আজকের পত্রিকা ডেস্ক

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের আল-তাহলিয়ায় খাদ্যসহায়তার অপেক্ষায় থাকা মানুষের ওপর ইসরায়েলি সেনাদের ট্যাংক ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৫৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে আরও প্রায় ২০০ জন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ভোরের দিকে বহু বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি খাবার সংগ্রহের আশায় একটি মার্কিন সহায়তা বিতরণকেন্দ্রের কাছে জড়ো হয়েছিলেন। ঠিক তখনই ইসরায়েলি বাহিনী প্রথমে একটি বাড়িতে বিমান হামলা চালায় এবং এরপরই সাহায্যের জন্য অপেক্ষমাণ জনতার ওপর গোলাবর্ষণ শুরু করে। হামলার পর আহত ব্যক্তিদের কাছাকাছি নাসের হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মরদেহের অংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল, অনেককে শনাক্ত করাই কঠিন হয়ে পড়ে।
নাসের হাসপাতালের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাকর বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে প্রায় ৬০টি মরদেহ গ্রহণ করেছি। সংখ্যা প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে। অধিকাংশ মরদেহ ছিন্নভিন্ন—কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তা স্পষ্ট।’
হামলার সময় ৩৪ বছর বয়সী মাহমুদ ওয়াদি তাঁর ভাই, তিন সন্তানসহ সহায়তার লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি বলেন, হঠাৎ করেই ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণ শুরু হয়, লোকজন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। রক্তে ভেসে যায় চারদিক। তিনি জানান, অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি, তাই গাধার গাড়ি ও সাইকেলে করে আহত ও নিহত ব্যক্তিদের সরিয়ে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতালের ভেতর রক্তে ভেজা মেঝে, আতঙ্কে ঘুরে বেড়ানো স্বজনেরা এবং সীমিত সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করতে থাকা চিকিৎসকেরা—সবকিছু যেন এক করুণ দৃশ্যপট। হাসপাতালটির এখন আর প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার বা জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার মতো সামর্থ্য নেই। সাকর বলেছেন, ‘যদি সহায়তা এখনই না আসে, তাহলে মানুষ আঘাতে নয়, অবহেলার কারণেই মারা যাবে।’
আল-মাওয়াসি এলাকায় আশ্রয় নেওয়া সাবেক স্কুলশিক্ষক ইয়াহিয়া বারবাখ বলেন, ‘আমি শুধু আমার ছেলেমেয়েদের জন্য খাবার আনতে গিয়েছিলাম। আমাদের কারও কাছে অস্ত্র ছিল না। আমাদের সেখানে পাঠানো হয়, তারপর সেখানেই মেরে ফেলা হয়।’
গাজা মানবিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে চালু হওয়া সহায়তা বিতরণব্যবস্থাকে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মানবতাবিরোধী বলছে। তারা জানিয়েছে, এই ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছাচ্ছে না, বরং খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে গাজার জনগণকে নির্দিষ্ট অঞ্চলে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে গত কয়েক সপ্তাহে এই সহায়তা কেন্দ্রগুলোর আশপাশে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে শতাধিক মানুষ নিহত এবং কয়েক হাজার আহত হয়েছে বলে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। খাদ্যসহায়তার জন্য প্রতিদিন জীবন দিতে হচ্ছে—এই অভিযোগ জানিয়ে মাহমুদ ওয়াদি বলেন, ‘পুরো দুনিয়া জানে এই পদ্ধতিটা অপমানজনক। তবু প্রতিদিন এর ফল ভোগ করছি আমরা।’

