
ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালানোর জন্য সৌদি আরব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্ররোচিত বা ‘লবিং’ করেছে বলে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে রিয়াদ। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনকে ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছে দেশটি।
ওয়াশিংটনে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসের মুখপাত্র ফাহাদ নাজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, সৌদি আরব সব সময় তেহরানের সঙ্গে একটি নির্ভরযোগ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে আসছে। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের সব ধরনের যোগাযোগে কোনো সময়ই আমরা প্রেসিডেন্টকে বর্তমান নীতির বাইরে অন্য কোনো পদক্ষেপ নিতে প্ররোচিত করিনি।
সৌদি আরবের এই প্রতিক্রিয়া এসেছে মূলত মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে। ওই প্রতিবেদনে চারজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বরাত দিয়ে দাবি করা হয়েছিল, ইসরায়েল ও সৌদি আরবের কয়েক সপ্তাহের প্রচেষ্টার (লবিং) পরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের ওপর হামলার সিদ্ধান্ত নেন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছিল, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বড় হুমকির প্রমাণ পায়নি। তবে আঞ্চলিক মিত্রদের (ইসরায়েল ও সৌদি আরব) চাপের মুখেই সামরিক পদক্ষেপের দিকে ঝোঁকেন ট্রাম্প।
সৌদি আরবের বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, রিয়াদ দীর্ঘ সময় ধরে আঞ্চলিক উত্তেজনা নিরসনে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সরাসরি সামরিক সংঘাতের দিকে যাওয়ার কোনো প্ররোচনা তারা দেয়নি। বরং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরান সংশ্লিষ্ট বিরোধগুলোর রাজনৈতিক সমাধান এবং উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছে।
তথ্যসূত্র: সৌদি গেজেট

পশ্চিমা বিশ্বের কিছু তরুণ পুরুষের মধ্যে বিদেশে গিয়ে ‘ঐতিহ্যবাহী’ স্ত্রী খোঁজার প্রবণতা বাড়ছে। বিষয়টি ‘পাসপোর্ট ব্রো’ নামে পরিচিত একটি নতুন সামাজিক প্রবণতা হিসেবে আলোচনায় এসেছে। আধুনিক ডেটিং নিয়ে হতাশা থেকেই অনেকে এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
৪২ মিনিট আগে
আইআরজিসির নৌ কমান্ডের পক্ষ থেকে জাহাজ চলাচলের জন্য যে শর্তগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো—নির্দিষ্ট রুট: কেবল বেসামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ইরানের নির্ধারিত রুট বা পথ দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে। সামরিক জাহাজে নিষেধাজ্ঞা: এই প্রণালি দিয়ে যেকোনো বিদেশি সামরিক জাহাজ চলাচল আগের মতোই কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
১ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে এটি (ইউরেনিয়াম) উদ্ধার করতে যাচ্ছি। আমরা ইরানের সঙ্গে মিলে বেশ ধীরস্থিরভাবে সেখানে যাব এবং বড় বড় যন্ত্রপাতি দিয়ে খননকাজ শুরু করব...এরপর আমরা সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসব।’
২ ঘণ্টা আগে
ইরান নিয়ে নিজের গৃহীত নীতিগুলোর সমালোচনা করায় যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর আবার চড়াও হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শুক্রবার এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি সংবাদমাধ্যমগুলোকে আক্রমণ করে বলেন, তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর কাজের নেতিবাচক সমালোচনা করছে।
২ ঘণ্টা আগে