
গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে নতুন করে আলোচনা শুরুর ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে ইসরায়েল ও হামাস। ইসরায়েলি হামলায় হামাসের প্রধান ইয়াহইয়া সিনওয়ার নিহত হওয়ার কয়েক দিনের মাথায় এই বিষয়টি সামনে এল। তবে হামাসের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের পুরোপুরি প্রত্যাহার না করা হলে কোনো চুক্তি হবে না।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গতকাল বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেভিড বার্নিয়া গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করার লক্ষ্যে কাতার যাবেন। সেখানে তিনি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর প্রধান উইলিয়াম বার্নস এবং অন্যান্যদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
গত সপ্তাহে হামাসের শীর্ষ নেতা সিনওয়ার নিহত হওয়ার পরপরই ইসরায়েল ও সৌদি আরব সফর করেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। সেখানে তিনি উভয় দেশকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। এর আগেও যুক্তরাষ্ট্র একাধিকবার যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করেছে। কিন্তু সেসব প্রচেষ্টার একটিও সফল হয়নি।
এদিকে, হামাসের এক শীর্ষ নেতা এএফপিকে জানিয়েছেন, গতকাল বৃহস্পতিবার হামাসের কাতারে অবস্থানরত শীর্ষ নেতারা গাজা যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন নিয়ে মিসরীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। তিনি জানান, কায়রো অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে হামাসের নেতারা যুদ্ধবিরতির বিষয়ে নিজের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘হামাস যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। তবে ইসরায়েলকে অবশ্যই যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে, গাজা উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে, বাস্তুচ্যুত লোকদের ফিরে আসার অনুমতি দিতে হবে, জরুরি ভিত্তিতে বন্দী বিনিময় চুক্তিতে সম্মত হতে হবে এবং গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে।’ তিনি জানান, কায়রোর বৈঠক ছিল যুদ্ধবিরতি আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য মিশ রের চলমান প্রচেষ্টার অংশ।
অপরদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন এবং জিম্মি মুক্তির বিষয়ে মিসরে প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছেন। কায়রো বৈঠকের পর নেতানিয়াহু ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধানকে আগামী রোববার যুদ্ধবিরতি আলোচনার প্রধান মধ্যস্থতাকারী কাতারের যাওয়ার এবং ‘এজেন্ডায় থাকা একাধিক উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য’ নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার জানিয়েছিল যে, দোহায় শিগগির গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা আবার শুরু হবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল, সৌদি আরব ও কাতার সফর করার পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট মাত্র দেড় সপ্তাহ আগের এই সফর শেষে ব্লিঙ্কেন বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের নতুন নতুন সম্ভাবনাগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে যাতে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন করা যায়।
এদিকে, হামাস নেতা ওসামা হামদান লেবাননের সম্প্রচারমাধ্যম আল-মায়েদিনকে বলেছেন, ‘গাজায় (ইসরায়েলি) আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এবং ইসরায়েলি সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত দখলদারদের সঙ্গে কোনো বন্দী বিনিময় চুক্তি হবে না।’ হামদান স্পষ্ট করে বলেন, ‘হামাসের হাতে আটক বন্দীদের মুক্তির জন্য যেকোনো প্রচেষ্টা অবশ্যই যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শুরু হবে।’

গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে নতুন করে আলোচনা শুরুর ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে ইসরায়েল ও হামাস। ইসরায়েলি হামলায় হামাসের প্রধান ইয়াহইয়া সিনওয়ার নিহত হওয়ার কয়েক দিনের মাথায় এই বিষয়টি সামনে এল। তবে হামাসের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের পুরোপুরি প্রত্যাহার না করা হলে কোনো চুক্তি হবে না।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গতকাল বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেভিড বার্নিয়া গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করার লক্ষ্যে কাতার যাবেন। সেখানে তিনি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর প্রধান উইলিয়াম বার্নস এবং অন্যান্যদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
গত সপ্তাহে হামাসের শীর্ষ নেতা সিনওয়ার নিহত হওয়ার পরপরই ইসরায়েল ও সৌদি আরব সফর করেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। সেখানে তিনি উভয় দেশকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। এর আগেও যুক্তরাষ্ট্র একাধিকবার যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করেছে। কিন্তু সেসব প্রচেষ্টার একটিও সফল হয়নি।
এদিকে, হামাসের এক শীর্ষ নেতা এএফপিকে জানিয়েছেন, গতকাল বৃহস্পতিবার হামাসের কাতারে অবস্থানরত শীর্ষ নেতারা গাজা যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন নিয়ে মিসরীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। তিনি জানান, কায়রো অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে হামাসের নেতারা যুদ্ধবিরতির বিষয়ে নিজের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘হামাস যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। তবে ইসরায়েলকে অবশ্যই যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে, গাজা উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে, বাস্তুচ্যুত লোকদের ফিরে আসার অনুমতি দিতে হবে, জরুরি ভিত্তিতে বন্দী বিনিময় চুক্তিতে সম্মত হতে হবে এবং গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে।’ তিনি জানান, কায়রোর বৈঠক ছিল যুদ্ধবিরতি আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য মিশ রের চলমান প্রচেষ্টার অংশ।
অপরদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন এবং জিম্মি মুক্তির বিষয়ে মিসরে প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছেন। কায়রো বৈঠকের পর নেতানিয়াহু ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধানকে আগামী রোববার যুদ্ধবিরতি আলোচনার প্রধান মধ্যস্থতাকারী কাতারের যাওয়ার এবং ‘এজেন্ডায় থাকা একাধিক উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য’ নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার জানিয়েছিল যে, দোহায় শিগগির গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা আবার শুরু হবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল, সৌদি আরব ও কাতার সফর করার পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট মাত্র দেড় সপ্তাহ আগের এই সফর শেষে ব্লিঙ্কেন বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের নতুন নতুন সম্ভাবনাগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে যাতে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন করা যায়।
এদিকে, হামাস নেতা ওসামা হামদান লেবাননের সম্প্রচারমাধ্যম আল-মায়েদিনকে বলেছেন, ‘গাজায় (ইসরায়েলি) আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এবং ইসরায়েলি সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত দখলদারদের সঙ্গে কোনো বন্দী বিনিময় চুক্তি হবে না।’ হামদান স্পষ্ট করে বলেন, ‘হামাসের হাতে আটক বন্দীদের মুক্তির জন্য যেকোনো প্রচেষ্টা অবশ্যই যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শুরু হবে।’

ইরানের পাঁচ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এই কর্মকর্তারাই দেশটিতে চলমান বিক্ষোভ দমনের মূল পরিকল্পনাকারী। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের শীর্ষ নেতারা বিদেশি ব্যাংকে যে অর্থ পাঠাচ্ছেন, তা–ও তারা নজরদারিতে রেখেছে।
২১ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ট্রাম্প কী ভূমিকা নেবেন, সে বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবেই মাচাদোর...
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
৪ ঘণ্টা আগে