
ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের মোকাবিলায় সৌদি আরবের সামরিক প্রয়োজন পূরণে পাশে দাঁড়াবে তুরস্ক। এমনটাই জানিয়েছেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তুর্কি সম্প্রচারমাধ্যম এনটিভির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান গতকাল শনিবার বলেছেন, ইয়েমেনের হুতিদের চলমান হামলার কারণে সৌদি আরবের সামরিক প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে এবং ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির অধীনে পাকিস্তান ও তুরস্ক জোটের অপর দেশটিকে সাহায্য করতে প্রস্তুত রয়েছে।
ফিদান সম্প্রচারমাধ্যম এনটিভিকে বলেন, ‘আমরা দেখছি যে সৌদি আরবের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর অত্যন্ত মারাত্মক হামলা চালানো হচ্ছে। আমাদের চুক্তিতে এক জোটবদ্ধ সমঝোতা রয়েছে। এই ইস্যুতে আমরা দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করছি... কিছু প্রযুক্তিগত বিষয়সহ নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে তাদের কিছু সামরিক প্রয়োজন থাকতে পারে। এগুলো পূরণ করতে আমাদের কোনো আপত্তি থাকবে না।’
গত মাসে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নামে পরিচিত এই যৌথ চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। সেটার আলোকে সৌদি আরবকে সহায়তা করার বাধ্যবাধকতা আছে। কিন্তু, সেই সহায়তা কীভাবে করা হবে তার বিস্তারিত রূপরেখা এখনো বিধি হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়নি।
এদিকে, ইয়েমেনের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চল নিয়ন্ত্রণকারী হুতিরা জুলাই মাসে রিয়াদের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণার পর থেকেই সৌদি আরবে হামলা চালিয়ে আসছে। এটি মূলত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া বিস্তৃত যুদ্ধের একটি নতুন ফ্রন্ট। এই হামলাগুলোতে সৌদি শহর, জ্বালানি অবকাঠামো ও জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ এবং উপসাগরীয় রপ্তানির প্রধান বিকল্প লোহিত সাগর রুটকে হুমকির মুখে ফেলেছে। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল এখনও ব্যাহত রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামরিক সহায়তার জন্য সৌদি আরবের আকুল আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন। ওয়াশিংটন ইয়েমেনে দুই মাস ধরে হামলা চালানোর পর হুতিরা গত বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল।
ফিদান বলেন, সৌদি আরব এই সংঘাতের অংশ হতে না চাওয়া সত্ত্বেও তাদের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের অন্তর্ভুক্ত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও বিষদ বিবরণ না দিয়ে যোগ করেন যে, যুদ্ধ অবসানের জন্য সব পক্ষকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘অনেক উদ্যোগ রয়েছে, তবে পক্ষগুলোকে এগুলো গ্রহণ করতে হবে। নতুন কিছু প্রস্তাব এসেছে, আশা করি তারা এগুলো মেনে নেবে। অন্যথায়, সংকটটি একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত সহ্য করা হয়েছিল, কিন্তু এর অর্থনৈতিক প্রভাবগুলো এখন আর সহ্য করার সীমার মধ্যে নেই।’
ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক বাহিনীর দেশ তুরস্ক জানিয়েছে যে, পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান এবং শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের এই চুক্তিটি অন্যান্য দেশের জন্য উন্মুক্ত এবং এটি বিদ্যমান কোনো জোটকে প্রতিস্থাপন করার উদ্দেশ্যে করা হয়নি।
সৌদি আরবে হুতিদের হামলার জবাবে মক্কা চুক্তির অধীনে ইসলামাবাদ থেকে কোনো সামরিক প্রতিক্রিয়া বা পদক্ষেপের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে পাকিস্তান; তবে তারা যোগ করেছে যে, ‘সময় এলে’ পাকিস্তান ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে শনিবার ইয়েমেনের হুতিরা জানায়, তারা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের ‘সংবেদনশীল’ স্থানগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই শহরটির প্রধান বিমানবন্দরের কাছে আগুনের শিখা ও বিশালাকার ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখতে পাওয়া যায়।

এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির নিয়ম লঙ্ঘন করলে মার্কিন নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা প্রায় ৩ কোটি ৮ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হতে পারে। এমনকি নিয়োগদাতাদের সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত বিদেশি নিয়োগ থেকে নিষিদ্ধও করা হতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এখন আর শুধু শিক্ষা ও স্কুলের দাবিতে সীমাবদ্ধ নেই, শুরু হয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক বিতর্ক। দেশটির রাস্তায় যখন লাখো শিক্ষার্থী এবং সাধারণ বিক্ষোভে নেমেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অস্থিরতার জন্য....
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত থাকায় চলতি সপ্তাহের বাকি সময় দেশটির সব হাইস্কুলের ক্লাস স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু। গতকাল মঙ্গলবার বিভিন্ন হাইস্কুল অবরোধ করে বিক্ষোভ করা শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। একই দিন দেশটির বিভিন্ন...
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগোর মতো মার্কিন শহর ধ্বংস করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার রাতে নেব্রাস্কার এক সমাবেশে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের কারণে আমেরিকানদের যে আর্থিক মূল্য দিতে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বকে নিরাপদ....
৪ ঘণ্টা আগে