
ঢাকা: আগামী সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে যাবেন ইসরায়েলের নতুন সরকারের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ। গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পর এটিই আমিরাতে ইসরায়েলের কোনো শীর্ষ কূটনীতিকের প্রথম সফর।
জেরুজালেম পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন জায়েদের আমন্ত্রণে আগামী ২৯-৩০ জুন আমিরাতের দুবাই সফর করবেন লাপিদ। তিনি দুবাইতে একটি কনস্যুলেট এবং আবুধাবিতে একটি দূতাবাসের উদ্বোধন করবেন।
লাপিদের মুখপাত্র গতকাল সোমবার বলেন, ‘ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েল-আমিরাতের সুসম্পর্কের ফল শুধু দুই দেশের জনগণই নয়, এর ফল ভোগ করবে গোটা মধ্যপ্রাচ্য।’
এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিদের আরব আমিরাত সফরের ঘোষণার পর এটিকে স্বাগত জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। তিনি এটিকে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সফর বলে অভিহিত করেছেন। এক টুইট বার্তায় তিনি লিখেন, ‘ইসরায়েল-আমিরাত সম্পর্ক ইসরায়েলের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা এই সম্পর্ককে আরও গভীর করতে কাজ করব।’
গত বছরের আগস্টে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত শান্তি প্রতিষ্ঠায় ও দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে চুক্তি করে, যা ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ নামে পরিচিত। আব্রাহাম চুক্তির পেছনে মূল ভূমিকা ছিল ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর। চুক্তি হওয়ার পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাত একগুচ্ছ ব্যবসায়িক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। দুই পক্ষ একে অপরের নাগরিকদের সরাসরি ফ্লাইট চালু এবং ভিসামুক্ত চলাচলের অনুমতিও দিয়েছে।
উল্লেখ্য, দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট দুই বছর দায়িত্ব পালনের পর ইয়ার লাপিদই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

ঢাকা: আগামী সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে যাবেন ইসরায়েলের নতুন সরকারের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ। গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পর এটিই আমিরাতে ইসরায়েলের কোনো শীর্ষ কূটনীতিকের প্রথম সফর।
জেরুজালেম পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন জায়েদের আমন্ত্রণে আগামী ২৯-৩০ জুন আমিরাতের দুবাই সফর করবেন লাপিদ। তিনি দুবাইতে একটি কনস্যুলেট এবং আবুধাবিতে একটি দূতাবাসের উদ্বোধন করবেন।
লাপিদের মুখপাত্র গতকাল সোমবার বলেন, ‘ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েল-আমিরাতের সুসম্পর্কের ফল শুধু দুই দেশের জনগণই নয়, এর ফল ভোগ করবে গোটা মধ্যপ্রাচ্য।’
এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিদের আরব আমিরাত সফরের ঘোষণার পর এটিকে স্বাগত জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। তিনি এটিকে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সফর বলে অভিহিত করেছেন। এক টুইট বার্তায় তিনি লিখেন, ‘ইসরায়েল-আমিরাত সম্পর্ক ইসরায়েলের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা এই সম্পর্ককে আরও গভীর করতে কাজ করব।’
গত বছরের আগস্টে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত শান্তি প্রতিষ্ঠায় ও দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে চুক্তি করে, যা ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ নামে পরিচিত। আব্রাহাম চুক্তির পেছনে মূল ভূমিকা ছিল ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর। চুক্তি হওয়ার পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাত একগুচ্ছ ব্যবসায়িক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। দুই পক্ষ একে অপরের নাগরিকদের সরাসরি ফ্লাইট চালু এবং ভিসামুক্ত চলাচলের অনুমতিও দিয়েছে।
উল্লেখ্য, দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট দুই বছর দায়িত্ব পালনের পর ইয়ার লাপিদই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
১১ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
৩৯ মিনিট আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে