আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে যুদ্ধ বন্ধের যে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে তাতে আশ্বস্ত হামাস। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আশরাকের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।
আশরাকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক সূত্র তাদের জানিয়েছে যে, ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আলোচনা চলাকালীন কোনো পক্ষই যুদ্ধ পুনরায় শুরু করবে না। এ ছাড়া এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে দুই পক্ষ প্রস্তাবটি অনুমোদন করলেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন। এবং ট্রাম্প এই যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দায়িত্ব পালনে আগ্রহী বলেও জানানো হয়েছে।
তবে, হামাস ঘনিষ্ঠ আরও একটি সূত্র আশরাককে জানিয়েছে যে, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ নতুন যে প্রস্তাব হামাসের কাছে পাঠিয়েছেন তাতে বিশেষ কোনো পরিবর্তন নেই। শুধু ছোটখাটো কিছু বিষয় যোগ করা হয়েছে। হামাস ঘনিষ্ঠ ওই সূত্রটি আরও জানিয়েছে যে, আগামী শুক্রবার এই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে নিজেদের আনুষ্ঠানিক জবাব জানাবে হামাস।
এদিকে, ইসরায়েলি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী কট্টর ডানপন্থী নেতা ইতামার বেন গভির জানিয়েছেন তিনি এই যুদ্ধবিরতি কিছুতেই মেনে নেবেন না। তাঁর ভাষ্যমতে—নতুন এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি একটি বেপরোয়া সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম কানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে গতকাল বুধবার, কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচের রাজনৈতিক দল রিলিজিয়াস জায়োনিজম পার্টিকেও এই যুদ্ধবিরতির বিপক্ষে অবস্থান নিতে আহ্বান জানান। বেন গভির সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এই যুদ্ধবিরতি তিনি কার্যকর হতে দেবেন না। তিনি বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই এটা হতে দেব না। আমি আশা করি স্মোতরিচও আমার সঙ্গে এক জোট হবেন। ইসরায়েলি জনগণ চায় না আমরা আত্মসমর্পণ করি।’ তাঁর দাবি—বর্তমানে হামাসের বিরুদ্ধে জয় লাভের এক ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘কোনোভাবেই এই লড়াই শেষ করা উচিত হবে না।’ প্রশ্ন তোলেন, এখন যুদ্ধ বন্ধ করলে কি হামাস ইসরায়েলকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবে?
এ সময় তিনি গাজায় ত্রাণ প্রবেশকে ইসরায়েলি জয়ের পথে প্রধান বাধা বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘গত এপ্রিলে গাজায় পুনরায় ত্রাণ ঢুকতে দেওয়াই ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল। কিন্তু মন্ত্রিসভায় আমি ছাড়া আর কেউ এর বিরোধিতা করেনি। এজন্য আমি লজ্জিত।’

যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে যুদ্ধ বন্ধের যে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে তাতে আশ্বস্ত হামাস। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আশরাকের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।
আশরাকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক সূত্র তাদের জানিয়েছে যে, ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আলোচনা চলাকালীন কোনো পক্ষই যুদ্ধ পুনরায় শুরু করবে না। এ ছাড়া এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে দুই পক্ষ প্রস্তাবটি অনুমোদন করলেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন। এবং ট্রাম্প এই যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দায়িত্ব পালনে আগ্রহী বলেও জানানো হয়েছে।
তবে, হামাস ঘনিষ্ঠ আরও একটি সূত্র আশরাককে জানিয়েছে যে, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ নতুন যে প্রস্তাব হামাসের কাছে পাঠিয়েছেন তাতে বিশেষ কোনো পরিবর্তন নেই। শুধু ছোটখাটো কিছু বিষয় যোগ করা হয়েছে। হামাস ঘনিষ্ঠ ওই সূত্রটি আরও জানিয়েছে যে, আগামী শুক্রবার এই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে নিজেদের আনুষ্ঠানিক জবাব জানাবে হামাস।
এদিকে, ইসরায়েলি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী কট্টর ডানপন্থী নেতা ইতামার বেন গভির জানিয়েছেন তিনি এই যুদ্ধবিরতি কিছুতেই মেনে নেবেন না। তাঁর ভাষ্যমতে—নতুন এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি একটি বেপরোয়া সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম কানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে গতকাল বুধবার, কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচের রাজনৈতিক দল রিলিজিয়াস জায়োনিজম পার্টিকেও এই যুদ্ধবিরতির বিপক্ষে অবস্থান নিতে আহ্বান জানান। বেন গভির সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এই যুদ্ধবিরতি তিনি কার্যকর হতে দেবেন না। তিনি বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই এটা হতে দেব না। আমি আশা করি স্মোতরিচও আমার সঙ্গে এক জোট হবেন। ইসরায়েলি জনগণ চায় না আমরা আত্মসমর্পণ করি।’ তাঁর দাবি—বর্তমানে হামাসের বিরুদ্ধে জয় লাভের এক ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘কোনোভাবেই এই লড়াই শেষ করা উচিত হবে না।’ প্রশ্ন তোলেন, এখন যুদ্ধ বন্ধ করলে কি হামাস ইসরায়েলকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবে?
এ সময় তিনি গাজায় ত্রাণ প্রবেশকে ইসরায়েলি জয়ের পথে প্রধান বাধা বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘গত এপ্রিলে গাজায় পুনরায় ত্রাণ ঢুকতে দেওয়াই ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল। কিন্তু মন্ত্রিসভায় আমি ছাড়া আর কেউ এর বিরোধিতা করেনি। এজন্য আমি লজ্জিত।’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে