
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা তিন দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে এবং সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট যদি ইয়েমেনের বিরুদ্ধে অভিযান বন্ধ করে, তবে ‘স্থায়ী’ যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠী। এক বিবৃতিতে হুতি বিদ্রোহীরা যুদ্ধবিরতির এই ঘোষণা দিয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবের জেদ্দায় ফর্মুলা ওয়ান রেসের কাছে একটি তেলের প্ল্যান্টে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এক দিন পরে হুতিদের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির এই ঘোষণা এল।
এদিকে গতকাল শনিবার ইয়েমেনের সানা ও হোদেইদায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। হুতিরা বলেছে, সৌদি জোট একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, একটি জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্র এবং রাজধানীর একটি সামাজিক বিমা কার্যালয়ে হামলা করেছে।
এই হামলার পরে হুতির রাজনৈতিক নেতা মাহদি আল-মাশাত তিন দিনের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা এবং সব ধরনের সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত করার ঘোষণা দেন।
মাহদি আল-মাশাত বলেছেন, ‘এটি একটি আন্তরিক আমন্ত্রণ এবং সব পক্ষের আস্থা অর্জনের জন্য আলোচনার ক্ষেত্র তৈরির একটি বাস্তব পদক্ষেপ।’
আল-মাশাত আরও বলেন, ‘আমরা এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে স্থায়ী রূপ দিতে প্রস্তুত, যদি সৌদি আরব ইয়েমেনে অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দেয়।’
তবে সৌদি আরব হুতির এই আহ্বানে এখনো সাড়া দেয়নি।
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা ২০১৪ সালে দেশটির গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হাদি সরকারকে অস্ত্রের মুখে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে। এরপর হাদি সরকারের সমর্থনে ২০১৫ সালে সেখানে হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি জোট। সেই অভিযান এখনো অব্যাহত আছে এবং দুই পক্ষের মধ্যে প্রায়ই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
৩ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
৫ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৬ ঘণ্টা আগে