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের আল-তাহলিয়ায় খাদ্যসহায়তার অপেক্ষায় থাকা মানুষের ওপর ইসরায়েলি সেনাদের ট্যাংক ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৫৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে আরও প্রায় ২০০ জন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ভোরের দিকে বহু বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি খাবার সংগ্রহের আশায় একটি মার্কিন সহায়তা বিতরণকেন্দ্রের কাছে জড়ো হয়েছিলেন। ঠিক তখনই ইসরায়েলি বাহিনী প্রথমে একটি বাড়িতে বিমান হামলা চালায় এবং এরপরই সাহায্যের জন্য অপেক্ষমাণ জনতার ওপর গোলাবর্ষণ শুরু করে। হামলার পর আহত ব্যক্তিদের কাছাকাছি নাসের হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মরদেহের অংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল, অনেককে শনাক্ত করাই কঠিন হয়ে পড়ে।
নাসের হাসপাতালের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাকর বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে প্রায় ৬০টি মরদেহ গ্রহণ করেছি। সংখ্যা প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে। অধিকাংশ মরদেহ ছিন্নভিন্ন—কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তা স্পষ্ট।’
হামলার সময় ৩৪ বছর বয়সী মাহমুদ ওয়াদি তাঁর ভাই, তিন সন্তানসহ সহায়তার লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি বলেন, হঠাৎ করেই ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণ শুরু হয়, লোকজন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। রক্তে ভেসে যায় চারদিক। তিনি জানান, অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি, তাই গাধার গাড়ি ও সাইকেলে করে আহত ও নিহত ব্যক্তিদের সরিয়ে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতালের ভেতর রক্তে ভেজা মেঝে, আতঙ্কে ঘুরে বেড়ানো স্বজনেরা এবং সীমিত সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করতে থাকা চিকিৎসকেরা—সবকিছু যেন এক করুণ দৃশ্যপট। হাসপাতালটির এখন আর প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার বা জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার মতো সামর্থ্য নেই। সাকর বলেছেন, ‘যদি সহায়তা এখনই না আসে, তাহলে মানুষ আঘাতে নয়, অবহেলার কারণেই মারা যাবে।’
আল-মাওয়াসি এলাকায় আশ্রয় নেওয়া সাবেক স্কুলশিক্ষক ইয়াহিয়া বারবাখ বলেন, ‘আমি শুধু আমার ছেলেমেয়েদের জন্য খাবার আনতে গিয়েছিলাম। আমাদের কারও কাছে অস্ত্র ছিল না। আমাদের সেখানে পাঠানো হয়, তারপর সেখানেই মেরে ফেলা হয়।’
গাজা মানবিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে চালু হওয়া সহায়তা বিতরণব্যবস্থাকে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মানবতাবিরোধী বলছে। তারা জানিয়েছে, এই ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছাচ্ছে না, বরং খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে গাজার জনগণকে নির্দিষ্ট অঞ্চলে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে গত কয়েক সপ্তাহে এই সহায়তা কেন্দ্রগুলোর আশপাশে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে শতাধিক মানুষ নিহত এবং কয়েক হাজার আহত হয়েছে বলে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। খাদ্যসহায়তার জন্য প্রতিদিন জীবন দিতে হচ্ছে—এই অভিযোগ জানিয়ে মাহমুদ ওয়াদি বলেন, ‘পুরো দুনিয়া জানে এই পদ্ধতিটা অপমানজনক। তবু প্রতিদিন এর ফল ভোগ করছি আমরা।’

নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়ার পর জোহরান মামদানির হাতে লেখা একটি চিঠি নতুন করে আলোচনায় এনেছে ভারতের কারাবন্দী ছাত্রনেতা ও অধিকারকর্মী উমর খালিদের দীর্ঘ বন্দিত্বের বিষয়টি।
৩ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে প্রথমবারের মতো নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে তোলা হচ্ছে। তাঁকে বহনকারী একটি হেলিকপ্টার নিউইয়র্কের আদালতের নিকটবর্তী একটি হেলিপোর্টে কিছুক্ষণ আগে অবতরণ করেছে। আজ সোমবার তাঁকে ওই আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।
১৩ মিনিট আগে
সব অনিশ্চয়তা ও অমানবিক যন্ত্রণার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভারতের বীরভূমের রামপুরহাট সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন সোনালী খাতুন। গত বছর অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় দিল্লি পুলিশ তাঁকে ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছিল।
৩২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের দাবিমতো রাশিয়া থেকে তেল কেনা না কমালে ভারতের ওপর শুল্ক বাড়ানো হতে পারে বলে হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ হুমকি দেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে