আরব নিউজ

সৌদি আরবে ‘উবার’-এর ট্যাক্সি সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠানটি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তা বিষয়ে নারী চালকদের মনোভাব সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনে দেশটির নারীদের ক্ষমতায়নের একটি আশাবাদী ফলাফল দেখা গেছে।
বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির জরিপে অংশ নেওয়া ৭৬ শতাংশেরও বেশি নারী উবার চালানোর কারণ হিসেবে আর্থিক স্বাধীনতার বিষয়টিকেই সবার ওপরে রেখেছেন। মূলত সৌদি আরব ও মিশর—এই দুই দেশের নারী চালকদের নিয়ে জরিপটি পরিচালিত হয়েছিল।
জরিপে অংশ নেওয়া নারীদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ জানিয়েছেন, উবার চালিয়ে তাঁরা তাঁদের পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করছেন।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—উত্তরদাতাদের মধ্যে ৭৭ শতাংশ নারীই দাবি করেছেন, তাঁরা উবার চালাতে কোনো সমস্যায় পড়ছেন না বরং যথেষ্ট নিরাপদ বোধ করছেন।
আরেকটি বিষয় হলো-সৌদি আরবে যেসব নারী উবার চালক রয়েছেন তাঁদের জন্য একটি বিশেষায়িত ফিচার রয়েছে। এই ফিচার ব্যবহার করে ইচ্ছা করলে তাঁরা শুধু নারী যাত্রীদের কল রিসিভ করতে পারেন।
নারী চালকদের অর্ধেকেরও বেশি জানিয়েছেন, উবার চালিয়েই তাঁরা তাঁদের ক্যারিয়ারকে সামনে এগিয়ে নিতে চান।
এ বিষয়ে বুধবার আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়ন প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উবার নারী চালকদের জন্য আর্থিক সুযোগ, নমনীয়তা এবং উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রদানের মাধ্যমে নারীদের অগ্রগতি, ক্ষমতায়ন এবং সমর্থন অব্যাহত রেখেছে সৌদি রাজতন্ত্র।
উসুল (Wusool) নামে ভর্তুকিযুক্ত একটি ‘নারী ক্ষমতায়ন কর্মসূচি’ ২০১৭ সালে চালু করেছে উবার। এর মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি নারী চালক প্রায় ২ কোটি উবার ট্রিপ সম্পন্ন করেছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে সৌদি আরবে নারী শ্রমের অংশগ্রহণ ৩৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
উবার সৌদি আরবের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আল-জুরাইশ বলেছেন, ‘আমরা সৌদি আরবে নারীদের আর্থিক স্বাধীনতা এবং ক্ষমতায়নকে সমর্থন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পেরে গর্বিত। আমরা দেখছি, যেসব নারী উবার চালাচ্ছেন তাঁদের বয়স ২১ থেকে ৪৬ বছরের মধ্যে।’

সৌদি আরবে ‘উবার’-এর ট্যাক্সি সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠানটি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তা বিষয়ে নারী চালকদের মনোভাব সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনে দেশটির নারীদের ক্ষমতায়নের একটি আশাবাদী ফলাফল দেখা গেছে।
বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির জরিপে অংশ নেওয়া ৭৬ শতাংশেরও বেশি নারী উবার চালানোর কারণ হিসেবে আর্থিক স্বাধীনতার বিষয়টিকেই সবার ওপরে রেখেছেন। মূলত সৌদি আরব ও মিশর—এই দুই দেশের নারী চালকদের নিয়ে জরিপটি পরিচালিত হয়েছিল।
জরিপে অংশ নেওয়া নারীদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ জানিয়েছেন, উবার চালিয়ে তাঁরা তাঁদের পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করছেন।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—উত্তরদাতাদের মধ্যে ৭৭ শতাংশ নারীই দাবি করেছেন, তাঁরা উবার চালাতে কোনো সমস্যায় পড়ছেন না বরং যথেষ্ট নিরাপদ বোধ করছেন।
আরেকটি বিষয় হলো-সৌদি আরবে যেসব নারী উবার চালক রয়েছেন তাঁদের জন্য একটি বিশেষায়িত ফিচার রয়েছে। এই ফিচার ব্যবহার করে ইচ্ছা করলে তাঁরা শুধু নারী যাত্রীদের কল রিসিভ করতে পারেন।
নারী চালকদের অর্ধেকেরও বেশি জানিয়েছেন, উবার চালিয়েই তাঁরা তাঁদের ক্যারিয়ারকে সামনে এগিয়ে নিতে চান।
এ বিষয়ে বুধবার আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়ন প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উবার নারী চালকদের জন্য আর্থিক সুযোগ, নমনীয়তা এবং উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রদানের মাধ্যমে নারীদের অগ্রগতি, ক্ষমতায়ন এবং সমর্থন অব্যাহত রেখেছে সৌদি রাজতন্ত্র।
উসুল (Wusool) নামে ভর্তুকিযুক্ত একটি ‘নারী ক্ষমতায়ন কর্মসূচি’ ২০১৭ সালে চালু করেছে উবার। এর মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি নারী চালক প্রায় ২ কোটি উবার ট্রিপ সম্পন্ন করেছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে সৌদি আরবে নারী শ্রমের অংশগ্রহণ ৩৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
উবার সৌদি আরবের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আল-জুরাইশ বলেছেন, ‘আমরা সৌদি আরবে নারীদের আর্থিক স্বাধীনতা এবং ক্ষমতায়নকে সমর্থন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পেরে গর্বিত। আমরা দেখছি, যেসব নারী উবার চালাচ্ছেন তাঁদের বয়স ২১ থেকে ৪৬ বছরের মধ্যে।’

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
২ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
২ ঘণ্টা আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৫ ঘণ্টা আগে