ ঘণ্টা আগে
১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
৩ ঘণ্টা আগে