
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের মাটিতে এক আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি অস্ত্রধারী সংগঠন হামাস। এই হামলায় ইসরায়েলে সহস্রাধিক মানুষের প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ইসরায়েলি সেনা, সাধারণ মানুষ এবং বিদেশিরাও আছেন।
আকস্মিক এই হামলার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল চড়াও হয় গাজা শহরের ওপর। এই শহরেই শক্ত ঘাঁটি রয়েছে হামাস যোদ্ধাদের। তাই বিমান হামলা করে শহরটিতে একের পর এক বোমা বোমা নিক্ষেপ করে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী।
আজ বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের সেনাবাহিনী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, হামাসের হামলার পর গত কয়েক দিনে গাজা শহরের ওপর ৬ হাজার বোমা ফেলা হয়েছে। এই বোমাগুলোর সম্মিলিত ওজন প্রায় ৪ হাজার টন।
তীব্র এই হামলার ফলাফলও মারাত্মক। গত কয়েক দিনের বোমা বর্ষণে গাজায় প্রায় ১ হাজার ৪১৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, যার অর্ধেকই নারী ও শিশু। এ ছাড়া নিহতদের বেশির ভাগই সাধারণ মানুষ।
শুধু বোমা হামলাই নয়, গাজা শহরটিকে অবরুদ্ধ করে এর পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে মানবেতর জীবন-যাপন করছে শহরটির বাসিন্দারা। হাসপাতালগুলোতে বিদ্যুৎ না থাকায় অসংখ্য রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। বুধবার রাতে আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, শহরটির বিভিন্ন হাসপাতালে অন্তত ১০০ নবজাতক মৃত্যুর মুখে রয়েছে। কারণ তাদের জীবনের প্রতিটি ধাপের জন্য যেসব যন্ত্রপাতির দরকার সেগুলো বিদ্যুৎ চালিত।
সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ ও অবিরাম বোমাবর্ষণের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটিয়ে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে বলে দাবি তুলেছে বিভিন্ন মহল। এই হামলার বিরুদ্ধে আমেরিকা সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সমালোচনা হচ্ছে হামাসের হামলারও।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের মাটিতে এক আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি অস্ত্রধারী সংগঠন হামাস। এই হামলায় ইসরায়েলে সহস্রাধিক মানুষের প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ইসরায়েলি সেনা, সাধারণ মানুষ এবং বিদেশিরাও আছেন।
আকস্মিক এই হামলার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল চড়াও হয় গাজা শহরের ওপর। এই শহরেই শক্ত ঘাঁটি রয়েছে হামাস যোদ্ধাদের। তাই বিমান হামলা করে শহরটিতে একের পর এক বোমা বোমা নিক্ষেপ করে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী।
আজ বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের সেনাবাহিনী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, হামাসের হামলার পর গত কয়েক দিনে গাজা শহরের ওপর ৬ হাজার বোমা ফেলা হয়েছে। এই বোমাগুলোর সম্মিলিত ওজন প্রায় ৪ হাজার টন।
তীব্র এই হামলার ফলাফলও মারাত্মক। গত কয়েক দিনের বোমা বর্ষণে গাজায় প্রায় ১ হাজার ৪১৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, যার অর্ধেকই নারী ও শিশু। এ ছাড়া নিহতদের বেশির ভাগই সাধারণ মানুষ।
শুধু বোমা হামলাই নয়, গাজা শহরটিকে অবরুদ্ধ করে এর পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে মানবেতর জীবন-যাপন করছে শহরটির বাসিন্দারা। হাসপাতালগুলোতে বিদ্যুৎ না থাকায় অসংখ্য রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। বুধবার রাতে আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, শহরটির বিভিন্ন হাসপাতালে অন্তত ১০০ নবজাতক মৃত্যুর মুখে রয়েছে। কারণ তাদের জীবনের প্রতিটি ধাপের জন্য যেসব যন্ত্রপাতির দরকার সেগুলো বিদ্যুৎ চালিত।
সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ ও অবিরাম বোমাবর্ষণের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটিয়ে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে বলে দাবি তুলেছে বিভিন্ন মহল। এই হামলার বিরুদ্ধে আমেরিকা সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সমালোচনা হচ্ছে হামাসের হামলারও।

২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
৩ ঘণ্টা আগে