
গাজা উপত্যকাজুড়ে প্রায় এক মাস ধরে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। নিহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। সর্বাত্মক অবরোধ আরোপের জের ধরে সেখানকার কোণঠাসা মানুষেরা উপায়ান্তর না পেয়ে ঠাঁই নিয়েছে জাতিসংঘ পরিচালিত আশ্রয়শিবিরগুলোতে। কিন্তু সেগুলোতে অতিরিক্ত মানুষের কারণে ঘিঞ্জি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দেখা দিচ্ছে ডায়রিয়া ও জলবসন্তের মতো সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব।
ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, তাদের আশ্রয়শিবিরগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে ৫ লাখ ৩০ হাজার বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। শিবিরগুলোর ঘিঞ্জি পরিবেশ তৈরি করছে স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাজনিত মারাত্মক ঝুঁকি। এ অবস্থায় ডায়রিয়া, জলবসন্ত, শ্বাসনালিতে সংক্রমণ ছড়ানোর বেশ কিছু রিপোর্ট পাওয়া গেছে।
জাতিসংঘ জানায়, ইউএনআরডব্লিউএর ভবনগুলোতে নতুন করে আর কারও আশ্রয় দেওয়ার স্থান নেই। ফলে জায়গা না পেয়ে নিরুপায় মানুষ শিবিরের কাছাকাছি সড়কগুলোতে ঘুমাচ্ছে।
এদিকে, গাজার মধ্যাঞ্চলে আশ্রয়শিবিরেও হামলা করেছে ইসরায়েল। এতে ৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর মোট ৯ হাজার ৪৮৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়। আহত হয় ২৪ হাজার ১৫৮ জন।
দেশে দেশে বিক্ষোভ
ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে বিশ্বের নানা দেশে গত শনিবার ও গতকাল রোববার বিক্ষোভ হয়েছে। ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে সংহতি জানাতে পাকিস্তানে বাসে চেপে রাজধানী ইসলামাবাদে আসেন লোকজন। এরপর বিক্ষোভ করেন তাঁরা। এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান হামলা নিয়ে শুধু মুখে-মুখে কথা না বলে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত মুসলিম বিশ্বের নেতাদের।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ফিলিস্তিনের সমর্থনে মিছিল করেছেন কয়েক হাজার মার্কিন মুসলিম। গত শনিবার গাজায় ইসরায়েলি আক্রমণের বিরতি দাবি করে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। এ সময় তাঁরা হুমকি দেন, বাইডেন প্রশাসন গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে না পারলে আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কোনো ভোট পাবেন না জো বাইডেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাজার হাজার মার্কিন মুসলিম বিভিন্ন ধরনের ব্যানার, পোস্টার ও ফিলিস্তিনের জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মিছিল করেন। এ সময় তাঁরা ওয়াশিংটনের ফ্রিডম প্লাজা হয়ে হোয়াইট হাউসের সামনে পৌঁছান এবং সেখানে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাঁরা ‘ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা চাই’ স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে অ্যাক্ট নাউ টু স্টপ ওয়ার অ্যান্ড রেসিজম (এএনএসডব্লিউইআর)। সংগঠনটি তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, এখন সময় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ জনগণের পাশে দাঁড়ানো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইসরায়েল বোমা হামলা চালাচ্ছে গাজায়। আরও কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।

গাজা উপত্যকাজুড়ে প্রায় এক মাস ধরে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। নিহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। সর্বাত্মক অবরোধ আরোপের জের ধরে সেখানকার কোণঠাসা মানুষেরা উপায়ান্তর না পেয়ে ঠাঁই নিয়েছে জাতিসংঘ পরিচালিত আশ্রয়শিবিরগুলোতে। কিন্তু সেগুলোতে অতিরিক্ত মানুষের কারণে ঘিঞ্জি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দেখা দিচ্ছে ডায়রিয়া ও জলবসন্তের মতো সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব।
ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, তাদের আশ্রয়শিবিরগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে ৫ লাখ ৩০ হাজার বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। শিবিরগুলোর ঘিঞ্জি পরিবেশ তৈরি করছে স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাজনিত মারাত্মক ঝুঁকি। এ অবস্থায় ডায়রিয়া, জলবসন্ত, শ্বাসনালিতে সংক্রমণ ছড়ানোর বেশ কিছু রিপোর্ট পাওয়া গেছে।
জাতিসংঘ জানায়, ইউএনআরডব্লিউএর ভবনগুলোতে নতুন করে আর কারও আশ্রয় দেওয়ার স্থান নেই। ফলে জায়গা না পেয়ে নিরুপায় মানুষ শিবিরের কাছাকাছি সড়কগুলোতে ঘুমাচ্ছে।
এদিকে, গাজার মধ্যাঞ্চলে আশ্রয়শিবিরেও হামলা করেছে ইসরায়েল। এতে ৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর মোট ৯ হাজার ৪৮৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়। আহত হয় ২৪ হাজার ১৫৮ জন।
দেশে দেশে বিক্ষোভ
ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে বিশ্বের নানা দেশে গত শনিবার ও গতকাল রোববার বিক্ষোভ হয়েছে। ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে সংহতি জানাতে পাকিস্তানে বাসে চেপে রাজধানী ইসলামাবাদে আসেন লোকজন। এরপর বিক্ষোভ করেন তাঁরা। এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান হামলা নিয়ে শুধু মুখে-মুখে কথা না বলে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত মুসলিম বিশ্বের নেতাদের।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ফিলিস্তিনের সমর্থনে মিছিল করেছেন কয়েক হাজার মার্কিন মুসলিম। গত শনিবার গাজায় ইসরায়েলি আক্রমণের বিরতি দাবি করে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। এ সময় তাঁরা হুমকি দেন, বাইডেন প্রশাসন গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে না পারলে আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কোনো ভোট পাবেন না জো বাইডেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাজার হাজার মার্কিন মুসলিম বিভিন্ন ধরনের ব্যানার, পোস্টার ও ফিলিস্তিনের জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মিছিল করেন। এ সময় তাঁরা ওয়াশিংটনের ফ্রিডম প্লাজা হয়ে হোয়াইট হাউসের সামনে পৌঁছান এবং সেখানে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাঁরা ‘ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা চাই’ স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে অ্যাক্ট নাউ টু স্টপ ওয়ার অ্যান্ড রেসিজম (এএনএসডব্লিউইআর)। সংগঠনটি তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, এখন সময় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ জনগণের পাশে দাঁড়ানো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইসরায়েল বোমা হামলা চালাচ্ছে গাজায়। আরও কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে