
ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ সিস্তান-বেলুচিস্তানের এক পুলিশ স্টেশনে জিহাদি গোষ্ঠীর হামলায় অন্তত ১১ জন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে এ খবর জানিয়েছেন একজন সরকারি কর্মকর্তা।
রাষ্ট্রীয় চ্যানেলের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে বেশ কয়েকজন হামলাকারীও নিহত হয়েছে। প্রদেশটির ডেপুটি গভর্নর আলিরেজা মারহামাতি রাষ্ট্রীয় টিভিকে বলেছেন, রাস্ক শহরে পুলিশ সদর দপ্তরে সন্ত্রাসী হামলায় ১১ পুলিশ সদস্য নিহত এবং অন্যরা আহত হয়েছেন।
সুন্নি মুসলিম জিহাদি জাইশ আল-আদল (আর্মি অব জাস্টিস) গ্রুপ তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে হামলার দায়দায়িত্ব স্বীকার করেছে। ২০১২ সালে গঠিত জাইশ আল-আদলকে ইরান ‘সন্ত্রাসী’ গোষ্ঠী হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের সীমান্তের কাছে অবস্থিত অঞ্চলটিতে মধ্যরাতে ঘটে যাওয়া এই হামলাকে বছরের মধ্যে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হিসেবে ধরা হচ্ছে।
আলিরেজা মারহামাতিকে উদ্ধৃত করে ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ বলেছে, সন্ত্রাসীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া পুলিশ স্টেশনের অফিসাররা সাহসিকতার সঙ্গে আত্মরক্ষা করে কয়েকজন হামলাকারীকে আহত এবং হত্যা করেছিলেন।
জাহেদানের প্রসিকিউটর মেহেদি শামসাবাদি আইআরএনএকে বলেছেন, সাত পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন—যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আইআরএনএ জানিয়েছে, হামলার তদন্ত শুরু হয়েছে। ইরান-পাকিস্তান সীমান্তে পাহাড়ের ওপর হামলাকারীদের খোঁজে হেলিকপ্টারের ফুটেজ প্রকাশ করেছে সরকারি বার্তা সংস্থা।
সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশে অস্থিরতার সঙ্গে মাদক চোরাচালানকারী দল, বেলুচি সংখ্যালঘু বিদ্রোহী এবং সুন্নি মুসলিম চরমপন্থীরা জড়িত। এর আগেও একই ধরনের হামলা হয়েছে, যেখানে গত ২৩ জুলাই টহলরত অবস্থায় চার পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছিল।
তার দুই সপ্তাহ আগে প্রদেশটিতে পুলিশের সঙ্গে জাইশ আল-আদলের বন্দুকযুদ্ধে দুই পুলিশ সদস্য এবং চার হামলাকারী নিহত হয়েছিল।

ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ সিস্তান-বেলুচিস্তানের এক পুলিশ স্টেশনে জিহাদি গোষ্ঠীর হামলায় অন্তত ১১ জন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে এ খবর জানিয়েছেন একজন সরকারি কর্মকর্তা।
রাষ্ট্রীয় চ্যানেলের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে বেশ কয়েকজন হামলাকারীও নিহত হয়েছে। প্রদেশটির ডেপুটি গভর্নর আলিরেজা মারহামাতি রাষ্ট্রীয় টিভিকে বলেছেন, রাস্ক শহরে পুলিশ সদর দপ্তরে সন্ত্রাসী হামলায় ১১ পুলিশ সদস্য নিহত এবং অন্যরা আহত হয়েছেন।
সুন্নি মুসলিম জিহাদি জাইশ আল-আদল (আর্মি অব জাস্টিস) গ্রুপ তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে হামলার দায়দায়িত্ব স্বীকার করেছে। ২০১২ সালে গঠিত জাইশ আল-আদলকে ইরান ‘সন্ত্রাসী’ গোষ্ঠী হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের সীমান্তের কাছে অবস্থিত অঞ্চলটিতে মধ্যরাতে ঘটে যাওয়া এই হামলাকে বছরের মধ্যে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হিসেবে ধরা হচ্ছে।
আলিরেজা মারহামাতিকে উদ্ধৃত করে ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ বলেছে, সন্ত্রাসীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া পুলিশ স্টেশনের অফিসাররা সাহসিকতার সঙ্গে আত্মরক্ষা করে কয়েকজন হামলাকারীকে আহত এবং হত্যা করেছিলেন।
জাহেদানের প্রসিকিউটর মেহেদি শামসাবাদি আইআরএনএকে বলেছেন, সাত পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন—যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আইআরএনএ জানিয়েছে, হামলার তদন্ত শুরু হয়েছে। ইরান-পাকিস্তান সীমান্তে পাহাড়ের ওপর হামলাকারীদের খোঁজে হেলিকপ্টারের ফুটেজ প্রকাশ করেছে সরকারি বার্তা সংস্থা।
সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশে অস্থিরতার সঙ্গে মাদক চোরাচালানকারী দল, বেলুচি সংখ্যালঘু বিদ্রোহী এবং সুন্নি মুসলিম চরমপন্থীরা জড়িত। এর আগেও একই ধরনের হামলা হয়েছে, যেখানে গত ২৩ জুলাই টহলরত অবস্থায় চার পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছিল।
তার দুই সপ্তাহ আগে প্রদেশটিতে পুলিশের সঙ্গে জাইশ আল-আদলের বন্দুকযুদ্ধে দুই পুলিশ সদস্য এবং চার হামলাকারী নিহত হয়েছিল।

ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের...
৩ ঘণ্টা আগে